মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২০, ৮ মাঘ ১৪২৬

ফিরে দেখা ওয়ান-ইলেভেন

মহিউদ্দিন খান মোহন | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ১১ জানুয়ারি ২০২০, শনিবার ০৩:৩৬ পিএম

ফিরে দেখা ওয়ান-ইলেভেন

ঢাকা : আজ ওয়ান-ইলেভেনের একযুগ পূর্তি। ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি বাংলাদশের গণতান্ত্রিক ধারায় ছন্দপতন ঘটিয়ে যে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছিল, তা এ দেশের মানুষ মেনে নেয়নি। আর তা মেনে নেয়নি বলেই ওই ঘটনার হোতাদের দুই বছরের মাথায় তল্পিতল্পা গুটিয়ে বিদায় নিতে হয়েছিল। ওয়ান-ইলেভেন বাংলাদেশের জন্য আশীর্বাদ হয়ে আসেনি, এসেছিল অভিশাপ হয়েই। বলাই বাহুল্য, সে অভিশাপ নাজেল হয়েছিল আমাদের রাজনৈতিক নেতৃত্বের অদূরদর্শিতা এবং ক্ষুদ্রতর স্বার্থে বৃহত্তর স্বার্থকে বলি দেওয়ার মানসিকতা থেকেই। তাদের অপরিণামদর্শী একগুঁয়েমি অগণতান্ত্রিক শক্তিকে রাষ্ট্রক্ষমতা করতলগত করতে ইন্ধন জুগিয়েছিল। তারা ভুলে গিয়েছিলেন যে, নিজেদের মধ্যে বিবাদ-বিসম্বাদ অশুভ শক্তিকেই ফায়দা লোটার পথ করে দেয়। সেদিন ওয়ান-ইলেভেনকে যারা স্বাগত জানিয়েছিলেন, তারা হয়তোবা ভুলে গিয়েছিলেন- ঝড় উঠলে সবার ঘরেই তা আঘাত হানে।  

ওয়ান-ইলেভেনের ঘটনাবলি খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ আমার হয়েছে। সদ্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সহকারী প্রেস সচিব হিসেবে আমি তখনো তার প্রেস উইংয়ে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছিলাম। আমার দুই সহকর্মী আশিক ইসলাম ও মুশফিকুল ফজল আনসারী জরুরি অবস্থা জারির পর যথাক্রমে আমেরিকা ও লন্ডনে পাড়ি জমান। ফলে ওয়ান-ইলেভেনের পুরো সময়টা আমাকেই বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রেস উইংয়ের দায়িত্ব পালন করতে হয়। এর ফলে সে সময়ে ঘটে যাওয়া নানা বিষয় খুব কাছ থেকে অবলোকন করার সুযোগ আমার হয়েছে। সে সময়ে বিএনপির কতিপয় নেতার কর্মকাণ্ড আমাকে বিস্মিত করেছে।  এক সময় যারা ‘ম্যাডাম’ ‘ম্যাডাম’ করে মুখে ফেনা তুলে ফেলতেন, কী অবলীলায় তার নেত্রীকে ‘মাইনাস’ ফর্মুলায় অগ্রণী ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন! খোলস পাল্টাতে খুব একটা সময় নেননি তারা। তাদের পালের গোদা ছিলেন বিএনপির তৎকালীন মহাসচিব আবদুল মান্নান ভূঁইয়া।  

ওয়ান-ইলেভেনের হোতারা দেশের রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় কাঠামোকে ভেঙে নিজেদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চিন্তা ও চেষ্টা দুটোই করেছিল। তাদের পরিকল্পনা ছিল দেশে একটি রাজনৈতিক শূন্যতা সৃষ্টি করে নিজেদের সে শূন্যস্থানে বসিয়ে নেওয়া। দেশের দুই প্রধান দলের শীর্ষ নেত্রীদ্বয় ছিলেন তাদের প্রধান টার্গেট। যদিও প্রধান উপদেষ্টা ড. ফখরুদ্দীন আহমদের শপথের দিন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বেশ উৎফুল্ল চিত্তেই বলেছিলেন- ‘এ সরকার আমাদের আন্দোলনের ফসল।’ তবে তার ভুল ভাঙতে খুব বেশি সময় লাগেনি। বিএনপির এমপি-মন্ত্রীদের পাশাপাশি আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের একের পর এক গ্রেপ্তারের ঘটনায় তিনি বুঝতে পারেন, ঝড়  শুধু বিএনপির ওপর দিয়েই যাবে না, তাদেরকেও আঘাত করবে। আর তারপরই তিনি ওই বিশেষ ধরনের সরকারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে ওঠেন। চিকিৎসার্থে বিদেশ গমনের পর তিনি যখন দেশে ফেরার উদ্যোগ নেন, তখন তাকে দেশে প্রবেশে যেভাবে বাধা দেওয়া হয়, তা তাকে আরো ক্ষুব্ধ করে তোলে। পরবর্তী সময়ে ‘চাঁদাবাজি’সহ বিভিন্ন মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করে ‘তাদেরই আন্দোলনের ফসল’ ওয়ান-ইলেভেন সরকার। তার গ্রেপ্তারের পরে বিএনপি চেয়ারপরসন বেগম খালেদা জিয়াকেও গ্রেপ্তার করা হয়। তিন দশক ধরে দেশের রাজনীতির দুই ক্ষমতাধর নিয়ন্ত্রককে গ্রেপ্তার করে জরুরি অবস্থার সরকার তাদের শক্তিমত্তার জানান দিতে চেয়েছিল। তবে তারা হয়তো এটা বিস্মৃত হয়েছিল যে, দেশের বিদ্যমান বাস্তবতায় দুই রাজনৈতিক পরাশক্তির বিপরীতে তৃতীয় শক্তি দাঁড়ানো অত্যন্ত কঠিন।   

সেসময় রাজনৈতিক সংস্কার নামে একটি তত্ত্ব অত্যন্ত সুকৌশলে বাজারে ছেড়ে দেওয়া হয়। সরকারের পেছনের মূল নিয়ন্ত্রক সেনাপ্রধান জেনারেল মইন উ আহমেদ নিজেকে দেশের পরবর্তী কর্ণধার ভাবতে থাকেন। বড় দুই দলে ভাঙন ধরিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি এলোমেলো অবস্থা সৃষ্টি করাই ছিল তার উদ্দেশ্য। অনেকটা ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের মতো। সে লক্ষ্যে বিএনপি ও আওয়ামী লীগে সংস্কার নামে যে জিগির তোলা হয়, তার মূল উদ্দেশ্য ছিল দল দুটির শীর্ষ নেতৃত্বকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়া। ওই বছরের ২৫ জুন বিএনপি মহাসচিব (পরে বহিষ্কৃত) আবদুল মান্নান ভূঁইয়া যে ১৫ দফা সংস্কার প্রস্তাব মিডিয়ার সামনে প্রকাশ করেন, তার মূল কথা ছিল চেয়ারপারসনের পদ থেকে বেগম খালেদা জিয়াকে বিদায় করা। আওয়ামী লীগেও তথাকথিত সংস্কারের পাল তোলার চেষ্টা কেউ কেউ করেছিলেন। তবে শেখ হাসিনাকে বিদায় করার কথা কেউ প্রকাশ্যে উচ্চারণ করতে সাহস পাননি। তারপরও যারা ওই ধরনের চিন্তাভাবনা করেছিলেন, পরে তাদের রাজনৈতিক ভাগ্যবিপর্যয় ঘটেছে। চিহ্নিত ‘বিশ্বাসঘাতক’দের শেখ হাসিনা অত্যন্ত সুকৌশলে দলের গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান থেকে সরিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছেন। কিন্তু বিএনপিতে ঘটেছে উল্টোটা। ওই সময় যারা দল ও নেত্রীর বিপক্ষে মালকোচা মেরে নেমেছিল, তারাই পরে গুরুত্বপূর্ণ পদে ফিরে আসতে পেরেছে। আর বঞ্চিত করা হয়েছে দুঃসময়ে দল ও নেত্রীর পক্ষে সাহস নিয়ে রুখে দাঁড়ানো নেতাকর্মীদের।

২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর সেনাসমর্থিত সরকার বেগম খালেদা জিয়াকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের আগে তিনি আবদুল মান্নান ভূঁইয়াকে মহাসচিবের পদ থেকে অব্যাহতি ও দলের প্রাথমিক সদস্য থেকেও বহিষ্কার করেন। আর নতুন মহাসচিব নিযুক্ত করেন স্থায়ী কমিটির সদস্য খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনকে। মহাসচিব পরিবর্তনের খালেদা জিয়ার এ সিদ্ধান্ত যে কতটা সঠিক ও সময়োপযোগী ছিল তা পরবর্তী সময়ে প্রমাণিত হয়েছে। রাজনীতির ওই টালমাটাল সময়ে বিএনপি নামের তরণিটির হাল বেশ শক্তভাবেই ধরে রেখেছিলেন খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন। নানা রকম প্রলোভন এবং ভয়ভীতিকে উপেক্ষা করে তিনি নেত্রীর দেওয়া দায়িত্ব অত্যন্ত বিশ্বস্ততার সঙ্গে পালন করেছিলেন।  

একটি ঘটনা এখানে উল্লেখ করতে চাই। বিএনপির জন্য সবচেয়ে সংকটপূর্ণ দিন ছিল ২০০৭ সালের  ৩১ অক্টোবর। ওইদিন রাতে সাবেক অর্থমন্ত্রীর এম সাইফুর রহমানের বাসায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকের নামে কয়েকজন সিনিয়র নেতার মিটিং করানো হয়। মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনকেও ওই মিটিংয়ে উপস্থিত থাকার জন্য চাপ প্রয়োগ করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি সুকৌশলে গা ঢাকা দিয়ে সে মিটিংয়ে উপস্থিত থাকা থেকে রেহাই পেয়েছিলেন। ওই রাতে সাইফুর রহমানকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এবং মেজর হাফিজউদ্দিন আহমদ (অব.)-কে অস্থায়ী মহাসচিব ঘোষণা করা হয়। এ ঘোষণার পর অনেকেই মনে করেছিলেন বিএনপিতে বোধ হয় খালেদা জিয়া যুগের অবসান হলো। কিন্তু সে সংকট বিএনপি অতিক্রম করতে পেরেছিল। কীভাবে তা সম্ভব হয়েছিল একজন প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে সম্মানিত পাঠকদের জ্ঞাতার্থে তা এখানে তুলে ধরতে চাই। মধ্যরাতে টেলিভিশনে ওই খবর দেখার পর আমি রিজভী আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তিনি তখন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক। এ মুহূর্তে আমাদের কী করণীয় তা জানতে চাই। তিনি বললেন, যে কয়টা সম্ভব টিভি ও পত্রিকায় মহাসচিবের বরাত দিয়ে বলে দিন, স্থায়ী কমিটির নামে অনুষ্ঠিত এ সভা বিএনপির গঠনতন্ত্র পরিপন্থী এবং বিএনপির নেতাকর্মীরা এ সিদ্ধান্ত মানে না। বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনই বহাল আছেন। আমি পাঁচ-ছয়টি টিভিতে পরিচিত সাংবাদিকদের তা বলে দিলাম। এদের মধ্যে চ্যানেল আইয়ের বিশেষ সংবাদদাতা সালেহ শিবলী (বর্তমানে বিদেশে) আমাকে বললেন- ‘মোহনভাই, এ বক্তব্যটি আমি রিজভীর স্বকণ্ঠে প্রচার করতে চাই।’ আমি রিজভীর ফোন নম্বরটি শিবলীকে দিলাম আর রিজভীকে বললাম, সালেহ শিবলী ফোন করলে সে যেন মোবাইল ফোনে একটি বিবৃতি দিয়ে দেয়। এর আধ ঘণ্টার মধ্যেই চ্যানেল আইয়ে রিজভীর স্বকণ্ঠ বিবৃতি সবাই শুনতে পান।  

ওয়ান-ইলেভেনের ঝড়ে বিএনপি-আওয়ামী লীগ দুটি দলই আক্রান্ত হলেও বিএনপিই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আওয়ামী লীগের ঘরে তা ঝাপটা দিলেও তেমন কোনো ক্ষতি করতে পারেনি। এর প্রধান কারণ আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা কৌশলে সংস্কারের চাপ এড়াতে সক্ষম হয়েছিলেন। তারা ‘ধরি মাছ না ছুঁই পানি’ স্টাইলে কথিত সংস্কার নিয়ে কাজ করেন। বিপরীতে বিএনপির একটি বড় অংশ মইন উ আহমেদের প্ররোচনায় বেগম জিয়াকে মাইনাসের খেলায় মেতে ওঠেন। যদিও তাদের সে চেষ্টা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়েছে। সে সময়ে দেশের রাজনীতিতে যেসব ঘটনা ঘটেছে এখানে তার বিস্তারিত উল্লেখ করা সঙ্গত কারণেই সম্ভব নয়। সেসব ঘটনাবলি নিয়ে রচিত আমার বই ‘জরুরি অবস্থা, বিএনপি ও কিছু না বলা কথা’য় তার উল্লেখ আছে।  

ওই সময় ‘কিংস পার্টি’ নামে রাজনীতির এক নতুন প্রজাতির আবির্ভাব ঘটেছিল। সরকারের মদদে যারা নতুন করে রাজনৈতিক দল চালু করার চেষ্টা করেছিলেন, তারা এসব কিংস পার্টির কর্ণধার ছিলেন। নোবেল লরিয়েট ড. মুহম্মদ ইউনূস এবং একসময়ের ডাকসাইটে ছাত্রনেতা ফেরদৌস আহমদ কোরাইশীও ছিলেন এ তালিকায়। কিন্তু তাদের উদ্যোগ একরকম মাঠেই মারা গেছে। অবশ্য ওই প্রক্রিয়ায় জন্ম নেওয়া অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিমের কল্যাণ পার্টি ২০ দলীয় ঐক্যজোটের শরিক হয়ে এখনো বেঁচে থাকার জানান দিচ্ছে।

সেসময় বিএনপির অনেক নেতার কথাবার্তা সবাইকে বিস্মিত করেছে। একসময় যারা নিজেকে বেগম জিয়া বা তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করতেন, তাদেরকেই দেখা গেছে অবলীলায় এই দুই নেতা সম্পর্কে বিষোদ্গার করতে। তাদের কেউ বলেছেন, ‘নেত্রীর কারণে দলের নামে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে,’ কেউ বলেছেন, ‘বিএনপির এমপি হিসেবে পরিচয় দিতে লজ্জা করে।’ আবার কেউ বলেছেন, ‘আমাদের নেত্রী যদি সৎ হতেন তাহলে এ অবস্থা হতো না’ ইত্যাদি। এসব কথা যারা বলেছিলেন, খালেদা জিয়া মুক্তি পাবার পর ভোল পাল্টাতে তারা এক মুহূর্তও দেরি করেননি! এমনকি তারা আবার বেগম জিয়ার প্রিয়পাত্রের তালিকায় নিজেদের অন্তর্ভুক্ত করে নিতেও সক্ষম হয়েছেন! দেখা গেল, যে সাদেক হোসেন খোকা বিএনপি অফিস দখলে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, বেগম জিয়া মুক্তি পাবার পর তিনিই সবার আগে তার বাসায় গিয়ে দেখা করতে সক্ষম হলেন। আজ বারো বছর পরে সেদিনগুলোর দিকে ফিরে তাকালে এমন বহু স্মৃতিই ভেসে ওঠে। সেসময় যারা দল ও নেত্রীর পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন, পরবর্তী সময়ে  তাদের অনেকেরই দলে ঠাঁই হয়নি। রাজনীতির ভেলকিবাজি বুঝি একেই বলে!  

১৯৯১ সালে গণতন্ত্রের যে পথচলা বাংলাদেশে শুরু হয়েছিল, ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি তা বড় রকমের হোঁচট খায়। মুখ থুবড়ে পড়ে যাওয়া সে গণতন্ত্র আজ অবধি মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়াতে পারেনি। ফলে ওয়ান-ইলেভেন নামে খ্যাত দিনটি এ দেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে একটি কালো দিন এবং ওই দুটি বছর কালো অধ্যায় হিসেবেই চিহ্নিত হয়ে থাকবে।   

লেখক : সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক 


*** প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব ভাবনার প্রতিফলন। সোনালীনিউজ-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে লেখকের এই মতামতের অমিল থাকাটা স্বাভাবিক। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য সোনালীনিউজ কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না। এর দায় সম্পূর্ণই লেখকের।