রবিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৯, ৩ অগ্রাহায়ণ ১৪২৬

‘ভালোবাসা ফিরে পেতে এসেছি’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ২৫ জুন ২০১৯, মঙ্গলবার ১০:৪০ এএম

‘ভালোবাসা ফিরে পেতে এসেছি’

ঢাকা: মেয়েটির নাম মাফিজা। পিঠে একটি ব্যাগ নিয়ে প্রেমিক জিন্নাত আলির বাড়ির সামনে এসে হাজির হন তিনি। এরপর ব্যাগে করে আনা কাগজ পেতে বাড়ির বাইরে বসে পড়েন। তাঁর দাবি, প্রেমিক জিন্নাত যেন তাঁকে বিয়ে করে।

ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কালীগঞ্জ ব্লকের রাধাকান্তপুরের পূর্বপাড়ায়।

ভারতের গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গেছে, সোমবার সকাল ১০টার দিকে হঠাৎ পিঠে একটি ব্যাগ নিয়ে জিন্নাত আলি নামের এক ব্যক্তির বাড়ির সামনে এসে হাজির হন মাফিজা। এরপর ব্যাগে করে আনা কাগজ পেতে বাড়ির বাইরে বসে পড়েন। যদিও দিনভর দেখা মেলেনি প্রেমিকের। ওই সময় বাড়িতে ছিলেন তার মা। অবস্থা বেগতিক বুঝে বাড়ির দরজায় তালা লাগিয়ে বাইরে চলে যান প্রেমিক।

মেয়েটি তখনও সেখানেই বসে ছিলেন। এরপর পাড়ার লোকজন কৌতুহলী হয়ে বিষয়টি জানতে চাইলে মেয়েটি বলেন, ‘ভালোবাসা ফিরে পেতে এসেছি। ও যতক্ষণ না আমায় বিয়ে করবে, ততক্ষণ আমি এখান থেকে যাব না।’

মাফিজা খাতুন পাশের গ্রাম গোবিন্দপুরের বাসিন্দা।

স্থানীয় সূত্র জানায়, মাফিজার সঙ্গে জিন্নাতের সম্পর্কের কথা এলাকার অনেকেই জানেন। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে কথাবার্তাও হয়েছিল। তারপরও কেন হঠাৎ করে এ রকম ঘটনা ঘটল, তা কারো কাছেই স্পষ্ট নয়। এই ঘটনার পর এলাকায় লোকজনের ভিড় জমতে শুরু করে।

মাফিজা জানান, কলেজে পড়ার সময় জিন্নাতের সঙ্গে তাঁর ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কিন্তু কলেজ শেষ হতেই জিন্নাত সম্পর্ক থেকে সরে যেতে থাকেন।

মাফিজার কথায়, এই সম্পর্কের কথা দুই বাড়ির সবাই জানতেন। দুইজনের বিয়ে হবে, সেটাও ঠিক ছিল। তাঁর অভিযোগ, এই কারণে জিন্নাতের চাকরির জন্য মাফিজার বাড়ি থেকে কয়েক ধাপে প্রায় দেড় লাখ টাকাও দেওয়া হয়।

মাফিজা আরও অভিযোগ করেন, ‘বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আমাকে অনেকবার হোটেলেও নিয়ে গেছে জিন্নাত। কিন্তু হঠাৎ করে কেন সে এই সম্পর্ক থেকে ঘুরে দাঁড়াল, বুঝতে পারছি না।’

বিকেলে ছেলের মা রবিনা বিবি ফিরে এসে মাফিজাকে মারধর করেন বলে তাঁর অভিযোগ। যদিও পুলিশের কাছে তিনি অভিযোগ জানাননি। ব্লক অফিসের লোকজন গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করেন। পুলিশও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তরুণীর দাবি, বিয়ের আশ্বাস না পাওয়া পর্যন্ত তিনি সেখান থেকে সরবেন না। গভীর রাত পর্যন্ত তিনি সেখানেই বসে ছিলেন।

মাফিজার দাদি বলেন, ‘এখন ছেলের বাড়ি থেকে বিয়ে দিতে রাজি হচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে কে ওকে বিয়ে করবে?’ সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

সোনালীনিউজ/এইচএন

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Get it on google play Get it on apple store
Sonali Tissue