শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৫ আশ্বিন ১৪২৬

স্পর্শকাতর জায়গায় হাত, কাপড় খোলার চেষ্টা

সাত শিক্ষক কর্মচারীর বিরুদ্ধে প্রধান শিক্ষিকার শ্লীলতাহানির মামলা

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ২৩ মে ২০১৯, বৃহস্পতিবার ০২:৪৫ পিএম

সাত শিক্ষক কর্মচারীর বিরুদ্ধে প্রধান শিক্ষিকার শ্লীলতাহানির মামলা

ঝিনাইদহ: ফেসবুকে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মানহানীকর স্ট্যাটাস দিয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলায় জড়িয়ে পড়া শৈলকুপা পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের সেই প্রধান শিক্ষিকা দিলারা ইয়াসমিন জোয়ারদার ডলি এবার নিজ বিদ্যালয়ের ৭ শিক্ষক কর্মচারীর বিরুদ্ধে শ্লিলতাহানীর অভিযোগে মামলা করে আবারো আলোচনায় এসেছেন।

বুধবার ঝিনাইদহের বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে তিনি এই মামলা করেন, যার নং ১৩১/১৯। আদালত মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য শৈলকুপার এসিল্যান্ডকে দায়িত্ব দিয়েছেন।

মামলার আসামীরা হলেন, শৈলকুপা পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক ফজলুর রহমান, রবিউল ইসলাম, ইমরান খান, লাইব্রেরিয়ান হোসনে আরা পারভিন, পিয়ন সাইদুল ইসলাম, কেরানী আবুল কালাম আজাদ ও চায়না আফরোজ।

বাদী তার অভিযোগে উল্লেখ করেছেন- আসামীরা স্কুল থেকে তাকে তাড়ানোর জন্য নানা ধরণের মিথ্যা অপপ্রচার ও হত্যার হুমকী দিয়ে আসছে। তার স্কুল পড়ুয়া কন্যাদের কোচিং ও স্কুল বন্ধ করে দিয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়- গত ১৬ মে দপ্তরে বসে কাজ করার সময় আসামীরা রুমের ভিতর ঢুকে স্কুল ত্যাগ করতে বলেন। প্রধান শিক্ষিকা দিলারা ইয়াসমিন জোয়ারদার ডলি প্রতিবাদ করলে এক নং আসামী ফজলুর রহমান তাকে ঝাপটিয়ে ধরে শরীরের স্পর্শকাতর জায়গায় হাত দেন ও বেআবরু করে ফেলে।

১ নং আসামীকে প্রতিহত করার চেষ্টা করলে শিক্ষক রবিউল, ইমরান, সাইদুল ও আবুল কালামও তার স্পর্শকাতর জায়গায় হাত দিতে থাকে এবং পরণের কাপড় খোলার চেষ্টা করে।

এ সময় তার চিৎকারে শিক্ষক ইয়াছির আরাফাত ও গোলাম মোস্তফা ছুটে এসে তাকে বেআবরু অবস্থায় দেখতে পায়। গত ১৭ মে এ ঘটনার জন্য শৈলকুপা থানায় মামলা করতে গেলে শৈলকুপা থানা পুলিশ মামলা গ্রহণ করেনি বলেও বাদী দিলারা ইয়াসমিন জোয়ারদার মামলার আরজিতে উল্লেখ করেন। বাদীর পক্ষে অ্যাডভোকেট শারমিন সুলতানা শ্যামলী মামলাটি দায়ের করেন।


সোনালীনিউজ/ঢাকা/আকন

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Get it on google play Get it on apple store
Sonali Tissue