মন্ত্রিসভায় ৩ গুরুত্বপূর্ণ আইন অনুমোদন

  • নিজস্ব প্রতিবেদক | সোনালী নিউজ
  • প্রকাশিত: আগস্ট ১০, ২০২৬, ০৯:৩৪ পিএম
মন্ত্রিসভায় ৩ গুরুত্বপূর্ণ আইন অনুমোদন

সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ১৬তম বৈঠকে ৩টি গুরুত্বপূর্ণ খসড়া আইন ও নীতিমালার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়েছে। অনুমোদন পাওয়া খসড়াগুলোর মধ্যে রয়েছে—‘ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) আইন, ২০২৬’, সুশৃঙ্খল অভিবাসন ও কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষায় নতুন ‘ভিসা নীতিমালা-২০২৬’ এবং ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬’।

সোমবার (১০ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব প্রস্তাব অনুমোদনের তথ্য জানানো হয়।

তফসিলি ব্যাংকগুলোর মূলধন ঘাটতি, তারল্য সংকট ও দেউলিয়াত্ব এড়াতে এবং আমানতকারীদের স্বার্থ সুরক্ষায় এর আগে ‘ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর পর্যালোচনার পর ‘ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬’ পাস করা হয়েছিল। সেই আইনের ১৮ক ধারার সকল শর্ত পরিপালন করে কোনও ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আবেদন না করায় ধারাটি বিলুপ্তির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং-সাপেক্ষে ‘ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

এ ছাড়াও দেশে বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) বৃদ্ধি, পর্যটন খাতকে উৎসাহিত করা, আন্তর্জাতিক ভ্রমণ সহজীকরণ এবং দক্ষ মানবসম্পদ আকর্ষণের লক্ষ্যে অনুমোদিত হয়েছে ‘ভিসা নীতিমালা-২০২৬’। ২০০৬ সালের নীতিমালায় থাকা ৩৩টি ভিসার ক্যাটাগরি বাড়িয়ে নতুন নীতিমালায় ৩৪টি করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর এবং বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশ মিশনগুলোর সমন্বয়ে আধুনিক ও নিরাপদ এই ভিসা ফ্রেমওয়ার্ক বাস্তবায়িত হবে।

মানবাধিকার সংরক্ষণ ও জাতিসংঘের গুম ও নির্যাতনবিরোধী সনদ পরিপালনের ধারাবাহিকতায় ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬’-এর খসড়া অনুমোদন পেয়েছে। নতুন এই আইনে একজন চেয়ারপারসন ও চারজন কমিশনারের সমন্বয়ে গঠিত কমিশনে অন্তত একজন নারী সদস্য রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পাশাপাশি বাছাই কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, নাগরিক প্রতিনিধি ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্তির সুযোগ রাখা হয়েছে। এছাড়া হেফাজতে নির্যাতন বা গুম প্রতিরোধে একটি ‘জাতীয় প্রতিরোধ ব্যবস্থা’ ইউনিট গঠনেরও বিধান যুক্ত করা হয়েছে।

এম

Link copied!