শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৯, ৩০ অগ্রাহায়ণ ১৪২৬

‘ভূত’ জয়ার প্রথম দর্শন

বিনোদন প্রতিবেদক | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, সোমবার ০১:০৩ পিএম

‘ভূত’ জয়ার প্রথম দর্শন

ঢাকা : সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে জয়া আহসান লিখেছেন ‘লালমাটি, কালিকাপুর গ্রাম ও ভূত পরীর বনলতা’। সঙ্গে একটা ছবিও দিয়েছেন। ‘ভূত পরী’ চলচ্চিত্রে এভাবেই দেখা যাবে তাকে। বাংলাদেশ আর ভারতের বাংলা ছবির জনপ্রিয় এই তারকার নতুন ছবি ‘ভূত পরী’।

ভারতের সংবাদ প্রতিদিন থেকে জানা গেছে, বোলপুর থেকে ৩২ কিলোমিটার দূরের একটি গ্রাম কালিকাপুর। গ্রামের মধ্যে বিশাল বাড়ি। সাড়ে ৩০০ বছর আগে জমিদার পরমানন্দ রায় বাড়িটি তৈরি করেন। জমিদারবাড়ির সেই জৌলুশ আর নেই। চুন-সুরকি খসে পড়েছে। উঁকি মারছে ইট, কাঠ, পাথর। এই বাড়িতেই ‘ভূত পরী’ ছবির শুটিং হচ্ছে।

জয়া আহসান জানান, এর আগে বোলপুর চার-পাঁচবার এসেছেন। কিন্তু এবারই প্রথম সেখানে তিনি শুটিং করছেন।

‘ভূত পরী’ ছবিতে জয়া আহসান ভূত, আবার পরীও। একটি মেয়ে মারা গেছে ১৯৪৭ সালে। ঘটনা তখনই শেষ। এবার গল্পের শুরু ২০১৯ সালে। একটি শিশু বেড়াতে গেছে মামাবাড়িতে। ছেলেটি প্রতিদিন অদ্ভুত অদ্ভুত স্বপ্ন দেখে। সে সারা বাড়ি ঘুরে বেড়ায়। নানা কিছু নিয়ে তার যত কৌতূহল। ঘুরতে ঘুরতে সে এই বাড়িতে একটি ‘মেয়ে ভূত’ আবিষ্কার করে। সে ভূতকে দেখতে পায়। তাদের আলাপ হয়। এই ভূতের সঙ্গে শিশুটির বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। সে এই ভূতের নাম দেয় ‘ভূত পরী’। শিশুটির সামনে চলে আসে ৭২ বছর আগের ঘটনা।

জানা যায়, মেয়েটির মৃত্যু স্বাভাবিক ছিল না। তাকে হত্যা করা হয়। এরপর সে ভূত হয়ে গেছে। এবার নিজের হত্যাকারীকে শাস্তি দিতে চায় সে। এই শিশুর সাহায্যে সেই হত্যাকারীকে সামনে নিয়ে আসে।

এমনই গল্প নিয়ে সৌকর্য ঘোষাল তৈরি করছেন নতুন ছবি। নাম ‘ভূত পরী’। ছবিতে শিশুর চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিশান্তক মুখোপাধ্যায়। ছবিতে আরো আছেন ঋত্বিক চক্রবর্তী, সুদীপ্তা চক্রবর্তী, শান্তিলাল মুখোপাধ্যায় প্রমুখ। ছবির শুটিং হবে বর্ধমানের একটি গ্রামে। ছবির সিনেমাটোগ্রাফি করছেন আলোক মাইতি এবং সংগীত পরিচালক নবারুণ বসু।

বলা যেতেই পারে জয়া আহসানের দ্বিতীয় বাড়ি এখন কলকাতায়। সেখানে তার আলাদা পরিচয়ও গড়ে উঠেছে এবং সেটা যথেষ্ট সম্মান ও সমীহ করার মতো। এপাড়ের শিল্পীরা সাধারণত ওপাড়ে গিয়ে খুব একটা সুবিধা করতে পারেন না। নানা রকম প্রতিবন্ধকতার শিকার হন। তবে মেধা আর যোগ্যতা যে কোনো বাধায় আটকে থাকে না, টালিগঞ্জের সিনেমায় তার প্রমাণ দিলেন জয়া আহসান।

জয়া এখন কলকাতার সব নামি নির্মাতার সেরা পছন্দের অভিনেত্রী। সমসাময়িক সব নায়িকার ঈর্ষার কারণও তিনি। তবে জয়া বিনয়ী, সংযত এবং ভালোবাসার মানুষ। সবার সঙ্গে মিশছেন হূদ্যতা নিয়েই। তাই অন্য অভিনেত্রীদের সঙ্গে পর্দায় প্রতিযোগিতা থাকলেও বাস্তবে দারুণ সব বন্ধুত্ব সোহিনী, স্বস্তিকা, পায়েলদের সঙ্গে।

অন্য নায়িকারা যখন ভালো আর খারাপ ছবির ফারাক বোঝেননি, এপাড়ের জয়া তখন ছবি নির্বাচনের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সতর্ক ছিলেন। ঠিক সে কারণেই এই মুহূর্তে শহরের অধিকাংশ নামি পরিচালকের পরবর্তী ছবিতে থাকছেন জয়া আহসান।

সোনালীনিউজ/এমটিআই