শনিবার, ২০ জুলাই, ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

শিক্ষকের বেত্রাঘাতে হাসপাতালে মাদরাসাছাত্র

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ২২ জুন ২০১৯, শনিবার ০৮:১৩ পিএম

শিক্ষকের বেত্রাঘাতে হাসপাতালে মাদরাসাছাত্র

ছবি সংগৃহীত

ময়মনসিংহ: ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার রাজিবপুর ইউনিয়নের মাইজহাটি শাহগঞ্জ দারুস উলুম কওমী মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে জখম করেছেন হুজুর মো. আল-আমীন। শনিবার (২২ জুন) সকাল ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় সেই ছাত্রকে ঈশ্বরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত শিক্ষক পলাতক।

হাসপাতালের শয্যায় যন্ত্রণায় কাতর নেজামুল জানায়, সে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার রাজিবপুর ইউনিয়নের মাইজহাটি গ্রামের মো. মজিবুর রহমানের পুত্র। স্থানীয় মাইজহাটি শাহগঞ্জ দারুস উলুম কওমী মাদ্রাসায় নাজেরা বিভাগে পড়ালেখা করে। আজ শনিবার সকালে অন্যান্য দিনের মতো সে কোরআন পড়ছিল। এ সময় হুজুর আল-আমীন কাছে এসে জানতে চায় রবিউল নামে তার সহপাঠিকে কেন গালাগাল করেছে। এ সময় সে গালাগাল করেনি বলে উত্তর দিলে হুজুর কিছু না বলেই দুইটি বেত একত্রে করে তাকে দুই হাতে বেদম পিটাতে শুরু করে। এক পর্যায়ে সে হুজুরের পা ধরে আকুতি মিনতি করেও মার থেকে রক্ষা পায়নি। পরে বেত ভেঙ্গে গেলে সে রক্ষা পায়। পরে পরিবারের লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নেয়।

আহত নেজামুলের বাবা মজিবুর রহমান জানান, তাঁর ছেলেকে এতই মেরেছে যে এখন সে সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারে না। পুরো পিট ও শরীরে বিভিন্ন জায়গায় লালছে ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই শরীরে জ্বর সহ ব্যথা এসে যায়। এ অবস্থায় থানায় নিয়ে অভিযোগ দায়েরের পর শিশু নেজামুলকে হাসপাতারে ভর্তি করানো হয়েছে।

এ বিষয়ে মাদরাসার প্রধান তৌফিকুল ইসলাম বলেন, একজন শিক্ষক এভাবে মারতে পারে না। ঘটনার পর থেকে ওই শিক্ষক পালিয়ে গেছে। তাঁকে খোঁজে বের করে বিচারের আওতায় আনা হবে।

ঈশ্বরগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক সজিব ঘোষ বলেন, অভিযুক্ত ওই শিক্ষককে খোঁজা হচ্ছে।

সোনালীনিউজ/ঢাকা/জেডআই