বুধবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৯, ৭ কার্তিক ১৪২৬

শোভন-রাব্বানী পদ হারায় যা বললো বিএনপি

নিজস্ব প্রতিবেদক | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯, রবিবার ০৮:৪৭ পিএম

শোভন-রাব্বানী পদ হারায় যা বললো বিএনপি

ঢাকা: ছাত্রলীগের শীর্ষ দুই নেতৃত্বকে সরিয়ে দেয়ায় প্রমাণ হয় তারা দুর্নীতি করেছে। এটাই প্রমাণ করেছে দেশে কী হারে দুর্নীতি চলছে, চাঁদাবাজি ….। এটাতে শুধু একটা প্রকাশ পেয়েছে যে, এটাতে একটি সংগঠনের প্রেসিডেন্ট, সেক্রেটারি জড়িত, তাদের আওয়ামী লীগের সভাপতি ও দেশের প্রধানমন্ত্রীকে বহিষ্কার করতে হয়েছে। এরকম সারাদেশে অনেক চলছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। 

রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘এটা প্রমাণ করে দুর্নীতি কোন পর্যায়ে চলে গেছে। এটা (বহিষ্কার) হচ্ছে স্বীকৃতি, রিকগনেশন। এটা প্রমাণ হয়ে গেছে যে, তারা দুর্নীতি করছে।’

এই বহিষ্কারকে আপনি কিভাবে দেখছেন প্রশ্ন করা হলে ফখরুল বলেন, এটা প্রমাণ হয়ে গেছে যে, তাদের দল দুর্নীতি করছে এবং সবাই মিলে দুর্নীতি করছে। এটা তো রিকগনেশন অব করাপশন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আইন দিয়ে তো রাজনীতি হয় না। আমি সেদিনও বলেছি, যে এভাবে রাজনীতিকে আদালত দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা...এখানেই আমাদের আপত্তি। এটা নজিরবিহীন ঘটনা যে, একটা রাজনৈতিক দলের রাজনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করতে চাচ্ছে আদালত এবং সেটা সরকারের উদ্যোগে, তারাই করাচ্ছে।”

তিনি আরো বলেন, এটাতে প্রমাণিত হয় যে, এই সরকার গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না, বহুদলীয় গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না, বিরোধী দলে বিশ্বাস করে না। এটাই বাস্তবতা।

এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ বলেন, দেশে দুই আইন চলছে। সরকারি দল হলে একরকমের আইন আবার বিরোধী দল হলে আরেক ধরনের আইন। যেমন- আমরা পরিষ্কার দেখেছি যে, ১/১১ তে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ২১টি মামলা ছিল, একটি মামলাও এখন নাই। কোনোটা বাতিল, কোনোটা চার্জশিট থেকে বাতিল ইত্যাদি। বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর ট্রায়ালও ফেস করতে হয় না।

তিনি আরো বলেন, একই ধরনের মামলায় বিএনপির নেতৃবৃন্দ অভিযুক্ত ছিল, তারা কিন্তু এখনও বিচারের সম্মুখীন হচ্ছেন। আজকে আমাদের নেত্রীকে বিচার করে বানোয়াট মিথ্যা মামলায় সাজা দেয়া হয়েছে। তাকে জামিনও দেয়া হচ্ছে না। বিএনপি হস্তক্ষেপ করতে পারবে না, একটি নিম্ন আদালত রায় দিচ্ছে। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ হস্তক্ষেপ করতে পারছে। এটার সম্বন্ধে বিচারটা কে করবে? যেহেতু সরকার পুরো বিচার ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করছে, সরকার যেভাবে চাচ্ছে সেভাবে হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান ও আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

সোনলীনিউজ/এমএএইচ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Get it on google play Get it on apple store
Sonali Tissue