জুমার দিনের ফজিলত সম্পর্কে ৫টি হাদিস

  • ধর্মচিন্তা ডেস্ক | সোনালী নিউজ
  • প্রকাশিত: এপ্রিল ৩, ২০২৬, ০৮:৫৩ এএম
জুমার দিনের ফজিলত সম্পর্কে ৫টি হাদিস

জুমার দিন বা জুমাবার বা শুক্রবার সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন। ইসলামে এ দিনটির মর্যাদা ও তাৎপর্য অনেক।
উল্লেখ্য, বিশেষ ফজিলতের কারণে জুমার দিনকে সাপ্তাহিক ঈদের দিন এবং সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন বলা হয়ে থাকে।

জুমার দিনের ফজিলত সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য হাদিস গ্রন্থগুলোতে একাধিক হাদিস বর্ণিত হয়েছে।

যেমন-
১. বিশ্বনবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, নিঃসন্দেহে জুমার দিন সেরা দিন ও আল্লাহর কাছে সর্বোত্তম দিন। আল্লাহর কাছে তা ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার দিনের চেয়েও উত্তম। (ইবনে মাজাহ)

২. অন্য হাদিসে আছে, যেসব দিনে সূর্য উদিত হয়েছে এরমধ্যে সর্বোত্তম হলো জুমার দিন। জুমার দিনকে মুসলমানদের সাপ্তাহিক ঈদের দিন হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।

৩. জুমার ফজিলত সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, এক জুমা থেকে অপর জুমা উভয়ের মাঝে (গুনাহের জন্য) কাফফারা হয়ে যায়, যদি কবিরা গুনাহের সঙ্গে সম্পৃক্ত না হয়ে থাকে। (মুসলিম)

৪. জুমার দিন সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, মনে রাখবে সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন পবিত্র জুমাবার। জুমার নামাজ আদায়ে রয়েছে অশেষ কল্যাণ।

৫. জুমার নামাজ সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (সা.) আরো বলেছেন, যে ব্যক্তি বিনা কারণে ৩ জুমার নামাজে যাওয়ায় অবহেলা করে সে যেন ইসলামকে অবজ্ঞা করল এবং তার হৃদয়ে মরিচা পড়ে যায়।

জুমার দিনে মুসলমান ধনী-দরিদ্র, উচু-নীচু, ছোট-বড় সবাই একই কাতারে দাঁড়িয়ে জুমার নামাজ আদায় করে। কেন না মহান আল্লাহ তাআলা জুমার নামাজ আমাদের ওপর অপরিহার্য করেছেন।

সুতরাং জুমার নামাজ মুসলিম উম্মাহর জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ ফরজ ইবাদাত। আর জুমার দিনের মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য অন্যান্য দিনের চেয়ে অনেকগুণ বেশি।

এম

Link copied!