সোমবার, ০৬ এপ্রিল, ২০২০, ২৩ চৈত্র ১৪২৬

৭ মার্চকে ঐতিহাসিক জাতীয় দিবস ঘোষণা করে রায়

নিজস্ব প্রতিবেদক | সোনালীনিউজ ডটকম
আপডেট: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, মঙ্গলবার ০৫:১০ পিএম

৭ মার্চকে ঐতিহাসিক জাতীয় দিবস ঘোষণা করে রায়

ফাইল ছবি

ঢাকা: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের দিনকে জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা করার নির্দেশনা দিয়ে রায় ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। আগামী এক মাসের মধ্যে ৭ মার্চকে ঐতিহাসিক জাতীয় দিবস ঘোষণা করে গেজেট নোটিফিকেশন জারিরও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এ সংক্রান্ত জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে (২৫ ফেব্রুয়ারি) হাইকোর্টের বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। 

প্রত্যেক জেলা-উপজেলায় বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি যথাযথ স্থানে স্থাপনের নির্দেশ দেয়ার পাশাপাশি এক মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়া পাঠ্য বইয়ে ৭ই মার্চের ইতিহাস কেনো অন্তর্ভুক্ত করা হবে না তা জানতে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। এ সংক্রান্ত হাইকোর্টের ২০০৯ সালের আদেশ কেন বাস্তবায়ন করা হয়নি এক মাসের মধ্যে তার লিখিত ব্যাখ্যা দিতে মন্ত্রী পরিষদ সচিবকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। 

আদালতের আদেশের বিষয়টি জানিয়েছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবিএম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার। তিনি বলেন, এ আদেশের ফলে ৭ মার্চকে জাতীয় দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হলো। প্রশাসনের কাজ হবে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে একটি গেজেট নোটিফিকেশন করা, সে গেজেটের মাধ্যমে ভবিষ্যতে ৭ মার্চ রাষ্ট্রীয়ভাবে দিবসটি পালিত হবে।
 
তিনি বলেন, মুজিববর্ষের মধ্যে প্রত্যেকটি জেলা এবং উপজেলায় বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি, ম্যুরাল নির্মাণের জন্য আদালত নির্দেশ দিয়েছেন। জেলা এবং উপজেলা কমপ্লেক্সে রাষ্ট্রীয় খরচে এ ম্যুরালগুলো নির্মাণ করতে হবে। এ কাজের অগ্রগতি ৩০ দিনের মধ্যে জানাতে হবে। এছাড়া প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যপুস্তকে ৭ মার্চের গৌরবোজ্জল ইতিহাস অন্তুর্ভূক্তির জন্য একটি রুল জারি করেছেন।

গেল ২০০৯ সালের আরেকটি রিট মামলার বিষয়ে আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার বলেন, ২০০৯ সালে আরও একটি রিট মামলা ছিলো, সেখানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সাতটি ঐতিহাসিক স্থান চিহ্নিত করে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করার নির্দেশনা ছিলো। ১৯৭১ সালের আগে যে অবস্থায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ছিলো ঠিক সেই আঙ্গিকে নিয়ে যাওয়া এবং ১৬ ডিসেম্বরের পরে যদি কোনো নতুন স্থাপনা হয়ে থাকে যেটা স্বাধীনতার ইতিহাস বা সাতটি স্থানের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয় এগুলো অপসারণের সুর্নিদিষ্ট আদেশ ছিলো। কিন্তু রাষ্ট্রপক্ষ এ আদেশ পালনে নিষ্ক্রিয়তা দেখিয়েছেন। 

তিনি আরো বলেন, আদালত এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এ বিষয়ে সরকার কি ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছেন, কেন এই  নিষ্ক্রিয়তা, রাষ্ট্রের কেন এই ব্যর্থতা তা এক মাসের মধ্যে কেবিনেট সেক্রেটারিকে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।  
 
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে এ বিষয়ে রিট করেছিলেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ড. বশির আহমেদ।

সোনালীনিউজ/এমএএইচ

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

Get it on google play Get it on apple store
Sonali Tissue