মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৯, ২৬ অগ্রাহায়ণ ১৪২৬

প্রাথমিকের শিক্ষকদের বেতন নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য

সোনালীনিউজ ডেস্ক | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ১৮ নভেম্বর ২০১৯, সোমবার ০১:২৫ পিএম

প্রাথমিকের শিক্ষকদের বেতন নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য

ঢাকা: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব প্রধান শিক্ষক এবং সহকারী শিক্ষকদের বিরাজমান বেতন বৈষম্য নিরসন করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ। গত ৭ নভেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, এখন থেকে সব প্রধান ‘শিক্ষক জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫’ এর ১১তম গ্রেডে (১২৫০০-৩০২৩০ টাকা) এবং সব সহকারী শিক্ষক ১৩তম গ্রেডে (১১০০০-২৬৫৯০ টাকা) বেতন পাবেন। নতুন কাঠামোতে সহকারী শিক্ষকেরা বেতন গ্রেডে একধাপ এগিয়ে গেলেন।

এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন বলেছেন, এখন বাকি আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। অবশ্য আন্দোলনকারী শিক্ষকেরা জানিয়েছেন, এ রকমভাবে বেতন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত তারা মানবেন না।

এদিকে প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধির পক্ষে ও বিপক্ষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে আলোচনা-সমালোচনা।

আবুল কাশেম শিক্ষক লিখেছেন- বেসরকারি শিক্ষকদের ২০১৮ সাল অনুযায়ী উচ্চতর স্কেল কবে বাস্তবায়ন হবে?

মোহাম্মাদ সাইদের ভাষায়, এইচএসসি পাশ ১০ম গ্রেড পায় এটাই বাংলাদেশ।

মোফাজ্জল হোসাইন মনে করেন, সকল শিক্ষক এক সাথে পদত্যাগ করে ইতিহাস গড়ুন আর বেকারদের জায়গা করে দিন।

শামীম আহমেদ লিখেছেন- নতুন বেতন গ্রেডে অর্থমন্ত্রণালয়কে কোনরকম অতিরিক্ত অর্থ দিতে হবে না। এইজন্যই সম্মতি দিয়েছে।

সরওয়ার কামাল লিখেছেন- আমাদের বঞ্চিত করে কখনোই আপনাদের লক্ষ্য বাস্তবায়ন হবে না।

শামীম আহাদ প্রশ্ন রেখে লিখেছেন- একজন শিক্ষকের বেতন বড় না সন্মান বড়?

এস এম মিজানুল হক লিখেছেন- ১৫তম গ্রেড এবং ১৬তম গ্রেডে ফেরত দেওয়া হোক তাহলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

লিমন খান বলছেন- সরকার শিক্ষকদের বেশি দিয়ে মাতাল করে ফেলেছে।

মো. লুটপুর লিখেছেন- মানার দরকার নেই, সবাই চাকরি ছেড়ে দিয়ে ব্যবসা করেন।

মোহাম্মাদ সেলিম লিখেছেন- প্রাথমিক শিক্ষকদের এত বেশি বেতন বাড়াবে কল্পনাও করিনি। বৈষম্য একেবারে দূর করার জন্য ধন্যবাদ।

বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদের সদস্যসচিব মোহাম্মদ শামছুদ্দিন বলেন, যেভাবে বেতন বৃদ্ধি করার বিষয়ে অর্থ বিভাগ সম্মতি দিয়েছে সেটা তারা মানবেন না।

অন্যদিকে বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির মুখপাত্র এস এম ছায়িদ উল্লা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৪ সালের মার্চে প্রধান শিক্ষকদের চাকরি দ্বিতীয় শ্রেণির মর্যাদার ঘোষণা দেন। কিন্তু পদমর্যাদা অনুযায়ী এখনো বেতন গ্রেড ১০তম করা হয়নি।

এ নিয়ে প্রথমে আন্দোলন এবং পরে আদালতে গেলে আদালত ১০তম বেতন গ্রেড করার পক্ষে রায় দেন। এ অবস্থায় প্রধান শিক্ষকদের বেতন গ্রেড ১১তম গ্রেডে রাখা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হবে না। এটা তারা প্রত্যাখ্যান করছেন।

সোনালীনিউজ/এইচএন

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Get it on google play Get it on apple store
Sonali Tissue