বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ২ আশ্বিন ১৪২৬

ভারতে ৫৪৩ জনের মধ্যে ২৩৩ এমপিই হত্যা-ধর্ষণ মামলার আসামি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ২৬ মে ২০১৯, রবিবার ০১:৪৪ পিএম

ভারতে ৫৪৩ জনের মধ্যে ২৩৩ এমপিই হত্যা-ধর্ষণ মামলার আসামি

ঢাকা : ভারতের লোকসভায় নির্বাচিত সদস্যদের ৪০ শতাংশের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। এদের মধ্যে একটা অংশ হত্যা ও ধর্ষণ মামলার আসামি।

শনিবার (২৫ মে) অ্যাসোসিয়েশন অব ডেমোক্রেটিক রিফর্মস(এডিআর) নামের একটি সংস্থা জানিয়েছে, ভারতীয় পার্লামেন্টে অপরাধীদের তালিকা ক্রমে বাড়ছে।

দেশটির পার্লামেন্টের বিরোধী দলীয় এক সদস্যের বিরুদ্ধে নরহত্যা ও দস্যুতাসহ ২০৪টি মামলা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার ফল ঘোষণা করা হলে দেখা গেছে, লোকসভার ৫৪৩টি আসনের অন্তত ২৩৩ জন সদস্য ফৌজদারি মামলার আসামি।

এডিআরের নির্বাচন বিষয়ক প্রধান অনিল ভার্মা বলেন, ভারতের পার্লামেন্টে এমন একটা বিরক্তিকর প্রবণতা রয়েছে। গণতন্ত্রের জন্য এটা ক্ষতিকর।

লোকসভায় বিজয়ী ৫৩৯ জনের ওপর জরিপ চালিয়েছে এডিআর। সংস্থাটি বলছে, ২০০৪ সালে তাদের জরিপ শুরু হওয়ার পর ফৌজদারি অপরাধীদের পার্লামেন্ট সদস্য হওয়ার সংখ্যা এটাই সর্বোচ্চ।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিজেপি থেকে জয়ী ৩০৩ প্রার্থীর মধ্যে ১১৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। তাদের মধ্যে একজন সন্ত্রাসবাদের দায়ে অভিযুক্ত।

কংগ্রেস থেকে নির্বাচিত ৫২ এমপির মধ্যে ২৯ জন অপরাধী। কেরালার ইডুক্কি থেকে নির্বাচিত হয়েছেন দীন কুরিয়াকোস। তার বিরুদ্ধে ২০৪টি ফৌজদারি অপরাধের মামলা রয়েছে।

এডিআর বলছে, গত এক দশকে নির্বাচিত পার্লামেন্ট সদস্যদের মধ্যে গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত আসামিদের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে। তাদের মধ্যে ১১ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা, ২০ জনের বিরুদ্ধ হত্যাচেষ্টা ও তিনজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে।

বিজেপির এমপি প্রজ্ঞা ঠাকুরের বিরুদ্ধে মসজিদে হামলা চালিয়ে ছয়জনকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে। যদিও নিজের বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করছেন তিনি।

দলগুলো অনেক সময় তাদের সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে আখ্যায়িত করছে।

সোনালীনিউজ/এমটিআই

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Get it on google play Get it on apple store
Sonali Tissue