শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১৬ ফাল্গুন ১৪২৬

বনভোজনের চাঁদা দিতে না পারায় স্কুলের ২০ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

দিনাজপুর প্রতিনিধি | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, বৃহস্পতিবার ১২:৫৬ পিএম

বনভোজনের চাঁদা দিতে না পারায় স্কুলের ২০ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

দিনাজপুর : দিনাজপুরের পার্বতীপুরে বার্ষিক বনভোজনের চাঁদার টাকা দিতে না পারায় ২০ শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয় ত্যাগের ছাড়পত্র দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এঘটনায় বুধবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী পাঁচ শিক্ষার্থী।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ ফেব্রুয়ারি উপজেলার জমিরহাট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে শিক্ষার্থীদের বনভোজনের আয়োজন করা হয়। এতে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য চাঁদা ধরা হয় ৪’শ টাকা। তবে অভিযোগকারীসহ ২০ শিক্ষার্থী চাঁদার টাকা দিতে না পারায় তাদের প্রত্যেককে বুধবার সকালে বাধ্যতামূলক বিদ্যালয় থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়।

জানা যায়, বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীর মধ্যে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ৬ জন, ৭ম শ্রেণির ৩, ৮ম শ্রেণির ৭ ও  ৯ম শ্রেণীর ৪ জন রয়েছে। এদের মধ্যে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ৬ শিক্ষার্থীর ৫ জনের নাম পাওয়া গেছে। 

তারা হলো- লিটন বাবু, আতিক বাবু, মুনকার নাঈম, রাকিবুল ইসলাম ও রবিউল ইসলাম। এদের সবার বয়স ১২ থেকে ১৩ বছর। বাড়ি উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের জমিরহাট পাইকপাড়া গ্রামে।

লিটন বাবুর মা নুরবানু বেগম, রাকিবুল ইসলামের পিতা- মমিনুল ইসলাম, আতিক বাবুর বাবা মতিয়ার রহমান, মুনকার নাঈমের পিতা সাইদুল হক ও রবিউল ইসলামের পিতা রশিদুল হক বলেন, স্কুলের নির্ধারিত চাঁদার টাকা দিতে না পারায় আমাদের ছেলেরা স্কুলের বনভোজনে অংশ নিতে পারেনি। ফলে তাদের ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। আমরা স্কুলের প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলমের উপযুক্ত বিচার ও তার অপসারণের দাবি করছি। 

এদিকে, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমাদের স্কুলের শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৫’শ। বার্ষিক বনভোজনের জন্য ৪’শ টাকা চাঁদা ধরা হয়। এতে অংশগ্রহণ করে ২৫০জন শিক্ষার্থী। অন্যদিকে, এলাকার কিছু বখাটে ছেলে পৃথকভাবে একটি বাস ও দুটি মাইক্রো নিয়ে আমাদের সাথে একই স্থানে বনভোজনে যায়। তাদের  মধ্যে কেউ কেউ আমাদের স্কুলের ছাত্রীদের উত্যক্ত করে বলে অভিযোগ করেন। তবে ছাড়পত্র দেয়ার কথা স্বীকার করলেও কোন রকম প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি বলে জানান তিনি।

এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহনাজ মিথুন মুন্নি মুঠোফোন জানান, শিক্ষার্থীদের অভিযোগ পেয়েছি, এব্যাপারে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

সোনালীনিউজ/এএস

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Get it on google play Get it on apple store
Sonali Tissue