ভালো নেই ঈশ্বরদী স্টেশনের লাল কুলিরা

  • আলমাস আলী, ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি | সোনালী নিউজ
  • প্রকাশিত: মে ১৪, ২০২৬, ১১:৫০ এএম
ভালো নেই ঈশ্বরদী স্টেশনের লাল কুলিরা

সবার পরনে লুঙ্গি। গায়ে লাল রঙের হাফ হাতা শার্ট। কাঁধে গামছা। ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশন স্টেশন প্ল্যাটফর্মের ভেতরে ও বাইরে চোখে পড়বে এইসব স্টেশন কুলি। কোথাও একা, আবার কোথাও কয়েকজন একত্রে বসে, আবার খালি হাতে দাঁড়িয়ে আছেন।

উদ্দেশ্য কোনো যাত্রীর সঙ্গে থাকা ব্যাগ, মালামাল  নিয়ে ট্রেন পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়া বা ট্রেন থেকে জিনিসপত্র স্টেশনের বাইরে এনে দেওয়া। বিনিময়ে ৪০ থেকে ৮০ টাকা মজুরি পাওয়া। সবাই তাদের লাল কুলি বা স্টেশন কুলি বলেই ডাকেন। 

এমন দৃশ্য উত্তর দক্ষিণ অঞ্চলের প্রবেশদ্বার হিসেবে খ্যাত ব্রিটিশ আমলে তৈরি শতবর্ষের ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশন স্টেশন কুলিদের নিত্যদিনের দৃশ্য। ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনে ২৪ ঘন্টা পর  দুপুর দুইটায় শিফট বদল হয়। প্রতিটি শিফটে এইসব লাল কুলিদের একজন  সর্দার থাকে। ২৪ ঘন্টার পর শিফট বদলের সময় মোট আয় কর্মরত শ্রমিকদের মধ্যে ভাগ করে  দেওয়া হয়। যে টাকে তাদের ভাষায় ভাগা বলে।

একসময়ের জমজমাট ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনের লাল কুলিদের আয় এখন তলানিতে ঠেকেছে। ফলে ভালো নেই, চরম অমানবিক ও কষ্টের মানবেতর জীবনযাপন করছেন  তারা।ট্রেন ও মালামাল পরিবহনের সংখ্যা কমে যাওয়ায় স্টেশনে প্রায় ৮০-১০৫ জন লাল কুলির কাজ নেই বললেই চলে। ফলে কাজের অভাবে ও বয়সের ভারে এই লাল কুলির সংখ্যা কমতে কমে এখন দুই শিফটে দাঁড়িয়েছে ২৬- ২৭ জনে। তারপরও এখন যে কয়েকজন এই পেশায় আঁকড়ে ধরে রয়েছেন তাদের আয় ২৪ ঘন্টার এক শিফটে ভাগা হয় ২০০ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত। ফলে কাজের আশায় অলস সময় কাটানো এই শ্রমিকরা পরিবার নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন।

এমনি এক দুপুরে  ষাট ঊর্ধ্ব বয়সী স্টেশনের পশ্চিম পাশে ওভারব্রিজের সিঁড়ির পাশে তিনজন সহকর্মী কুলিকে সঙ্গে নিয়ে ট্রেনের ও ট্রেন যাত্রীদের লাগেজের জন্য অপেক্ষা করছেন উপজেলার গোকুলনগরে বাড়ি চলতি শিফটের সর্দার চাঁদ আলীর সাথে

 তিনিসহ স্টেশনের সহকর্মী লালকুলিদের দুরবস্থার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন,২৪ ঘন্টার চলতি শিফটে  কাজ করে আজকে মজুরি পাবেন ৩০০ টাকা । এক সময়ে প্রায় ৩০০ কুলি কাজ কাজ করতেন ঐতিহ্যবাহী বৃহৎ  এ স্টেশনে । এরপর কথা হয় পরবর্তী শিফটের সরদার সাজউদ্দিনের সঙ্গে।

তিনি বলেন, ৩৭ বছর ধরে এই জংশন স্টেশনে কুলির কাজ করছেন তিনি। এর ভিতরে ২৬ বছর তিনি কুলি সমিতির সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন।

এই সর্দার বলেন, তিনি যখন কাজ শুরু করেন তখন ট্রেনের সংখ্যা বেশি ছিল। দুই শিফটে এই স্টেশনে ১০৫ জন কুলি বা লালকুলি কাজ করতেন। স্টেশনে তারপর ট্রেন কমার সাথে কমতে থাকে তাদের আয়। আয় কমতে থাকায় কমে লাল কুলি সংখ্যাও। এসে দাঁড়ায় ৬৫ জনে। তারপর ট্রেন ও কুলিদের আয় আরো কমতে থাকায় ও বয়সের ভারে, চিকিৎসার অভাবে কুলিদের সংখ্যা কমে এখন দাঁড়িয়েছে দুই শিফট মিলে ২৬ থেকে ২৭ জনে।

আগে একসময় ট্রেনের সংখ্যা বেশি থাকায় জনপ্রতি এই লাল কুলিদের  এক শিফটে ভাগা পেতেন ৮ শ, ৯ শ, ১ হাজারও ১২ শত টাকা পর্যন্ত। এখন জনপ্রতি ২৪ ঘন্টার এক শিফটে ভাগা হয় দুই শত থেকে আড়াইশো টাকা। তার দুই ছেলে এক মেয়ে নিয়ে সংসার। এই আয় দিয়ে খাবার জোগাড় করতে পারেন না। কিভাবে ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া চিকিৎসা  করবেন ভেবে পাচ্ছেন না। এই বয়সে অন্য পেশাতেও যেতে পারছেন না। অনেকটা নিরুপায় হয়ে এই পেশা ধরে রেখে মানবেতর  জীবন যাপন করছেন।

এরপর কথা হয় ৪৪ বছর এই জংশন স্টেশনে লালকুলির কাজ করে বর্তমানে অবসরে যাওয়া ফৈমুদ্দিনের সাথে।  তিনি জানান, আজ থেকে ১০-১৫ বছর আগে জিনিসপত্রের দাম কম ছিল। টাকা দাম বেশি ছিল। তারপরও এই স্টেশনে এক শিফটে কাজ করে একজন লাল কুলি মজুরি পেতেন ৮ শত, ৯ শত, ১০০০ টাকা।

বর্তমানে লাল কুলিদের মজুরি কমে যাওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সেই সময়ে এমন কোন জিনিস ছিল না,যা ট্রেনে আসতো না। কাঁচামাল থেকে শুরু করে পাকা মাল সবই ট্রেনে আসতো। এমনকি রড, সিমেন্ট, মুদি দোকানের মালামাল, মাছসহ সমস্ত কিছুই ট্রেনে পরিবহন হতো।

এই প্রতিনিধি ঝরে জমিন ও অনুসন্ধান করে বর্তমান ষ্টেশনগুলি বা লালকুলি বাবু খা ভোলা খাঁ আহমেদ চাঁদ আলী লালন আতাবুল শাহাদুদ্দিন এর সঙ্গে আলাপ করে এবং ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনে কর্মরত স্টেশন কুলি বা লাল কুলি, প্রাক্তন কুলি, স্টেশনে অবস্থিত দোকানদার, প্রাক্তন দোকানদার,স্থানীয়দের, ৩ ও ৪ নম্বর প্লাটফর্মে অবস্থিত বাংলাদেশ ডাক বিভাগের রেলওয়ে মেইল সার্ভিস ( আর এম এস ) এর অবসরপ্রাপ্ত্যকর্মচারী কাজী আশরাফ আলী, এবং ঈশ্বরদী জংশন রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন সুপারেন্টের সঙ্গে কথা বলেছেন।

জানা গেছে, সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো হওয়ার ফলে ট্রেনে মালামাল পরিবহন কমে সড়ক পথে ট্রাকসহ অন্যান্য যানবাহনে মালামাল পরিবহন হতে থাকে। কালের পরিক্রমায় ট্রেনে মালামাল পরিবহন কমতে থাকে। সেই ভাবেই কমে যেতে থাকে এই স্টেশনে কর্মরত লালকুলিদের আয় ও রোজগার। এরপর ট্রেনে মালামাল পরিবহন নির্ভরতা আয় কমতে শুরু করলেও ট্রেনে স্টেশনের প্লাটফরমে নামা যাত্রীদের সঙ্গে আনা মালামাল ও লাগেজ স্টেশনের বাহিরে নিয়ে যাওয়া ও বাহির থেকে আসা যাত্রীদের ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনে থামা ট্রেনে মালামাল ও লাগেজ ট্রেনে উঠিয়ে যাওয়া আয় নির্ভরশীল হয়ে পড়ে স্টেশনে কর্মরত এই সমস্ত স্টেশন লাল কুলিদের।

এভাবে সংসারের আয় উন্নতি না হয়ে আয় কিছুটা কমে গেলেও কর্মরত লাল কুলিরা কোনমতে ডাল ভাতের ব্যবস্থা করতে পারতেন বলে জানান কর্মরত স্টেশন লালকুলিরা। তারা বলেন, ভাগ্যের নির্মম পরিহাস। এরপর তৈরি হয় ঈশ্বরদীর অদুরে বাইপাস স্টেশন। এরপর থেকে শুরু হয় ঈশ্বরদী জংশন স্টেশন দিয়ে চলাচলকারী আন্তঃনগর এক্সপ্রেস ট্রেন মুল স্টেশন দিয়ে চলাচল না করে ঈশ্বরদী বাইপাস স্টেশন হয়ে ঢাকা থেকে চলাচলকারী আন্তঃনগর এক্সপ্রেস ট্রেন রাজশাহী অভিমুখী এবং রাজশাহী থেকে ঢাকা গামী আন্তঃনগর এক্সপ্রেস ট্রেন ঈশ্বরদী বাইপাস হয়ে ঢাকা চলাচল করে। বন্ধ হয়ে যায় ঈশ্বরদী জংশন স্টেশন হয়ে চলাচলকারী লোকাল ট্রেনগুলো।

এই স্টেশন হয়ে চলাচলকারী৫১১ নম্বর গোয়ালন্দ থেকে ঈশ্বরদী স্টেশন হয়ে পার্বতীপুরগামী লোকাল ট্রেন ও  ৫১২ নম্বর পার্বতীপুর থেকে ঈশ্বরদী স্টেশন হয়ে গোয়ালন্দগামী লোকাল ট্রেন ডাউন, আর আই -২ ডাউন ঈশ্বরদী থেকে রহনপুরগামী ট্রেন বন্ধ হয়ে যায়। এইসব ট্রেন থেকে ঈশ্বরদী স্টেশন লালকুলিদের যে আয় হতো তা বন্ধ হয়ে পড়ে। পদ্মা সেতু তৈরির পর মূল স্টেশন হয়ে চলাচলকারি মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেন পদ্মা সেতু হয়ে ঢাকায় চলাচল করে।

মালমাল ট্রেনে পরিবহন কমে যাওয়ার পর যাত্রীবাহী ট্রেনও এই রুট জংশন স্টেশন পরিবর্তন করে ঈশ্বরদী বাইপাস স্টেশন হয়ে চলাচল করায় যাত্রীদের লাগেজ,ব্যাগ স্টেশনের বাইরে বা বাইরে থেকে ট্রেনে উঠিয়ে পরিবহন করে স্টেশন কুলিদের যে আয় টুকু হতো সেটুকু বন্ধ হতে থাকে।

তারা বলেছন, ‘ইনকাম কমে গেছে। লোকজন যা আসে নিজেগো মালামাল নিজেরাই নিয়ে যায়। আমাগোরে টাকা দিতে চায় না। দিলেও ৪০-৫০ টাকা দিবার চায়। বৌ, পোলা-পান নিয়ে চলাই কষ্ট।’

স্থানীয় বাসিন্দা গত পৌর নির্বাচনে ২ নম্বর ওয়ার্ড থেকে কমিশনার পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা কারী আরিফুজ্জামান সৃজন বলেন, যে ট্রেনগুলো জংশন স্টেশন রুটে চলাচল না করে রূপ পরিবর্তন হয়েছে সেই দিনগুলো আবার ফিরিয়ে আনা জরুরী। এই স্টেশন হয়ে পার্শ্ববর্তী লালপুর,বাঘা এলাকার লোকজন চলাচল করতো। রূট পরিবর্তন হাওয়ায় তারা স্টেশনে না আসায় আয় কমে গেছে। ট্রেনগুলো আবার ফিরিয়ে আনতে পারলেই স্টেশনের লাল কুলি, হকার,দোকানদারদের আয় বাড়বে।

দেশ স্বাধীন হওয়ার দশ বছর আগে থেকেই ৩ ও ৪ নম্বর প্লাটফর্মে পিতার সাথে দোকানদারি করতেন মো:  জাকিরুল মাওলা নামে এক দোকানদার। তিনি বলেন, ঈশ্বরদী জংশন স্টেশন ব্রিটিশ আমলের। সেই সময়ে আমার পিতার দোকানের সাথে মিষ্টির ডালা ছিল,টলি ছিল। জমজমাট ব্যবসা হতো। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর এরশাদ সরকারের আমল পর্যন্ত আমাদের ব্যবসা ভালো ছিল। এরপর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ট্রেনগুলো বাইপাসে নিয়ে যাওয়া শুরু হলে যাত্রী সংকটে কুলি দোকানদার আয় কমে যায়।

আয় কমে তলানিতে ঠেকেছে। স্টেশনের দোকানদার ও স্থানীয়রা বলছেন,বর্তমানে স্টেশনের লাল কুলিদের দুরবস্থা খুবই উদ্বেগের বিষয়। আগের আয়ও না থাকায় বর্তমানে তারা পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। ঈশ্বরদী জংশন স্টেশন  আগে যেখানে ৬০০ টাকা থেকে ১০০০ টাকা আয় হতো, এখন তা কমে ২৫০ টাকা ৩০০ টাকার নিচে নেমে এসেছে। নিত্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধির সাথে আয় না বাড়ায় সংসার চালানো দায় হয়ে পড়েছে। স্টেশনে যাত্রী ও মালামাল পরিবহনের সুযোগ কমে যাওয়ায় অধিকাংশ কুলিই কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন। অধিকাংশ কুলির পোশাক ছিঁড়ে গেছে এবং অভাবের কারণে পুষ্টিকর খাবার জোগাড় করাও অসম্ভব হয়ে পড়েছে। চিকিৎসা করতে পারছেন না। অসুস্থ হলে কুলি সমিতি থাকেও কোন সাহায্য পান না।

ব্রিটিশ আমলের এই ঐতিহ্যবাহী স্টেশনে কর্মরত লাল পোশাকধারী কুলিরা, যাদের “লাল কুলি” বলা হয়, তারা দিন দিন হতদরিদ্র হয়ে পড়ছেন। 

 বুধবার ( ১৩ মে ) দুপুরে ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশন স্টেশন চত্বরে প্রবেশ করতেই দেখা মিললো এসব মানুষের। সবাই চেষ্টা করছেন প্রাইভেটকার, সিএনজি চালিত রিকশায় আসা যাত্রীদের জিনিসপত্র নিজের  মাথায় তুলে ট্রেন পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার। কিন্তু তেমন মিলছে না লাগেজ বা মালামাল।

এদিকে, ঈদ কেন্দ্র করে স্টেশন এলাকায় বাড়ে   যাত্রী ভিড়। এসময় কুলিদের আয়ও ভালো হওয়ার কথা। কিন্তু ভিন্ন কথা বলছেন তারা। তারা বলছেন, ‘আগের মতো আয় নেই। যাত্রীদের বেশিরভাগই নিজেদের জিনিসপত্র নিজেরাই প্ল্যাটফর্মে নিয়ে যাচ্ছেন। যারা কুলির সহায়তা নেন তারাও বেশি টাকা দিতে চান না।’

দীর্ঘদিন কুলির কাজ করা এসব শ্রমিক বলছেন, ‘অনেকটা বাধ্য হয়েই তারা এ কাজ করেন। কেননা দীর্ঘদিন ধরে এ পেশায় থাকায় তারা আর পেশা পরিবর্তন করতে পারছেন না। আবার অনেকের বয়স বেশি হওয়ায় নতুন কোনো কাজও করতে পারেন না। সারাদিন কাজ করে যা আয় হয় তাতে সংসার চালানোই কষ্টকর।’

ঈশ্বরদী রেলওয়ে স্টেশনে কুলির কাজ করেন এইসব লাল কুলি বেশ আক্ষেপ নিয়ে তিনি  বলেন, ‘গরিব মানুষ আমরা। কিছু কইরা তো খাইতে হইবো। সারাদিন খাইটা চারশত থেকে পাঁচশ টাকা ইনকাম করি। কোনো দিন সেটাও হয় না।  সংসার চালাইতেই জীবন যায়।’

ঈশ্বরদী রেলওয়ে ষ্টেশন সুপারিনটেনডেন্ট ( ভারপ্রাপ্ত ) মো: মনিরুজ্জামান বলেন, ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশন স্টেশনে স্টেশন কুলিদের আয় কমে যাওয়ার এক মাত্র কারণ আমি যেটা মনে করি বিগত সময়ে ঈশ্বরদীতে যে সমস্ত ট্রেনগুলো আসতো এসে ঢাকা সহ বিভিন্ন রুটে যেত এই সমস্ত ট্রেনগুলোর কিছু রুট চেঞ্জ করায় যেমন সুন্দরবন, বেনাপোল,  মৈত্রী এক্সপ্রেস, সিল্কসিটি, পদ্মা এক্সপ্রেস রুট চেঞ্জ করে চলাচল করায় কুলিদের আয় কমা বা তলানিতে যেটাই বলেন সেটা হয়েছে। ভবিষ্যতে যদি নতুন কোন ট্রেন ঈশ্বরদী হয়ে চলাচল করে যেমন পাবনা এক্সপ্রেস ঈশ্বরদী মূল জংশন স্টেশন হয়ে চলাচল করে তাহলে কুলিদের আয় বাড়তে পারে।

এম

Link copied!