• ঢাকা
  • শুক্রবার, ০৩ ডিসেম্বর, ২০২১, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৮

১০ কোম্পানির ‘নো ডিভিডেন্ড’ ঘোষণায় হতাশ বিনিয়োগকারীরা


নিজস্ব প্রতিনিধি অক্টোবর ২৮, ২০২১, ০৯:৫৪ এএম
১০ কোম্পানির ‘নো ডিভিডেন্ড’ ঘোষণায় হতাশ বিনিয়োগকারীরা

ফাইল ছবি

ঢাকা: শেয়ারবাজারের তালিকাভুক্ত প্রায় ৬০টি কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের মিটিং অনুষ্ঠিত হয়েছে বুধবার (২৭ অক্টোবর)। এই বৈঠক থেকে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশে ঘোষণা ও আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। তবে এদিন অনুষ্ঠিত ১০টি কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের শেয়ারহোল্ডারদের হতাশ করেছে।

রেনউইক যগেশ্বর: রাষ্ট্রায়ত্ত এই কোম্পানিটি এবার লোকসান কমাতে পারলেও লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি। গত জুনে সমাপ্ত অর্থবছরে শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ২৩ টাকা ৩২ পয়সা। আগের বছরও শেয়ার প্রতি ৩২ টাকা লোকসান দেয়ার কারণে কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি কোম্পানিটি।

শ্যামপুর সুগার: বরাবরের মতোই এবারও বিপুল পরিমাণ লোকসান দিয়ে লভ্যাংশ না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত এই চিনিকলটি। গত জুনে সমাপ্ত অর্থবছরে শেয়ার প্রতি কোম্পানিটি লোকসান দিয়েছে ১২৫ টাকা ১৪ পয়সা, যা আগের অর্থবছরে ছিল ১২১ টাকা ৩৮ পয়সা।

উসমানিয়া গ্লাস: রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি উসমানিয়া গ্লাস শিট শেয়ার প্রতি ৬ টাকা ৬৬ পয়সা লোকসান দিয়ে কোনো লভ্যাংশ না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগের বছর একই সময়ে লোকসান ছিল ৭টাকা ২১ পয়সা। কোম্পানিটি তিন বছর ধরেই কোনো লভ্যাংশ দিচ্ছে না।

মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক: ২০০১ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির লভ্যাংশ দেয়ার ইতিহাস নেই। প্রায় প্রতি বছর বড় অঙ্কের লোকসান দেয়া কোম্পানিটি এবার শেয়ারপ্রতি ৮ টাকা ২৬ পয়সা লোকসান দিয়েছে। আগের বছরে লোকসান ছিল ৭ টাকা ৬৭ পয়সা।

মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজ: একই গ্রুপের এই কোম্পানিটিও এক দশকেও মুনাফার মুখ দেখেনি, লভ্যাংশও দেয়নি। গত ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটি শেয়ার প্রতি ৩৩ পয়সা লোকসান দিয়েছে। আগের বছর লোকসান ছিল ৩০ পয়সা।

ওয়াইম্যাক্স ইলেক্ট্রোড: প্রকৌশল খাতের কোম্পানিটি এবার মুনাফা করেও লভ্যাংশ না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গত জুনে সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটি আয় করেছে ৮ পয়সা। গত বছর আয় ছিল ৫১ পয়সা। সে বছর লভ্যাংশ ছিল ৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার।

জেনারেশন নেক্সট: বস্ত্র খাতের এই কোম্পানিটি এবার শেয়ার প্রতি আয় করেছে ১ পয়সা। গত বছরও একই পরিমাণ আয় করে লভ্যাংশ দেয়নি তারা। ২০১৯ সালের পর থেকে কোম্পানির কোনো লভ্যাংশ পায়নি শেয়ারধারীরা।

কেপিপিএল: তৃতীয় প্রান্তিক পর্যন্ত শেয়ার প্রতি ১৪ পয়সা লোকসানে থাকা খুলনা পেপার মিল শেষ পর্যন্ত শেয়ার প্রতি লোকসান দিয়েছে ৬ টাকা ১২ পয়সা। ২০১৪ সালে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটি ২০১৭ সাল থেকেই লোকসানে। তবে গত চার বছর মিলিয়েও এ বছরের সমান লোকসান দেয়নি কোম্পানিটি।

দুলামিয়া কটন: বস্ত্র খাতের কোম্পানিটি লোকসানের বৃত্ত থেকে এবারও বের হতে পারেনি। গত জুন সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ৩৭ পয়সা। আগের বছর এই লোকসান ছিল ১ টাকা ২৮ পয়সা।

আর এন স্পিনিং: আগের দুই বছরের মতো এবারও লভ্যাংশ না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গত ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটি আগের বছরের তুলনায় লোকসান কমাতে পেরেছে। ২০২০ সালের জুলাই থেকে গত জুন পর্যন্ত তাদের শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ১৮ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে লোকসান ছিল ৮৮ পয়সা।

সোনালীনিউজ/এমএইচ

Haque Milk Chocolate Digestive Biscuit
Wordbridge School
Sonali IT Pharmacy Managment System