ছবি : প্রতিনিধি
ঝালকাঠি: ঝালকাঠির সদর উপজেলার কির্তীপাশা ইউনিয়নের ভীমরুলী এলাকায় লেবু উৎপাদন বেশি হওয়ায় লেবুর রাজ্য নামে পরিচিত। এখানের কৃষকেরা বানিজ্যিকভাবে লেবুর চাষ করেন। ভীমরুলীর লেবুর চাহিদা এবং সুখ্যাতি দেশজুড়ে। এখানের ভাসমান হাটে কৃষকেরা নৌকায় করে এবং স্থলেও গাড়িতে করে পাইকারি বিক্রি করতে আনেন। যদিও বর্ষাকালের তুলনায় এ মৌসুমে লেবু উৎপাদন কিছুটা কম হয়।
রমজানের শুরুতেই ঝালকাঠির বিভিন্ন হাট- বাজারে অস্বাভাবিকভাবে লেবুর মূল্য বৃদ্ধি দেখা গেছে। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে চায়না, কাগজি, দেশি এবং এলাচি লেবুর দাম বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। সাধারণ ক্রেতাদের অভিযোগ রোজাদারদের ইফতারে লেবুর শরবতের চাহিদা কে পুঁজি করে সিন্ডিকেট করে দাম বাড়ানো হচ্ছে। কয়েকদিন আগেও লেবুর হালি ৪০/৫০ টাকায় বিক্রি করতো। বর্তমানে তা ৮০ থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। লেবুর দাম কতো জানতে চাইলে দোকানি বলে একপিচ ২৫ টাকা। শুক্রবার জেলার কয়েকটি হাট ও বাজারের লেবুর আড়ৎ এবং দোকান ঘুড়ে এমন চিত্র দেখা গেছে।
লেবু চাষি এবং বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, লেবুর দাম বেড়েছে সরবরাহের ঘাটতির কারণে। হঠাৎ করেই চাহিদা বাড়ায় মূল্য বেড়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
লেবু বাগান মালিকরা জানান, এবছর বৃষ্টিপাত না হওয়ায় লেবুর ফলন কম হয়েছে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানির অভাবে লেবুর ফুল ঝড়ে গেছে।
লেবু চাষি জীবন মন্ডল জানান, তিনি একশত লেবু বিক্রি করেছেন ১ হাজার ৪৮০ টাকা। তাতে প্রতি পিচের দাম পড়েছে ১৪ টাকা ৮০ পয়সা। সপ্তাহ খানেক আগে একই লেবু বিক্রি করেছেন ১ হাজার টাকা।
ক্রেতাদের অভিযোগ বছরের অন্যান্য সময়ে লেবুর তেমন চাহিদা না থাকলেও রমজান মাস ইফতারের জন্য লেবুর শরবতের ব্যাপক চাহিদা থাকে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীরা পরিকল্পিত ভাবে দাম বাড়াচ্ছে।
পিএস













-20260220112630.jpg)

























