মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই, ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

২ জুলাইয়ের মধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ধ্বংস হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ২৪ জুন ২০১৯, সোমবার ০৩:৩৫ পিএম

২ জুলাইয়ের মধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ধ্বংস হবে

ঢাকা : মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ এক মাসের মধ্যে ধ্বংস করতে হাইকোর্ট নির্দেশ দেওয়ার পর তা বাস্তবায়নে রাজি হয়েছে ফার্মেসি এবং ওষুধ কোম্পানিগুলো।

রোববার (২৩ জুন) ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সভাকক্ষে সব স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে আয়োজিত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন ওষুধ শিল্প সমিতি, বাংলাদেশ কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতি, ওষুধ প্রস্তুতকারক কোম্পানি, আমদানিকারক, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধিসহ র্যাবের একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ।

বৈঠক সূত্রে জানা যায়, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ফার্মেসি থেকে সংগ্রহ করে তা নিজস্ব ব্যবস্থায় এবং পরিবেশবান্ধব উপায়ে ধ্বংস করবে ওষুধ প্রস্তুতকারক কোম্পানিগুলো। এ বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনার পর তারা রাজি হয়েছে। এছাড়া আরো জানা যায়, ওষুধ ধ্বংস করার পর ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরকে তা রিপোর্ট আকারে জানাতে হবে। এই সংক্রান্ত একটি চিঠি অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সব স্টেকহোল্ডারকে পাঠানো হবে।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান।

চিঠির বিষয়টি নিশ্চিত করে তিনি বলেন, বৈঠকে সবাই সম্মত হয়েছে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ধ্বংস করার ব্যাপারে। এক্ষেত্রে ফার্মেসি এবং ওষুধ প্রস্তুতকারক কোম্পানি উভয়েই একে অপরকে সহযোগিতা করবে। কাজটি শেষ করে অধিদপ্তরে প্রতিবেদন পাঠাতে বলা হয়েছে।

মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ২ জুলাইয়ের মধ্যে সরানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর বৈঠকে উপস্থিত সব সংস্থার সদস্যদের সঙ্গে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সন্তোষ প্রকাশ করেন।

প্রসঙ্গত, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ধ্বংস করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এ ধরনের ওষুধ বিক্রিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং মজুত ও বিক্রি বন্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গত ১৮ জুন রুলসহ এ আদেশ দেন। নির্দেশনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি জানিয়ে বিবাদীদের ৩০ দিনের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়।

সোনালীনিউজ/এমটিআই