• ঢাকা
  • বুধবার, ২৯ জুন, ২০২২, ১৫ আষাঢ় ১৪২৯

হিলিতে বেড়েছে শুকনো মরিচের দাম


হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি মে ২৫, ২০২২, ১২:০৮ পিএম
হিলিতে বেড়েছে শুকনো মরিচের দাম

ছবি: সংগৃহীত

দিনাজপুর: দ্রব্যমূল্যের দাম লাগামহীনভাবে বেড়েই চলেছে। কে কার আগে কত বাড়বে তার জন্য চলছে প্রতিযোগিতা। ঠিক হিলি বাজারে গিয়ে দেখা গেল শুকনা মরিচের এমনই এক অবস্থা। যখন তেল, চালসহ নিত্যপণ্যের দাম যখন উর্ধ্বগতি তখন যেন শুকনা মরিচ কেন পিছিয়ে থাকবে। তাই শুকনা মরিচেরও দাম বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি শুকনা মরিচের দাম বেড়েছে কেজিতে ৭০ থেকে ৮০ টাকারও বেশি। এতে নাভিশ্বাস সাধারণ ক্রেতারা। 

বুধবার (২৫ মে ) সকালে হিলি বাজারে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় প্রতিকেজি শুকনা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকা, কারেন্ট ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকা। যা গত দুই সপ্তাহে বিক্রি হয়েছিল ১৬০ টাকা, কারেন্ট ২৮০ টাকা কেজিতে। বাজারে সরবরাহ কমের কারনেই দাম বেড়েছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের।

কাচা বাজারের আড়তদার মনিরুল আলম জানান, মরিচ হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি হলেও আমাদের আনতে হচ্ছে বগুড়া থেকে। কারন আমদানিকারকরা শুকনো মরিচ হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি করলেও ব্যবসায়ীরা এক জোট হয়ে এখানে বিক্রি না করে বগুড়া নিয়ে গিয়ে বিক্রি করছে। তাই বগুড়া থেকে নিতে গাড়ি ভাড়াসহ বিভিন্ন কারনে শুকনো মরিচের দাম বেশি পড়ে যাচ্ছে।

আরেকজন শুকনো মরিচ বিক্রেতা বলেন, আমাদের হিলি থেকে আমদানি হওয়া শুকনো মরিচ যদি হিলি থেকেই নিতে পারতাম ,তাহলে শুকনো মরিচের দামটা কমে পেতাম। আমরাও কম দামে বিক্রি করতে পারতাম। ব্যবসায়ীরা তাদের কিছু লাভের আশায় ঐক্যজোট হয়ে পুন্যটি বগুড়া নিয়ে বিক্রি করে। তারপর আমাদের বগুড়া থেকে নিতে হয়। অতি হাত বদলের কারনে এবং কেয়ারিং খরচ দিয়ে পুন্যটি নিতে আমাদের দাম অনেক পড়ে যাচ্ছে। তাই পুন্যটির দাম বেড়ে গেছে।

বাজারে সবজি কিনতে আসা কয়েকজন বলেন, দ্রব্যমূল্যের দাম যেভাবে বাড়তে শুরু করেছে তাতে আমাদের নিম্ন আয়ের মানুষদের না খেয়ে থাকতে হবে। চাল তেল এখন আবার শুকনো মরিচের দাম লাগামহীন ভাবে বাড়তে শুরু করেছে। দুই সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিকেজি শুকনো মরিচের দাম বেড়েছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা। এভাবে চললে আমরা আর চলতে পারব না।

কথা হয় শুকনো মরিচ কিনতে আসা একজন রিক্সা চালকের সাথে তিনি বলেন, বাজারে দ্রব্যমুল্যেরও দাম বাড়লেও বাড়েনি তো আমাদের আয়। সারাদিন রিক্সা চালিয়ে দুই থেকে তিনশ টাকা আয় করি। আর আমার পরিবারের সদস্য রয়েছে ৫ জন। কিভাবে সংসার চালাবো তা কুল করে উঠতে পারছিনা। কিছুদিন আগে শুরু হলো সয়াবিন তেল নিয়ে তারপর চাল এখন আবার শুকনো মরিচের দাম আগের তুলনায় দ্বিগুন হয়েছে। গত সপ্তাহে যে শুকনো মরিচ কিনেছিলাম ১৬০ টাকা কেজি আর আজকে কিনলাম ২৫০ টাকা কেজি। 

হিলি কাষ্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা এস এম নুরুল আলম খান বলেন, হিলি স্থলবন্দর দিয়ে শুকনো মরিচ আমদানি স্বাভাবিক রয়েছে। শুকনো মরিচ একটি নিত্য প্রয়োজনীয় পুন্য তাই আমরা শুল্ক শেষে দ্রুত ছাড়করন করে থাকি। হিলি বন্দর দিয়ে ১ লা জানুয়ারী থেকে ২৩ মে পর্যন্ত শুকনো মরিচ আমদানি হয়েছে ২ লক্ষ ৬০ হাজার কেজি। যা থেকে রাজস্ব আদায় হয়েছে ৫০ লক্ষ ২১ হাজার টাকা।

সোনালীনিউজ/এসআই/এসআই

Wordbridge School
Sonali IT Pharmacy Managment System