• ঢাকা
  • শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

নিত্যপণ্যের দামে নাকাল ক্রেতারা, রমজানকে পুঁজি করে রমরমা ব্যবসা


নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬, ০১:৫৭ পিএম
নিত্যপণ্যের দামে নাকাল ক্রেতারা, রমজানকে পুঁজি করে রমরমা ব্যবসা

ফাইল ছবি

ঢাকা: দেশে নিত্যপণ্যের দামে নাকাল সাধারণ মানুষ। রমজানের শুরুতে নিত্যপণ্যের দাম আকাশ ছোঁয়া। বাজারে লেবু, বেগুন, শসা, পেঁয়াজ, টমেটো, কাঁচা মরিচ, খেজুর, ব্রয়লার মুরগির দাম চড়া। রমজান মাসে নিত্যপণ্যের এমন দামে হিমশিম খাচ্ছে সাধারণ মানুষ। 

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন বাজারের এই চিত্র দেখা গেছে।

বাজারে প্রতি তেজি করলা ১২০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, মুলা ৫০ টাকা, লতি ৮০ টাকা এবং ধুন্দুল ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া প্রতি কেজি পেঁপে ৪০-৫০ টাকা, গাজর ৩০-৪০ টাকা, কচুরমুখী ৮০ টাকা, শিম ৭০-৮০ টাকা এবং শালগম ৪০-৫০ টাকায় মিলছে। ফুলকপি প্রতি পিস ৪০-৫০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৫০-৬০ টাকা, আলু ২০-২৫ টাকা কেজি এবং ধনেপাতা ১০ টাকা আঁটি দরে বিক্রি হচ্ছে।

ক্রেতাদের অভিযোগ, খুচরা বাজারে এখনও বেশ কিছু পণ্যের দাম বেশি। চাহিদার মাত্রা বেশি তাই এটাকে পুঁজি করে কেউ কেউ অতিরিক্ত দামও রাখছেন।

বিক্রেতারা বলছেন, রোজার শুরুতে মানুষের কেনাকাটা অস্বাভাবিক বেড়ে যায়। কিছুদিন পর থেকে কেনাকাটা কমে যাবে। অনেক পরিবার, শিক্ষার্থীরা ঈদের ছুটিতে গ্রামে চলে যেতে শুরু করবে। তখন চাহিদা কমবে।

তবে রোজা শুরুর আগেই সেঞ্চুরি হাকিয়েছিল লেবু, শশা ও বেগুনের দাম। এসব পণ্যের দাম দুই থেকে পাঁচ গুণ বেড়েছিল। বাজারে যেসব লেবু সাধারণত ২০ থেকে ৩০ টাকা হালিতে পাওয়া যেত, সেই লেবুর দাম উঠেছিল ১০০ থেকে ১২০ টাকা হালিতে। এখনো সেই দামেই বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে, রোজার মধ্যে বেগুনের দাম কেজিপ্রতি ৪০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। রোজার তিন চারদিন আগে এ পণ্যের দাম ছিল ৬০ থেকে ৮০ টাকা। যা এখন ১০০ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বেগুনের মতো শশার কেজিও উঠেছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়। যা ৪০ থেকে ৫০ টাকা ছিল।

পেঁয়াজের দাম প্রায় কেজিপ্রতি ১০ টাকা বেড়ে ৬০ থেকে ৬৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে। কাঁচামরিচের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা। তবে এ দুই পণ্যের দাম রোজার আগে নির্বাচনের সময় যানবাহন বন্ধ থাকার সময় থেকেই বেড়েছে।

বাজারে ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৯০ থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এদিকে, সোনালি ১০ থেকে ১৫ টাকা কমে ৩০০ থেকে ৩২০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

তবে ক্রেতাদের আশা, তদারকি সংস্থার অভিযান ও সরবরাহ ব্যবস্থা ঠিক থাকলে বাজারে পণ্যের দামে ভোগান্তি আরও কমবে।

এএইচ/পিএস

Wordbridge School
Link copied!