• ঢাকা
  • বুধবার, ০৪ আগস্ট, ২০২১, ২০ শ্রাবণ ১৪২৮
abc constructions

স্বপ্নের ঘর পাবে আরো ৫০ ভূমিহীন পরিবার


আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি জুন ১৯, ২০২১, ০৩:১০ পিএম
স্বপ্নের ঘর পাবে আরো ৫০ ভূমিহীন পরিবার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া : মুজিববর্ষ উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় দ্বিতীয় ধাপে আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের আওতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে বাড়ি পাচ্ছে আরো ৫০ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার। দ্রুতগতিতে চলছে শেষ মুহুর্তের ওইসব ঘরের কাজ। এখন শুধু অপেক্ষ ঘরে উঠা। এ যেন এক নতুন স্বপ্ন। আর এই স্বপ্নের নতুন ঘরে জীবন শুরু করতে উপকারভোগীরা যেন অধির আগ্রহ নিয়ে বসে আছেন।

আশ্রয়নের অধিকার ,শেখ হাসিনার উপহার’ এই শ্লোগান নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের আওতায় যাদের জমি নেই ঘর নেই তাদের পুনর্বাসনের জন্য সরকারি খাস জমিতে এসব ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। এরমধ্যে চরনারায়পুর ১৪ টি, কেন্দুয়াই ৭টি, চানপুরে ১৫টি ও ধরখারের রুটি গ্রামে ১৪টি ঘর উপকারভোগীরা পেতে যাচ্ছে। তবে উপকারভোগীদের মধ্যে রয়েছেন প্রতিবন্ধী, ভিক্ষুক, রিকশাচালক, দিনমজুর, বিধবা, কাজের মহিলাসহ গৃহহীন পরিবার।

এর আগে এ প্রকল্পের আওতায় প্রথম ধাপে উপজেলার চরনারায়নপুর গ্রামে ৪৫টি ভূমিহীন পরিবার উপহার পেয়েছেন।

এদিকে রোববার প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও কনফারেন্সে মাধ্যমে উপকারভোগীদের মাঝে এসব ঘরের চাবি ও জমির দলিল হস্তান্তর করবেন। ঘরগুলো হাতে পেতে আর মাত্র এক দিন সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে তাদের। এই অপেক্ষা যেন অধীর আগ্রহে কাটাচ্ছেন ভূমিহীন অসহায় পরিবারের লোকজন। তাদের স্বপ্ন ভরা দুচোখে শুধু ভেসে উঠছে রঙ্গীন স্বপ্ন। যে লোকগুলো এতদিন পথে ঘাটে, ভাঙ্গাচুরা ঘরে কষ্ট করে থাকতো এখন যেন দু:খের দিন শেষ হতে চলেছে।

সূত্রে জানা যায়, উপকারভোগীরা পাবেন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দুই শতাংশ জমির মালিকানা। সেই সঙ্গে দুই কক্ষবিশিষ্ট নির্দিষ্ট ডিজাইন ও সুদৃশ্য রঙিন টিনশেডের দুর্যোগ সহনীয় বাড়ি। এতে থাকছে বারান্দা, রান্নাঘর, সংযুক্ত টয়লেটসহ অন্যান্য সুবিধা।
সরকারি খাস জমিতে নির্মিত প্রতিটি ঘরে ব্যয় হয়েছে ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা। সবগুলো ঘর একই নকশায় হচ্ছে। জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন ,জনপ্রতিনিধি এসব কাজের তদারকি করছে।

উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অসহায় পরিবারের জন্য উপহার স্বরূপ এসব স্বপ্ননীড় তৈরি করে দিচ্ছেন। সরকারের এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন এবং কোনো মানুষ যেন গৃহহীন না থাকেন। তিনি আরো বলেন দ্বিতীয় ধাপে এই উপজেলায় ৫০টি ঘর ভূমিহীনদের দেওয়া হবে। পর্যায়ক্রমে এ উপজেলার সব ভূমি ও গৃহহীনদের এ কর্মসুচির আওতায় আনা হবে।

সোনালীনিউজ/এমটিআই

 

Haque Milk Chocolate Digestive Biscuit
Dutch Bangla Bank Agent Banking
Wordbridge School