বুধবার, ১৭ জুলাই, ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

যুবলীগ নেতা রাসেল হত্যা নিয়ে ধুম্রজাল!

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ১৫ মে ২০১৯, বুধবার ০৮:০৮ পিএম

যুবলীগ নেতা রাসেল হত্যা নিয়ে ধুম্রজাল!

ময়মনসিংহ: যুবলীগ নেতা রেজাউল করিম রাসেল হত্যার ঘটনা ধামাচাপা দিতে সৃষ্টি হয়েছে ধুম্রজাল। কাঁদা ছোড়াছুড়ির কারণে রাসেল হত্যার মূল আসামিরা পার পেয়ে যাবে বলে গুনজন উঠিয়েছে নগরবাসী। অন্যদিকে জনপ্রিয়তা ধ্বংস করতে একটি কুচক্রী মহল উঠে পড়ে লেগেছে শহর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন আরিফের পেছনে। তবে জনমনে প্রশ্ন রয়ে গেছে এ হত্যার আসল ঘটনা নিয়ে?

জানা যায়, গত ১৪ মে রাতে নগরীর মৃত্যুঞ্জয় স্কুল রোড এলাকার ডিফেন্সপার্টির কার্যালয়ের সামনে ছুড়িকাঘাত ও এলোপাথারী কুপিয়ে হত্যা করা হয় জেলা যুবলীগ সদস্য রেজাউল করিম রাসেল কে। তবে কি কারণে এই হত্যাকান্ড ঘটানো হয়েছে, তা এখনো পরিষ্কার নয়। কিন্তু একটি পক্ষ বলছে, পরকীয়া না হয় সদ্য অনুষ্ঠিত সিটি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকান্ডের ঘটনা হতে পারে।

অন্যদিকে  রাসেল হত্যার ঘটনায় তার বাবা জালাল উদ্দিন বাদি হয়ে কোতয়ালী মডেল থানায় গত ১৪ মে ৪ জনের নাম উল্লেখ ও ৮ থেকে ১০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। তবে এখনো কোন আসামিকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওসি মাহমুদুল হাসান।

এদিকে হত্যাকান্ডের পরেই পুলিশি তদন্ত ছাড়াই একটি কুচক্র মহল শহর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন আরিফের পিছু লেগেছে বলে অভিযোগ করেছেন আরিফের পরিবার। কারণ এর আগেও নগরীতে যুবলীগ নেতা আজাদ ও ছাত্রলীগ নেতা শাওন হত্যার সময় তারা মূল ঘটনাকে আড়াল করতে অন্যের উপরে দোষারোপ করেছেন বলে মন্তব্য স্বজনদের।

ফলে নগরীর চাঞ্চল্যকর এই দুটি হত্যার সুবিচার ও সঠিক তদন্ত দেখতে পাননি নগরবাসী। ঠিক তেমনি জেলা যুবলীগের অন্যতম সদস্য রেজাউল করিম রাসেল হত্যা নিয়ে গত দুই দিন ধরে নগরীর প্রতিটি পাড়া, মহল্লায় চায়ের দোকানে চলছে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। তাকে  ঘিরেই শুরু হয়েছে নতুন করে ধুম্রজাল। তবে হত্যার আসল রহস্য উদ্বঘাট করতে মাঠে নেমেছে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরা।

এলাকাবাসী বলছে, এই নগরীতে রাসেলের কোনো শত্রু নেই। আরিফের সঙ্গে তার রয়েছে আত্মার সম্পর্ক। তাদের প্রতিটি সদস্যদের সঙ্গে যেন তার পারিবারিক বন্ধন। কথায় আছে ‘‍‌‌‍‌‌‌যার সঙ্গে সম্পর্ক ভালো, তার সঙ্গে অভিমানও কম নয়। তাই বলে সেই অভিমান এমনটি গড়িয়ে যায়নি যে, একে অপরকে হত্যা করতে হবে। ঘটনাটি অত্যন্ত দুখঃজনক। এই হত্যা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না নগরবাসী। আরিফের জনপ্রিয়তা যখন তুঙ্গে ঠিক তখনই, হত্যার মূল ঘটনাকে ধামাচাপা দেয়ার লক্ষ্য নিয়ে তার পিছনে লেগেছে একটি চক্র। যা এর আগেও লেগেছিল, এখনও তেমনি তৎপর রয়েছে। প্রকৃত ঘটনা পুলিশের সঠিক তদন্তের মাধ্যমে উঠে আসবে বলে মন্তব্য বিশেষজ্ঞ মহলের। তখন সমালোচনাকারীদের মুখে চুন-কালী পরে আসল রহস্য বের হবে বলেও  অপেক্ষায় আছে নগরবাসী।

সোনালীনিউজ/এমএইচএম

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Get it on google play Get it on apple store
Sonali Tissue