বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১৩ ফাল্গুন ১৪২৬

সিলেটে ওয়াজ নিষিদ্ধে তাৎক্ষণিক যা বললেন আজহারী

ফেনী প্রতিনিধি | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ১৬ জানুয়ারি ২০২০, বৃহস্পতিবার ০৫:১৩ পিএম

সিলেটে ওয়াজ নিষিদ্ধে তাৎক্ষণিক যা বললেন আজহারী

ফেনী : বতমানে আলোচিত ও জনপ্রিয় ইসলামী বক্তা মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারীর সব ওয়াজ মাহফিল নিষিদ্ধ করেছে সিলেট জেলা প্রশাসন। বুধবার (১৫ জানুয়ারি) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এমন সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দেয়া হয়। আগামী ২০ জানুয়ারি সিলেট কানাইঘাটের মুকিগঞ্জ বাজার জামেয়া মাঠে অনুষ্ঠিতব্য তাফসিরুল কোরআন মাহফিলে আজহারীকে প্রধান অতিথি করার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হলে প্রশাসন কানাইঘাটে আজহারীর আগমন স্থগিত করে দেয়। 

এদিকে, সিলেটে ওয়াজ নিষিদ্ধ হওয়ার সিদ্ধান্তের কয়েক ঘণ্টা পর রাতে ফেনীতে বিশাল মাহফিলে বক্তব্য দেন মিজানুর রহমান আজহারী। সেখানে তিনি বক্তব্যের শুরুতেই ওয়াজ নিষিদ্ধকারীদের উদ্দেশে কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা ভালোবাসা দিয়ে বিশ্ব জয় করব। হেরে যাবে ওদের হিংসা আর ষড়যন্ত্র, জিতে যাবে আমাদের ভালোবাসা। আমাদের ভালোবাসাকে হারিয়ে দেয়ার মতো শক্তি পৃথিবীতে নেই। যারা না বুঝে কোরআনের প্রোগ্রাম বাঞ্চাল করতে চায়, তাদের এসে দেখা উচিত জনগণকে ভুলভাল বুঝানোর দিন শেষ। তাওহিদি জনগণ এখন অনেক সচেতন। কোরআনপ্রেমী তাওহিদি জনতা কোরআন আর সুন্নাহ এই দুইটা ছাড়া কিছুই বোঝে না।’

মিজানুর রহমান আজহারী বলেন, ‘কোরআন-সুন্নাহ যেখানে আছে, আমরা আছি সেখানে। ইসলাম আছে যেখানে আমরা আছি সেখানে। এ গণজোয়ার কোরআনের পক্ষের গণজোয়ার। এই গণজোয়ার ইসলামের পক্ষের গণজোয়ার।’

সময়ের আলোচিত এ বক্তা আরও বলেন, ‘গণজোয়ার আটকানো যায় না। বানের পানি যখন ছুটতে শুরু করে, তখন সেটাকে আটকানো যায় না। আটকাতে গেলে পানি শুধু বাড়তে থাকে, ফুলে ফেপে উপরে উঠতে থাকে। এক সময় যারা বাঁধ দিতে আসে তাদেরকেসহ ভেঙে ম্যাসাকার করে দেয়। এজন্য যারা কোরআনের মাহফিলকে বানচাল করতে চায়, তারা বোঝে নাই। না বুঝেই তারা এগুলো করেছে। আমরা তাদের জন্য দোয়া করি। কারণ আমাদের হৃদয়ে তাদের জন্যও ভালোবাসা আছে।’

ড. আজহারী বলেন, ‘আজকে এখানে আসেন, আমাদের সঙ্গে বসেন, দেখেন, আমরা কোরআনের বিপক্ষে কোরআনের বিপক্ষে ইসলামের বিপক্ষে কোনো কথা বলি না। আমাদের এ পবিত্র মঞ্চগুলো থেকে কোরআনের পক্ষে কথা হয়। আমাদের নবীর শানের ব্যাপারে কথা হয়। সুতরাং যেখানে ইসলামের কথা হয়, কোরআনের কথা হয়, বিশ্বনবী (সা.) এর বায়োগ্রাফি নিয়ে কথা হয়, কোনো মমিন ওইরকম কোনো বরকতময় মজলিশ বন্ধ করতে পারে না।’

সোনালীনিউজ/এমএএইচ