ছবি: সংগৃহীত
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নে ১৮০ দিনের মধ্যে একটি স্বাধীন ও কার্যকর সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের দাবি জানিয়েছে দেশের সচেতন নাগরিক সমাজ।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) এক যৌথ বিবৃতিতে তারা সরকারের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও সংস্কারে অনীহা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। জাস্টিস অ্যান্ড ডেমোক্রেসি পার্টির (জেডিপি) আহ্বায়ক নাঈম আহমাদ উদ্বেগের বিষয়টি বার্তা প্রেরক হিসেবে নাগরিকদের পক্ষে গণমাধ্যমে তুলে ধরেন।
বিবেচ্য বিবৃতিতে বলা হয়, সদ্য সমাপ্ত গণভোটে বৈধ ভোটের শতকরা ৬৮ দশমিক ৫৯ ভাগ ভোটার রাষ্ট্র সংস্কারের পক্ষে মত দিয়েছেন, যা জনগণের রাজনৈতিক সদিচ্ছার স্পষ্ট বার্তা। জুলাই সনদে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সময়সীমার মধ্যে এই পরিবর্তন নিশ্চিত করা সরকারের গণতান্ত্রিক দায়িত্ব। সরকার ও বিরোধী দলগুলোর পরস্পরবিরোধী অবস্থানের সমালোচনা করে নাগরিক সমাজ মনে করে, দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জনগণের রায়কে প্রাধান্য দেওয়া এখন সময়ের প্রধান দাবি।
বিবৃতিতে মূলত তিনটি সুনির্দিষ্ট দাবি উত্থাপন করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে নির্ধারিত ১৮০ দিনের মধ্যে প্রতিনিধিত্বশীল সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন, গণভোটের রায় পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন এবং একটি ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক কল্যাণরাষ্ট্র গঠনে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার গতি বাড়ানো।
এই যৌথ বিবৃতিতে কবি, সাংবাদিক, শিক্ষক, আইনজীবী, গবেষক ও রাজনৈতিক কর্মীসহ বিভিন্ন পেশার প্রতিনিধিরা সই করেছেন। স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক, কবি ও দার্শনিক মুসা আল হাফিজ, আইনজীবী ব্যারিস্টার মুস্তফা শাকেরুল্লাহ, লেখক ও গবেষক জাকারিয়া পলাশ এবং বিশিষ্ট অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টরা। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অর্জন রক্ষায় দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ থাকারও আহ্বান জানান বিবৃতিদাতারা।
এসএইচ