• ঢাকা
  • শুক্রবার, ০৩ ডিসেম্বর, ২০২১, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৮

ডেল্টার নতুন ধরন আরও দ্রুত ছড়ায়, বিপর্যস্ত যুক্তরাজ্য


আন্তর্জাতিক ডেস্ক অক্টোবর ২৩, ২০২১, ০৪:১২ পিএম
ডেল্টার নতুন ধরন আরও দ্রুত ছড়ায়, বিপর্যস্ত যুক্তরাজ্য

ঢাকা : এক ঢেউ যেতে না যেতেই আরেক ঢেউ এসে গ্রাস করছে একাধিক দেশকে। করোনাভাইরাসের ডেল্টা ধরনের হানায় বিপর্যস্ত হয়েছিল গোটা বিশ্ব। কিন্তু এবার ফের ডেল্টার আরেক ধরন ডেল্টা প্লাস বা AY.4.2-এর হানায় বিপর্যস্ত হতে চলেছে ইউরোপ থেকে এশিয়ার একাধিক দেশ।

ডেল্টার মূল ধরনটি যত না সংক্রমক, তার চেয়ে অনেক বেশি সংক্রমক ডেল্টা ও পরবর্তী ডেল্টা প্লাস। ইতিমধ্যেই এদের মিউটেশনও হয়ে গেছে। ভাইরাসের স্পাইক মিউটেশন হয়ে নয়া ধরন দুটি হলো- A222V ও Y145H।

ব্রিটেন সরকারের  স্বাস্থ্য সুরক্ষা সংস্থা (হেলথ সিকিউরিটি এজেন্সি ইউকেএইচএসএ) সর্বশেষ রিপোর্টে এই ধরনের কথা উল্লেখ করেছে।

সংস্থাটি ডেল্টা প্লাস ধরন কতটা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে, তা নিয়ে গবেষণা চালাচ্ছে। তবে ডেল্টা প্লাসে সংক্রমিত হলে গুরুতর অসুস্থতা হতে পারে বলে প্রমাণ পাওয়া যায়নি। যেসব করোনার টিকা প্রয়োগ করা হচ্ছে, সেগুলো ডেল্টা প্লাসের বিরুদ্ধেও কার্যকর থাকবে বলে গবেষকেরা আশা করছেন।

এই ডেল্টা প্লাস বা  AY.4.2 ভ্যারিয়েন্ট কি?

- এটি অন্যান্য ধরনের চেয়ে অনেকটাই সংক্রামক স্ট্রেন

-  ডেল্টার মূল ভ্যারিয়েন্ট থেকে কতটা আলাদা, কতটা সংক্রমক বেশি,  তা এখনও পর্যন্ত বুঝতে পারা যাচ্ছে না

- মনে করা হচ্ছে আলফা ও ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের থেকে এর ক্ষতি কম হতে পারে।

যুক্তরাজ্যে ডেল্টা ধরনেই বেশি মানুষ সংক্রমিত হয়েছেন। তবে ডেল্টা প্লাস অথবা এওয়াই.ফোর.টু ধরনের সংক্রমণও বাড়ছে। সাম্প্রতিক সরকারি জরিপ বলছে, ডেল্টা প্লাসে সংক্রমণের হার ৬।

এই ধরনের হানায় বর্তমানে বিপর্যস্ত ব্রিটেন। যে হারে সে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে তার নেপথ্যে এই ধরন বলে জানিয়েছে সে দেশের স্বাস্থ্য সংস্থাগুলো।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, ডেল্টা এখনও প্রিডমিনেন্ট ভ্যারিয়েন্ট। যদিও নতুন এই ধরন ইংল্যান্ডের চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছে। তবে সবরকম সতর্কতা ও নজরদারি রাখা হচ্ছে সরকারের তরফে।

গত জুলাইয়ের পর প্রথমবার ব্রিটেনে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ফের ৫০ হাজার ছাড়িয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সরকারি পরিসংখ্যানে জানান হয়েছে যে, গত একদিনে সে দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণে আক্রান্ত হয়েছে ৫২ হাজার ০০৯ জন। বিগত আটদিনে ব্রিটেনে ৪০ হাজারের বেশি করোনা শনাক্ত হয়েছে। তবে মৃত্যুহার কিছুটা হলেও কম।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনও স্বীকার করেছেন যে, দেশে করোনা সংক্রমণ ফের দ্রুত গতিতে বাড়ছে।

বিশ্বে করোনাভাইরাসের কয়েক হাজার ধরন রয়েছে। এ ভাইরাস সব সময় রূপান্তরিত হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় নতুন ধরন আসাটা স্বাভাবিক মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।

সোনালীনিউজ/এমটিআই

Haque Milk Chocolate Digestive Biscuit
Wordbridge School
Sonali IT Pharmacy Managment System