• ঢাকা
  • সোমবার, ২১ জুন, ২০২১, ৮ আষাঢ় ১৪২৮
abc constructions

মামুনুলের চতুর্থ বিয়ের তথ্য পেয়েছে তদন্ত দল


নিউজ ডেস্ক: এপ্রিল ২২, ২০২১, ০৫:০৯ পিএম
মামুনুলের চতুর্থ বিয়ের তথ্য পেয়েছে তদন্ত দল

ফাইল ছবি

ঢাকা: হেফাজত ইসলামের নেতা আল্লামা মামুনুল হক সাতদিনের রিমান্ডে আছেন। রিমান্ডে তাকে মামলা সংশ্লিষ্ট প্রশ্ন করা হলেও ঘুরেফিরে আসছে ২৬ মার্চসহ বেশ কয়েকটি নাশকতার ঘটনার প্রসঙ্গ। এসব বিষয়েও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে তাকে।

রিমান্ডে আনার পর মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। তবে তদন্তের পরিপ্রেক্ষিতে প্রসঙ্গক্রমে ২৬, ২৭ ও ২৮ মার্চে হেফাজতের নাশকতার বিষয়টি উঠে আসে।

রিমান্ডের বিষয়ে সরাসরি কিছু না বললেও তদন্তের বিষয়ে তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) হারুন অর রশিদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘সাধারণ মানুষকে উস্কানি, সরকারকে বিদায় করা, মন্ত্রীদের কটূক্তি করার বিষয়গুলো নিয়ে আমরা তদন্ত করছি। এছাড়াও এসব কাজে তাকে বাংলাদেশ বা দেশের বাইরে থেকে কেউ প্যাট্রোনাইজ (পৃষ্ঠপোষকতা) করছে কি-না, অর্থ দিয়ে বাংলাদেশকে পাকিস্তান বা আফগানিস্তান বানানোর প্রচেষ্টা হচ্ছে কি-না সবকিছুই আমাদের তদন্তে আসবে।’

সূত্র মতে, রিমান্ডে পুলিশের এক কর্মকর্তা তার কাছ থেকে জানতে চান, সরকারের মন্ত্রী এমপিদের নিয়ে সমালোচনা করেছেন, তাদের জুতাপেটা করার ঘোষণা দিয়েছেন। সে কথাগুলো ওয়াজ মাহফিলে এবং বিভ্রান্তিকর বার্তা দিয়ে কাওমি মাদ্রাসার কোমলমতি শিশুদের আক্রমণাত্মক করেছেন। এই ঘটনার দায় তো আপনি এড়াতে পারেন না। আপনার উস্কানিতে নাশকতাগুলো হয়েছে। জবাবে মামুনুল হক বলেছেন, ‘উনি বলেছেন, ‘যেহেতু আমি নেতা, আমিতো দায় এড়াতে পারিই না।’

রিমান্ডে মামুনুলের কাছে পারিবারিক জীবন, শিক্ষকতাসহ নানা বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়। পুলিশের সব প্রশ্নে অকপটে উত্তর দিয়েছেন মামুনুল। কোনো প্রশ্ন তাকে দুইবার জিজ্ঞেস করতে হয়নি।

এদিকে গোয়েন্দা সংস্থার একটি ইউনিট জানায়, দীর্ঘদিন ধরে তারা মামুনুল হকের বিষয়ে ছায়া তদন্ত করছে। তদন্তে তারা মামুনুলের চতুর্থ বিয়ের বিষয়ে কিছু তথ্য পেয়েছে। পাশাপাশি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করার সময় মামুনুলের বিরুদ্ধে কিছু সমকামিতার অভিযোগও পেয়েছে। সেগুলো বর্তমানে তদন্ত করা হচ্ছে।এছাড়া মামুনুল হকসহ হেফাজতের ইসলামের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে কওমি মাদ্রাসা পরিচালনায় ব্যাপক অনিয়ম পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি তদন্ত দল। 

মামুনুলসহ হেফাজতের নেতারা যাত্রাবাড়ী, বারিধারা, লালবাগের বেশ কয়েকটি মাদ্রাসা পরিচালনা করছে। এসব মাদ্রাসার আয়-ব্যয় হিসেবে ব্যাপক গরমিল পাওয়া গেছে।

এসব মাদ্রাসায় মধ্যপ্রাচ্য থেকে যেসব অনুদান এসেছে, সেগুলোর বিস্তারিত তথ্যাদিও নেই। পাশাপাশি মাদ্রাসাগুলো অবৈধভাবে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির সংযোগ নিয়ে বছরের পর বছর বিল পরিশোধ না করেই পরিচালনা করা হচ্ছে।

সোনালীনিউজ/আইএ

Haque Milk Chocolate Digestive Biscuit
Wordbridge School