বুধবার, ২১ আগস্ট, ২০১৯, ৬ ভাদ্র ১৪২৬

হরিণের মাংস দিয়ে ব্যবসায়ীকে ফাঁসানোর অভিযোগ

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ০৯ জুন ২০১৯, রবিবার ০৯:৪১ পিএম

হরিণের মাংস দিয়ে ব্যবসায়ীকে ফাঁসানোর অভিযোগ

বাগেরহাট: জেলার শরণখোলায় প্রতিপক্ষকে জব্দ করতে হরিণের মাংস দিয়ে এক ব্যবসায়ীকে ফাঁসানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। রোববার (৯ জুন) দুপুরে শরণখোলা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে জনাকীর্ণ এক সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন সুন্দরবন সংলগ্ন দক্ষিণ রাজাপুর এলাকার বাসিন্দা হাবিবুর রহমান শিকদার।

লিখিত বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, একই এলাকার বাসিন্দা ও পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জেন বগী স্টেশনের বনরক্ষী (বিএম) মনিরুজ্জামান সোহাগের সঙ্গে তার ভাই ধান ব্যবসায়ী বাদশা শিকদারের তুচ্ছ একটি বিষয় নিয়ে সম্প্রতি বিরোধের সৃষ্টি হয়। ওই ঘটনার প্রতিশোধ নিতে বাদশাকে ঘায়েল করতে সোহাগ ও সুন্দরবনের শরণখোলা স্টেশন কর্মকর্তা মো. সামছুল হকের যোগসাজসে গত ২৭ মে সন্ধ্যায় একদল বনরক্ষী বাদশাকে তার নিজ বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যায়। পরে ৮ কেজি হরিণের মাংস দিয়ে তাকে শিকারী সাজিয়ে কোর্টে প্রেরণ করে বন বিভাগ।

ঘটনার দিন ৬টার দিকে বাদশা ৩নং রায়েন্দা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান মিলনের সঙ্গে কথা বলে বাড়িতে পৌছায়। কিন্তু বনবিভাগ একই দিন সন্ধ্যায় বাদশাকে পূর্ব সুন্দরবনের ২৪নং কম্পারমেন্টের তেতুল বাড়িয়া এলাকা থেকে হরিণের মাংসসহ আটক করেন বলে বন আইনে দায়েরকৃত মামলার এজাহারে উল্লেখ করেন।

এদিকে ধান ব্যবসায়ী বাদশাকে হরিণ শিকারী সাজানোর ঘটনায় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত জনসাধারণ ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এছাড়া উক্ত ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে বাদশার নিঃশর্ত মুক্তির দাবি করেন।

এ ব্যাপারে বনরক্ষী মনিরুজ্জামান সোহাগ বলেন, বাদশা আটকের ঘটনায় তার কোনো ষড়যন্ত্র নেই। কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তিনি অভিযানে অংশ নিয়েছেন মাত্র। এছাড়া স্টেশন কর্মকর্তা সামছুল হক বলেন, বাদশার সঙ্গে বনবিভাগের কোনো বিরোধ নেই। ঘটনার দিন হরিণের মাংসসহ তাকে সুন্দরবনের তেঁতুল বাড়িয়া এলাকা থেকে আটক করা হয়েছে।

অপরদিকে পূর্ব সুন্দরবনের বন সংরক্ষক মো. জয়নাল আবেদীন জানান, নিরহ কোনো ব্যক্তিকে ফাঁসানোর কাজ বনরক্ষীরা করেন না। এছাড়া  বাদশা নির্দোষ কিনা! তা আদালতে প্রমাণিত হবে।

সোনালীনিউজ/এমএইচএম

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Get it on google play Get it on apple store
Sonali Tissue