শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৯, ৩০ অগ্রাহায়ণ ১৪২৬

বাংলাদেশে নতুন প্রাকৃতিক আঁশ

নিউজ ডেস্ক | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ২৮ নভেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার ০৬:৪৫ পিএম

বাংলাদেশে নতুন প্রাকৃতিক আঁশ

ঢাকা : বাঘাচক্কার বিশেষ ধরনের চিরসবুজ পাতা জাতীয় গাছ। ‘মাদার ইন ল’ (শাশুড়ির জীব) snake plant (সাপের মত গাছ), সেন্ট জজ-sword (তরবারি) নানা দেশে নানান নামে ডাকে। আফ্রিকা, ইন্দোনেশিয়া ও ভারতে বন জঙ্গলে দেখা যায়।

অধ্যাপক ডঃ এ বি এম আব্দুল্লাহ প্রাক্তন মহাপরিচালক (বি জে আর আই), মো. সাব্বির হাসান, মো. আহসানুল কবির অয়ন  ও মো. তরিকুল ইসলাম

তবে ইদানিং শহরে- নগরে শোভা বর্ধক হিসাবে ভদ্র সমাজে gardening plant হিসাবে দেখা যায়। মূলত রাত্রিবেলা বিশেষ  ধরনের photosynthesis উপায়ে co2 কে  o2  রুপান্তর করে বায়ুদূষণ দূর করার ক্ষমতা রাখে। তাই ইহার ভদ্র সমাজে গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

যদিও ইহার উৎপাদনে বিশেষ কোন আধুনিক পরিচর্যার প্রয়োজন পড়েনা। যেকোনো পরিবেশে বেড়ে ওঠে। Sansevieria trifasciapa প্রায় ৭০ প্রজাতির গাছ আছে যারা মরু অঞ্চল সহ নাতিশীতোষ্ণ /tropical/subtropical আভাহাওয়ায় সহজে বেড়ে ওঠে। আমাদের ষড়ঋতুর দেশে কোথাই কোথাই বনে/বাদারে দেখা যায়।

বিভিন্ন দেশে এই গাছের পাতা থেকে তন্তু/আঁশ সংগ্রহ করে নানাধরনের সুতা, কাপড় ও গৃহসজ্জার দ্রব্যাদি তৈরি করা হচ্ছে। পরিবেশবান্ধব, সহজে পচনশীল প্রাকৃতিক তন্তুর ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়াতে নতুন নতুন প্রাকৃতিক তন্তু সম্পদ আহরণের গবেষণার প্রতি দেশ বিদেশে বিশেষ প্রচেষ্টা গ্রহণ করছে।

প্রাইম এশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের Dyeing Labrotory তে আমরা উক্ত প্রাকৃতিক তন্তু সংগ্রহ করার একটি সহজ দেশিও পদ্ধতি উদ্ভাবন করতে সক্ষম হয়েছে।

গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার দেওনা গ্রামের ফকির বাড়ির বাগান থেকে উক্ত বাঘাচক্রের গাছ সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে তন্তু বিষয়ক কিছু তত্ত্ব / তথ্য সংগ্রহ করে Chemico-Bio-Mechanical

রেটিং পদ্ধতির মাধ্যমে তুলনামূলক সল্প সময়ের, সল্প খরচে সংগ্রহ করে উক্ত তন্তুর/ আঁশের রাসায়নিক, ভৌতিক ও রঞ্জন/ব্লিচিং বিষয়ে গুনাগুন নিরীক্ষা ও নিরধারন করা হয়েছে।

উক্ত ফলাফল বিশ্লেষণে প্রতীয়মান হয় যে এই তন্তু অনায়েসে টেক্সটাইল ক্ষেত্রে ; ওভেন, নন-ওভেন, কম্পজিট, নিটিং এবং আলফা সেলুলোজ, মাইক্রো ক্রিস্টাল সেলুলোজ, ন্যানো সেলুলোজ, সেলুলোজ ডেরিভেটিভ, পাল্প/পেপার সহ লিগনিন বেইজ দ্রব্যাদি তৈরি করা সম্ভব এমন কি জামদানি ও কাতান শাড়িতেও ব্যবহার করা সম্ভব।

সোনালীনিউজ/এমটিআই