মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর, ২০১৯, ৭ কার্তিক ১৪২৬

যুবলীগ নেতা খালেদ ও জি কে শামিমের ব্যাংক হিসাব জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, সোমবার ০৪:৫৮ পিএম

যুবলীগ নেতা খালেদ ও জি কে শামিমের ব্যাংক হিসাব জব্দ

ঢাকা: রাজধানীর ফকিরাপুলের ইয়াংমেনস ক্লাবের অবৈধ ক্যাসিনো অভিযানে আটক যুবলীগের ঢাকা দক্ষিনের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভুইয়াঁ ও জি কে শামিম এবং তার স্ত্রী ও মায়ের ব্যাংক হিসাব জব্দ করেছে এনবিআর।

সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংক এই নির্দেশনা জারি করে।

বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) প্রধান আবু হেনা মোহা. রাজী হাসান এই তথ্য জানান। 

তিনি বলেন, সন্ত্রাসী ও মানি লন্ডারিং বিষয়ে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ এলে বিএফআইইউ তা অনুসন্ধান করে। সম্প্রতি এসব অপরাধে যারা গ্রেফতার হয়েছেন তাদের হিসাবও যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। অনুসন্ধানকালে তাদের হিসাবে টাকা জমা হবে কিন্তু উত্তোলন করতে পারবে না।

সূত্র জানায়, রোববার সকালে জি কে শামীমের হিসাব থেকে টাকা উত্তোলনের জন্য বড় বড় অঙ্কের চেক কয়েকটি ব্যাংকে জমা পড়ে। এরপর ব্যাংকগুলো থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকে যোগাযোগ করে পরামর্শ চাওয়া হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক দুপুরের মধ্যেই এই নির্দেশনা জারি করে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, খালেদ ও জিকে শামীম রিমান্ডের প্রথম দিন নিজেদেরকে সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করার চেষ্টা করেছিলেন। পরবর্তীতে তথ্য প্রমাণ তাদের সামনে উপস্থাপন করা হলে তারা নিজেদের অপরাধ স্বীকার করে নেন।

ঐ দুই নেতা জানিয়েছেন, তাদের অবৈধ কর্মকাণ্ডের পেছনে রয়েছেন প্রভাবশালী নেতারা। তাদের আশ্রয় প্রশ্রয়েই তারা নিজেদের ব্যবসা সম্প্রসারিত করেছেন।

মামলা সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেন, ওরা যাদের নাম বলেছেন, তাদের নাম দেখে তারা নিজেরাই বিস্মিত হয়েছেন। সবার কাছে এসব নেতাদের একটা ক্লিন ইমেজ আছে। অথচ এরাই খালেদ ও শামীমকে পরেক্ষাভাবে সহায়তা করেছেন। বিনিময়ে পেয়েছেন মোটা অংকের টাকা।

ঐ কর্মকর্তা আরো বলেন, রাজধানীতে ক্যাসিনো এবং চাঁদাবাজি যারা নিয়ন্ত্রণ করত, তাদের অনেক নামই গ্রেপ্তারকৃতরা প্রকাশ করেছেন। পর্যায়ক্রমে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হবে।

এর আগে বুধবার অবৈধ অস্ত্র ও ইয়াবা রাখার অপরাধে খালেদকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। এর পরদিন তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক ও মানি লন্ডারিং মামলা করা হয়। এর মধ্যে মাদক ও অস্ত্র মামলায় সাতদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এছাড়া মামলার তদন্তভার দেয়া হয় মহানগর গোয়েন্দাকে (ডিবি)।

সোনালীনিউজ/এমএএইচ