• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ০৭ জুলাই, ২০২২, ২৩ আষাঢ় ১৪২৯

ত্রাণ সহায়তা নিয়ে আবার ফেরত দিল এলাকাবাসী


বান্দরবান প্রতিনিধি: মে ৮, ২০২২, ০৯:৩৬ পিএম
ত্রাণ সহায়তা নিয়ে আবার ফেরত দিল এলাকাবাসী

সংগৃহীত ছবি

বান্দরবান: প্রশাসনের দেওয়া ত্রাণ সহায়তা ফেরত দিলেন বান্দরবানের লামা উপজেলার সরই ইউনিয়নের রেং ইয়ান পাড়ার বাসিন্দারা। ‘লামা রাবার ইন্ডাস্ট্রিজ কোম্পানি’র এক কর্মীকে সেখানে দেখার পর তারা ওই ত্রাণ ফিরিয়ে দেন।

তারা মনে করছেন, ওই রাবার ইন্ডাস্ট্রিজের টাকায় এসব ত্রাণ দেওয়া হচ্ছে। রোববার (৮ মে) সকাল ১১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।   

জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে ‘লামা রাবার ইন্ডাস্ট্রিজ কোম্পানি’র লোকজন ৩০০ একর জুম ক্ষেত পুড়িয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ ওই পাড়ার বাসিন্দাদের।  

সরই ইউনিয়ন থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত রেং ইয়ান পাড়ায় খাদ্য ও পানির তীব্র সংকট, এমন সংবাদে লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাদের কাছে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেন। 

প্রথমে তারা সহায়তা গ্রহণ করে নিজ নিজ বাসায় নিয়ে গেলেও পরে লামা রাবার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের পক্ষ থেকে এই ত্রাণ দেওয়া হয়েছে সন্দেহ করে তা ফেরত দিয়ে দেন।

লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মোস্তফা জাবেদ কায়সার সাংবাদিকদের বলেন, বান্দরবান জেলা প্রশাসকের নির্দেশে সকালে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পাড়ায় ত্রাণ নিয়ে গেলে পাড়ার বাসিন্দারা প্রথমে ত্রাণ গ্রহণ করেন, পরে সেখানে রাবার কোম্পানির কর্মীদের উপস্থিতির অভিযোগে সেই ত্রাণ আমাদের ফিরিয়ে দেয়। আমরা ৩৬ পরিবারের জন্য চাল, মসুর ডাল, মুড়ি, চিড়া, লবণ এবং পানি নিয়ে গিয়েছিলাম।  

এদিকে ত্রাণ বিতরণের সময় ঘটনাস্থলে লামা রাবার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের এক কর্মীকে পাড়াবাসী দেখতে পেয়ে তাকে ধাওয়া করে। পরে ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশের দুই সদস্য, সরই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পাড়াবাসীদের বুঝিয়ে শান্ত করেন।

সরই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইদ্রিছ বলেন, আমরা ত্রাণ দেওয়ার জন্য ক্ষতিগ্রস্ত পাড়ায় ছুটে গিয়েছিলাম। প্রথমে তারা লাইন ধরে সবাই ত্রাণ নিয়ে বাড়ি গিয়েছিল, পরে হঠাৎ করে সবাই ত্রাণ নেবে না বলেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। শেষে লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রায় ২ ঘণ্টা অপেক্ষা করেও তাদের ত্রাণ হাতে তুলে দিতে না পেরে ফিরে আসেন।

সোনালীনিউজ/আইএ

Wordbridge School
Sonali IT Pharmacy Managment System