• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২০, ১১ কার্তিক ১৪২৭
Sonalinews.com
সাপ্তাহিক শেয়ারবাজার

ডিএসইতে বাজার মূলধন বেড়েছে সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকা


নিজস্ব প্রতিবেদক সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২০, ০১:২৫ পিএম ডিএসইতে বাজার মূলধন বেড়েছে সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকা

ঢাকা: বিদায়ী সপ্তাহ সূচকের উত্থানে শেয়ারাবাজারের লেনদেন শেষ হয়েছে। বেড়েছে টাকার অঙ্কে লেনদেনের পরিমাণ। বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দরও বেড়েছে। একইসঙ্গে বেড়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন।

গেল সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস লেনদেন শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৬৩২ কোটি ৭১ লাখ ৪৮ হাজার টাকায়। সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস লেনদেন শুরুর আগে বাজার মূলধন ছিল ৩ লাখ ৭৮ হাজার ৯৪১ কোটি ৯৭ লাখ ৬ হাজার টাকায়। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইতে বাজার মূলধন ৬ হাজার ৬৯০ কোটি ৭৪ লাখ ৪২ হাজার টাকা।

সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৯৩.৩৬ পয়েন্ট বা ১.৮৬ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ১০৪.৬৫ পয়েন্টে। অপর সূচকগুলোর মধ্যে শরিয়াহ সূচক ৪.৫৪ পয়েন্ট বা ০.৩৯ শতাংশ এবং ডিএসই-৩০ সূচক ২১.৩৭ পয়েন্ট বা ১.২২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১১৬৩.০৬ পয়েন্টে এবং ১৭৬১.৬০ পয়েন্টে।

বিদায়ী সপ্তাহে ৫ কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৫ হাজার ৬৩৫ কোটি ৩৩ লাখ ২১ হাজার ৬৩৬ টাকার লেনদেন হয়েছে। যা আগের সপ্তাহ থেকে ৩৪০ কোটি ৫৩ লাখ ৩২ হাজার ৪৫ টাকা বা ৬.৪৩ শতাংশ বেশি হয়েছে। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ৫ হাজার ২৯৪ কোটি ৭৯ লাখ ৮৯ হাজার ৫৯১ টাকার।

ডিএসইতে বিদায়ী সপ্তাহে গড় লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ১২৭ কোটি ৬ লাখ ৬৪ হাজার ৩২৭ টাকার। আগের সপ্তাহে গড় লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ৫৮ কোটি ৯৫ লাখ ৯৭ হাজার ৯১৮ টাকার। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইতে গড় লেনদেন ৬৮ লাখ ১০ লাখ ৬৬ হাজার ৪০৯ টাকা বেশি হয়েছে।

বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ৩৬০টি প্রতিষ্ঠান শেয়ার ও ইউনিট লেনদেনে অংশ নিয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ২১২টির বা ৫৮.৮৮ শতাংশের, কমেছে ১১৯টির বা ৩৩.০৫ শতাংশের এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৮টির বা ৭.৭৭ শতাংশের শেয়ার ও ইউনিট দর।

বিদায়ী সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস লেনদেন শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৬৩২ কোটি ৭১ লাখ ৪৮ হাজার টাকায়। সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস লেনদেন শুরুর আগে বাজার মূলধন ছিল ৩ লাখ ৭৮ হাজার ৯৪১ কোটি ৯৭ লাখ ৬ হাজার টাকায়। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইতে বাজার মূলধন ৬ হাজার ৬৯০ কোটি ৭৪ লাখ ৪২ হাজার টাকা বা ১.৭৬ শতাংশ বেড়েছে।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে টাকার পরিমাণে লেনদেন হয়েছে ১৭৫ কোটি ৪১ লাখ ২৩ হাজার ৮৩৮ টাকার। আর আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ১৫৪ কোটি ২৯ লাখ ৫৯ হাজার ৮০২ টাকার। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে সিএসইতে লেনদেন ২১ কোটি ১১ লাখ ৬৪ হাজার ৩৬ টাকা বা ১৩.৬৮ শতাংশ বেড়েছে।

সপ্তাহটিতে সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২৭৮.৬০ পয়েন্ট বা ১.৯৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৫৭৩.৭০ পয়েন্টে। সিএসইর অপর সূচকগুলোর মধ্যে সিএসসিএক্স ১৫৪.৩২ পয়েন্ট বা ১.৭৯ শতাংশ, সিএসইর-৩০ সূচক ১৬৮.৭৭ পয়েন্ট বা ১.৩৯ শতাংশ, সিএসই-৫০ সূচক ২০.৬৮ পয়েন্ট বা ১.৯৮ শতাংশ এবং সিএসআই ১.৪১ পয়েন্ট বা ০.১৫ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ৮ হাজার ৭৫৬.৯১ পয়েন্টে, ১২ হাজার ২২৮.৪৪ পয়েন্টে, ১০৬২.৫৯ পয়েন্টে এবং ৯৪২.৬৭ পয়েন্টে।

সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে ৩১৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেনে অংশ নিয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ১৭৬টির বা ৫৫.৫২ শতাংশের দর বেড়েছে, ১১১টির বা ৩৫.০১ শতাংশের কমেছে এবং ৩০টির বা ৯.৪৬ শতাংশের দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

বিদায়ী সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস লেনদেন শেষে সিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ১৬ হাজার ৪৩৩ কোটি ৯৯ লাখ ৭০ হাজার টাকায়। সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস লেনদেন শুরুর আগে বাজার মূলধন ছিল ৩ লাখ ৯ হাজার ১৩ কোটি ৫১ লাখ ৫০ হাজার টাকায়। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইতে বাজার মূলধন ৭ হাজার ৪২০ কোটি ৪৮ লাখ ২০ হাজার টাকা বেড়েছে।

এদিকে সপ্তাহের ব্যাবধানে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের টপটেন গেইনার বা দর বাড়ার শীর্ষে রয়েছে প্রভাতি ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড। সপ্তাহজুড়ে শেয়ারটির দর ৪১.৩০ শতাংশ বেড়েছে। গেইনারের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে নিটল ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড। গত সপ্তাহে কোম্পানির সর্বোচ্চ দর বেড়েছে ৩১ দশমিক ৫৯ শতাংশ। কোম্পানিটির গড়ে প্রতিদিন ১৩ কোটি ২৫ লাখ ৫৫ হাজার  টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আর পুরো সপ্তাহে  ৬৬ কোটি ২৭ লাখ ৭৮ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

এশিয়া প্যাসিফিক জেনারেল ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড গেইনারের তৃতীয় স্থানে রয়েছে। সপ্তাহে শেয়ারটির সর্বোচ্চ দর বেড়েছে ২৫ দশমিক ৪৪ শতাংশ। কোম্পানিটি গড়ে প্রতিদিন ১০ কোটি  টাকার  শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আর সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটি ৫০ কোটি  টাকার শেয়ার লেনদেন করেছে। তালিকায় থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হচ্ছে- এশিয়া ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি,জনতা ইন্স্যুরেন্স, পিপলস ইন্স্যুরেন্স, গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স, মুন্নু সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিজ, সিটি ব্যাংক ও রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড।

ডিএসইতে টপটেন লুজার বা দর পতনের শীর্ষে রয়েছে শ্যামপুর সুগার মিলস লিমিটেড। গত সপ্তাহে শেয়ারটির সর্বোচ্চ দর কমেছে ১৮.৯৩ শতাংশ। লুজারের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে হাক্কানি পাল্প অ্যান্ড পেপার লিমিটেড। গত সপ্তাহে শেয়ারটির সর্বোচ্চ দর কমেছে ১৭ দশমিক ৫৫ শতাংশ।  ইনফরমেশন সার্ভিসেস নেটওয়ার্কস তৃতীয় স্থানে রয়েছে। তালিকায় থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হচ্ছে- দুলামিয়া কটন স্পিনিং মিলস, মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ, ফাইন ফুডস, ফু-ওয়াং ফুড, আজিজ পাইপস, এডিএন টেলিকম ও সিনোবাংলা ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।

সোনালীনিউজ/এলএ/টিআই

Side banner