শুক্রবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৮, ৩০ অগ্রাহায়ণ ১৪২৫

ভোলা-৪ আলমের চমকে উজ্জীবিত বিএনপি

ভোলা প্রতিনিধি | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ০৪ ডিসেম্বর ২০১৮, মঙ্গলবার ০৭:৫৩ পিএম

ভোলা-৪ আলমের চমকে উজ্জীবিত বিএনপি

ভোলা : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সারাদেশে বিএনপি নেতাকর্মীরা গায়েবি মামলায় গ্রেপ্তার হয়রানি হয়েও উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্যই নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। মামলা, গ্রেপ্তার আর হয়রানিতে পিছিয়ে নেই ভোলা-৪ আসনের চরফ্যাশন মনপুরার বিএনপি নেতাকর্মীরা।

সম্প্রতি হাইকোর্ট হতে সাড়ে ৩০০ বিএনপি নেতাকর্মী গায়েবি মামলায় আগাম জামিন নিয়েছেন। গ্রেপ্তার হয়রানির পরেও নেতা কর্মীদের নতুনভাবে উজ্জীবিত করে চমক সৃষ্টি করেছেন এ আসনের তিনবারের নির্বাচিত সাংসদ ও ঢাকসু এজিএস ৯০-এর গণঅভ্যুথানের মহানায়ক মৃত্যুঞ্জয়ী জননেতা আলহাজ্ব নাজিম উদ্দীন আলম।

তিনি মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার উদ্দেশ্য গত ২৭ ডিসেম্বর নিজ নির্বাচনী এলাকায় আসলে লাখো জনতা তাকে বরণ করে নেন। তাকে বরণ করতে চরফ্যাশনের প্রতিটি ইউনিয়ন হতে বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মী ভোর হতেই টিবি স্কুল গেটে জমায়েত হতে থাকে। এক পর্যায়ে তা জনসমুদ্রে রূপ নেয়। লোকে লোকারণ্য হয়ে যায় পুরো চরফ্যাশন পৌর এলাকা।

সকাল ১১টার সময় আলমের গাড়ি বহর চরফ্যাশন এসে পৌঁছলে চতুর্দিক হতে লাখো জনতার আলম ভাই, আলম ভাই স্লোগানে প্রকম্পিত হতে থাকে চরফ্যাশন উপজেলা। এ যেন এক অভূতপুর্ব দৃশ্য, অবিস্মরণীয় মুহূর্ত! লাখো জনতার বাঁধ ভাঙ্গা উচ্ছ্বাস আর নির্মল ভালোবাসার এক অনন্য দৃস্টান্ত দেখল চরফ্যাশনবাসী। নাজিম উদ্দীন আলমকে বরণ করতে লাখো জনতার স্বতঃস্ফুর্ত উপস্থিতি শুধু ভোলাবাসীই প্রত্যক্ষ করেনি, তা চমক সৃস্টি করেছে পুরো দক্ষিণাঞ্চলেই।

বিএনপি নেতা-কর্মীরা জানান আলম ভাই কর্মীবান্ধব নেতা হিসেবে বিগত সময়ে দলীয় নেতা কর্মীদের স্নেহ ভালোবাসা দিয়ে মার্জিত ব্যবহার মাধ্যমে তাদের হৃদয় জয় করেছেন। শত দুঃখ কস্টেও তাদের অভিভাবকের মতো আগলে রেখেছেন। সব সময় খোঁজ-খবর নিয়েছেন। বিএনপির নেতা-কর্মীদের এ বিশাল উপস্থিতিই তার প্রতি নেতা কর্মীদের গভীর ভালোবাসার পরিচয় বহন করে। তার আগমনের দিন জনতার এ বিশাল উপস্থিতি নতুন করে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে আওয়ামী নেতাকর্মীদের মনে।

জ্যাকবের উন্নয়নের কথা বলে নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার যে স্বপ্ন তারা দেখেছিলেন তা সহজ হবে না বলে মনে করছেন নাম প্রকাশ না করার শর্তে অনেক আ. লীগ নেতা কর্মী। সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উন্নয়ন সরকারের একটি চলমান প্রক্রিয়া। স্থানীয় এমপি সরকারি দলে থাকলে এলাকার উন্নয়ন হবে এটা স্বাভাবিক। তবে এবার তারা সরকারের উন্নয়ন দেখে ভোট দেবেন না। দেশের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে দেখে শুনে ভোট দেবেন।

বিরোধী দলীয় নেতা-কর্মীদের ওপর সরকারের দমনপীড়ন, দেশের আর্থিক খাতে লুটপাট, বিগত ৫ জানুয়ারির সংসদ নির্বাচনসহ স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে জনগণের ভোটাধিকার হরণ জনমনে বিরূপ প্রভাব ফেলেছে। জনগণ ভোট দিতে চায়, ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ পেলে জনগণ ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারলে সারা দেশের মতো চরফ্যাশন মনপুরাতেও পরিবর্তন হবে বলে মনে করছেন সাধারণ ভোটাররা।

সোনালীনিউজ/ঢাকা/এইচএআর

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Get it on google play Get it on apple store
Sonali Tissue