বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ৭ ফাল্গুন ১৪২৬

বিশ্ব ইজতেমার আখেরি মোনাজাতে ইহকাল ও পরকালীন শান্তি কামনা

নিজস্ব প্রতিবেদক | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ১৯ জানুয়ারি ২০২০, রবিবার ০২:১৫ পিএম

বিশ্ব ইজতেমার আখেরি মোনাজাতে ইহকাল ও পরকালীন শান্তি কামনা

ঢাকা : বিশ্বের মুসলমানদের ইহকাল ও পারকালের শান্তি কামনায় টঙ্গীর তুরাগ তীরে ৫৫তম বিশ্ব ইজতেমা আখেরি মোনাজাতের মধ্যদিয়ে শেষ হয়েছে। মোনাজাত পরিচানা করেন দিল্লির তাবলিগ জামাতের মুরব্বি মাওলানা মো. জামশেদ।

রোববার (১৯ জানুয়ারি) বেলা ১১টা ৫০ মিনিট থেকে বেলা ১২টা ৫ মিনিট পর্যন্ত মোনাজাত পরিচানা করা হয়।

আখেরি মোনাজাত প্রচারের জন্য গণযোগাযোগ অধিদপ্তর ও গাজীপুর জেলা তথ্য অফিস বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে। জেলা তথ্য অফিস জানিয়েছে, গণযোগাযোগ অধিদপ্তর ইজতেমা ময়দান থেকে আবদুল্লাহপুর ও বিমানবন্দর রোড পর্যন্ত এবং গাজীপুর জেলা তথ্য অফিস ইজতেমা ময়দান থেকে চেরাগাআলী, টঙ্গী রেলস্টেশন, স্টেশন রোড ও আশপাশের অলিগলিতে পর্যাপ্ত মাইক সংযোগের ব্যবস্থা করেছে।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. আনোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, ইজতেমায় মুসল্লিদের আসা-যাওয়া নির্বিঘ্নে করতে শনিবার দিবাগত ভোর রাত চারটা থেকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীপুর চৌরাস্তায় এবং ঢাকার মহাখালী থেকে বন্ধ করে দেয়া হয়। উত্তরবঙ্গ থেকে আসা গাড়ি গাজীপুর সিটি করপোরেশনের কোনাবাড়ি থেকে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এছাড়া টঙ্গীমুখী সব শাখা সড়ক বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এ ট্রাফিক ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।

পুলিশ কমিশনার বলেন, ইজতেমায় যোগ দেয়া বৃদ্ধ মুসল্লিদের যাতায়াতের জন্য শাটল বাসের ব্যবস্থা রয়েছে। ইজতেমাস্থল থেকে চৌরাস্তামুখী ৩০টি এবং মহাখালীমুখী ৩০টি বাস চলাচল করছে।

টঙ্গীর রেলওয়ে স্টেশনের কর্মকর্তা জানান, আখেরি মোনাজাত উপলক্ষে রেলওয়ে আখাউড়া, কুমিল্লা ও ময়মনসিংহসহ বিভিন্ন রুটে বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করেছে। মোনাজাতের আগে ও পরে সব ট্রেন টঙ্গী স্টেশনে যাত্রাবিরতি করবে। ইজতেমায় আগত যাত্রীদের কথা বিবেচনায় রেখে টঙ্গী রেলওয়ে জংশনে অতিরিক্ত টয়লেট ও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। সকল আন্তঃনগর ট্রেন টঙ্গী স্টেশনে যাত্রা বিরতি করবে। এছাড়া ১৬টি বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা থাকছে।

প্রসঙ্গত, তাবলিগ জামাতে আভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব দেখা দেয়ায় এখন ইজতেমা অনুষ্ঠিত হচ্ছে দুই ভাগে। দিল্লির মাওলানা সাদ কান্ধলভির কিছু বক্তব্য ও দৃষ্টিভঙ্গিকে কেন্দ্র করেই মূলত এই বিভক্তি। মাওলানা সাদের বিরোধীরা প্রথম দফায় ইজতেমা করেছেন। আর দ্বিতীয় দফায় করছেন সাদপন্থীরা।

সোনালীনিউজ/এএস