শনিবার, ০৪ এপ্রিল, ২০২০, ২০ চৈত্র ১৪২৬

ফুরফুরে মেজাজে পপি

বিনোদন প্রতিবেদক | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০, মঙ্গলবার ০৯:১৫ পিএম

ফুরফুরে মেজাজে পপি

ঢাকা : ঢালিউডের ব্যতিক্রমী নায়িকা পপি। অভিনয়ের দীর্ঘদিনের পথচলায় নিজের সাফল্য ধরে রেখেছেন। নতুন বছরে অনেকটাই চিন্তামুক্ত এ তারকা। সম্প্রতি পপি তার নতুন ছবির কাজ শেষ করেছেন। যা নিয়ে এ তারকা বেশ উচ্ছ্বসিত।

পপি বলেন, নিজের ভেতর ভীষণ ভালো লাগা কাজ করছে। সাদেক সিদ্দিকী ভাই অনেক কষ্ট করে, শ্রম দিয়ে সিনেমাটি শেষ করেছেন। আমি আশা করছি সিনেমাটি মুক্তি পেলে দর্শকের ভালো লাগবে।

 ‘সাহসী যোদ্ধা’ সিনেমা ছাড়াও নতুন বছরের কাজ এবং কাজের পরিকল্পনা নিয়ে উচ্ছ্বসিত পপি। তিনি বলেন, পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী নতুন বছরকে ভিন্নভাবে সাজিয়েছি। সেই অনুযায়ী কাজও করছি। নতুন বছরে আরো বেশ কিছু নতুন সিনেমাতে কাজ করা হবে। তাছাড়া এ বছর আমার মুক্তি প্রতীক্ষিত সিনেমাগুলোতে আমাকে নতুন আঙ্গিকে দেখতে পাবেন দর্শক।

শিগগিরই শাহীন সুমন পরিচালিত ‘গ্যাংস্টার’ নামে একটি সিনেমাতে অভিনয় করছেন পপি। অভিনয়ের পাশাপাশি সাংগঠনিক কাজেও যুক্ত হয়েছেন পপি। বাংলাদেশ ফিল্ম ক্লাবের সর্বশেষ নির্বাচনে অংশ নিয়ে জয়ী হন তিনি। অভিনয়ের ব্যস্ত সূচির ফাঁকে ফাঁকে এই সংগঠনের কার্যক্রমে যুক্ত থাকার কথাও জানিয়েছেন এ নায়িকা।

এ বছরই শেষ হবার কথা রয়েছে পপির ‘কাঠগড়ায় শরৎচন্দ্র’ ও ‘সেভ লাইফ’ সিনেমার কাজ। এই সিনেমা দুটির কাজ আপাতত স্থগিত থাকলেও ২০২০-এ শেষ হয়ে যাবে বলে পপি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

ফুরফুরে মেজাজে থাকা পপি পুরো বছরটিই সানন্দে কাটাতে চান বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, ২০১৯ বেশ ঝলমলেই কেটেছে। স্টেজ ও চলচ্চিত্রের কাজ নিয়ে ভালোই ব্যস্ত ছিলাম। তবে ২০২০ নিয়ে আমি আরো বেশি আশাবাদী। এ বছর আমার একাধিক ছবি মুক্তি পেতে পারে।

এছাড়া বেশ কিছু কাজ নিয়ে কথাবার্তা চলছে, ফলে এ বছর কাজের মাঝেই ডুবে থাকতে চাই।

তিনি আরো বলেন, আমি টাকার জন্য অভিনয় করি না। যদি তাই করতাম তাহলে এখনো অনেক ছবি নিয়ে আগের মতো ব্যস্ততা থাকত। আজকের এই পপি হতে আমাকে অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে। আমি চাইলে ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হতে পারি। মানহীন কাজ করে ক্যারিয়ার নষ্ট করতে চাই না বলেই অনেক প্রস্তাব আসার পরেও ফিরিয়ে দিই। ভালো-মন্দ বুঝে অভিনয় করতে চাই।

চলচ্চিত্রের বিভিন্ন সংগঠন ও এসব সংগঠনের ভূমিকা নিয়ে পপি বলেন, শুধু সংগঠন নিয়ে ব্যস্ত থাকলেই তো হবে না। চলচ্চিত্র উন্নয়নের জন্য কাজও করতে হবে। অনেকেই আছেন যারা সংগঠন করে শুধু নিজেদের সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেন। আবার অনেকে কাজ খুঁজে বেড়ায়। চলচ্চিত্রে কাজ হওয়া দরকার। কারণ এ শিল্পের সঙ্গে অনেকের রিজিক জড়িত। চলচ্চিত্র নির্মাণ না হলে কাজ তৈরি হবে কীভাবে। তাই চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট সংগঠনের উচিত হবে প্রপার কিছু করা। বহুদিন পর প্রযোজক সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এ সংগঠনের উচিত হবে চলচ্চিত্র নিয়ে প্রপার কিছু করা। কখনো কখনো দেখা যায় প্রযোজক নিজেই নায়ক হন সিনেমার পর্দায়। হুট করে যেমন যে কেউ নায়ক-নায়িকা হচ্ছেন। আবার না জেনেশুনে হঠাৎ করে নির্মাণে হাত দিচ্ছেন। এতে করে চলচ্চিত্রে ভালো কিছু আসছে না। ভালো কিছু করতে গেলে ভালো শিল্পীদের দিয়ে কাজ করাতে হবে। ভালো কিছু না হলে প্রযোজক সমিতির অনুমতি দেওয়া উচিত নয়। দর্শকও চান না মানহীন ছবি।

মানহীন ছবির কারণেই ছবি মুক্তির পরেও দর্শক খরায় ভোগে সিনেমা হলগুলো। নানা অনিয়মের কারণে চলচ্চিত্র আজ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পথে। এ থেকে মুক্ত হতে হবে আমাদের। সবাই মিলে সুন্দর একটা সমাধান বের করার দায়িত্বও আমাদেরই।

সোনালীনিউজ/এমটিআই