শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৯, ২৮ অগ্রাহায়ণ ১৪২৬

১৯৭৯ বিশ্বকাপের আগে কী করেছিলেন ক্যারি পেকার?

ক্রীড়া প্রতিবেদক | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ১৫ মে ২০১৯, বুধবার ০৬:০১ পিএম

১৯৭৯ বিশ্বকাপের আগে কী করেছিলেন ক্যারি পেকার?

ছবি সংগৃহীত

ঢাকা: ১৯৭৯ বিশ্বকাপকে সাদা চোখে দেখলে প্রথম বিশ্বকাপেরই কার্বন কপি মনে হতে পারে। এবারও ইংল্যান্ডে খেলা, আট দলের টূর্নামেন্ট, ছয়টি ভেন্যুতে খেলা, এবারও পৃষ্ঠপোষক প্রুডেন্সিয়াল এবং এবারও ক্লাইভ লয়েডের হাতে বিশ্বকাপ ট্রফি। তাহলে পার্থক্যটা কোথায়? পার্থক্য বুঝতে হলে সেই সময়ের ক্রিকেট রাজনীতিতে ফিরে যেতে হবে।

ক্যারি পেকারের ওয়ার্ল্ড সিরিজ ক্রিকেটের দাপটে তখন বিশ্ব ক্রিকেটের মূল প্রতিষ্ঠানমুখীতা কেঁপে গেছে। সেই সময়ে এই বিশ্বকাপটি ছিল আইসিসির অস্তিত্ব প্রমাণ করার চেষ্টা। ১৯৭৭ সালে অস্ট্রেলিয়ার ব্যবসায়ী ক্যারি পেকারের সঙ্গে আইসিসির প্রবল মতোবিরোধের জের ধরে আয়োজন করেন ওয়ার্ল্ড সিরিজ ক্রিকেট।

আইসিসির নিষেধাজ্ঞার হুমকি ও প্রাতিষ্ঠানিক ক্যারিয়ার শেষ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা নিয়েও তখনকার দিনের এই ‘আইসিএল’-এ যোগ দেন বিশ্বের নামজাদা সব ক্রিকেটার।  আইসিসির সাদা পোশাক ও লাল বলে দিনের আলোয় ‘ম্যাড়মেড়ে’ ওয়ানডের বিপরীতে ক্যারি পেকার সামনে নিয়ে আসনে মোড়ক ভাঙা চকচকে এক ক্রিকেটের প্রদর্শনী। রঙ্গীন পোশাক, সাদা বল (হলুদাভ), ফ্লাড লাইটের আলোয় খেলা, বহু ক্যামেরায় খেলা সম্প্রচার মিলিয়ে ক্যারি পেকার তখন বিশ্ব ক্রিকেটেরই প্রধাণ আকর্ষণ হয়ে দাঁড়ালেন। আজও চ্যানেল নাইনের সেই সময়ের খেলা সম্প্রচারকে তাক লাগানো এক ব্যাপার বলে মনে করা হয়।

এই অবস্থার মধ্যে শুরু হয় আইসিসি ট্রফির ফাইনাল খেলা। শ্রীলঙ্কা ও কানাডার সঙ্গে ছয় টেস্ট খেলুড়ে দেশকে নিয়ে অনুষ্ঠিত হলো দ্বিতীয় বিশ্বকাপ। তাতে খুব একটা রক্ষা হয়নি। পরের দুই বছর ওয়ার্ল্ড সিরিজে আরও অনেক তারকা যোগ দিয়েছেন। এই বিশ্বকাপে মনে রাখার মতো ব্যাপার অবশ্যই ফাইনালে ভিভ রিচার্ডসের দুর্দান্ত সেই সেঞ্চুরি।

সোনালীনিউজ/আরআইবি/জেডআই

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Get it on google play Get it on apple store
Sonali Tissue