• ঢাকা
  • সোমবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২১, ৬ বৈশাখ ১৪২৮
abc constructions

আবহাওয়া পরিবর্তনে শিশুর যত্নে করণীয়


লাইফস্টাইল ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২১, ০৯:৩৭ পিএম
আবহাওয়া পরিবর্তনে শিশুর যত্নে করণীয়

ফাইল ছবি

ঢাকা : চারদিকে এখন মৃদু ঠাণ্ডা ও গরম, বসন্তের মিষ্টি বাতাস বইছে। প্রকৃতি সেজেছে অপরূপ সাজে। নানান রঙের ফুলে প্রকৃতি এখন রানির বেশে সেজে আছে। প্রকৃতির সঙ্গে সঙ্গে সবার মনেই এখন ফাগুনের হাওয়া লেগেছে। সেই সঙ্গে এই ফাগুনের হাওয়া লেগেছে শরীরেও। 

সময়টি এখন না ঠাণ্ডা, আর না গরম। এ সময়ে বড়দের পাশাপাশি অনেক শিশুরাই অসুস্থ হয়ে পড়ছে! দিনের বেলা গরম আর রাতে ঠাণ্ডা এই আবহাওয়া শিশুরা ঠিক মানিয়ে নিতে পারে না বলেই বাড়ছে অসুস্থতা। 

চলুন জেনে নেয়া যাক এ সময় শিশুদের অসুস্থতা ও তার প্রতিকার সম্পর্কে:

শিশুদের অসুস্থতা ও যত্নে করণীয় :  

১. শীতের শেষের দিকে, শিশুর শরীরে চুলকানি ও র‍্যাশের মতো বিভিন্ন সমস্যাও দেখা দেয়। যা পরবর্তীতে মারাত্মক ফুসকুড়িওতে পরিণত হতে পারে। এ সময় অ্যালার্জি বেড়ে গিয়ে র‍্যাশ, ফুসকুড়ি বা চুলকানি হয়ে থাকে। এজন্য যেসব শিশুর অ্যালার্জি আছে, তাদের ফুল থেকে দূরে রাখুন। আর বাইরে বের হওয়ার আগে অবশ্যই শিশুকে মাস্ক পরিয়ে নিন।

২. আবহাওয়ার ওঠা-নামার এ সময় সহজেই শিশুরা ঠাণ্ডা-জ্বর-কাশিতে আক্রান্ত হয়। তাই শিশুকে এ সময় সঠিক পরিচর্যার মধ্যে রাখতে হবে।

৩. বাইরে থেকে ফিরেই সাবান দিয়ে নিয়মিত হাত ধুয়ে নিতে হবে। পাশাপাশি শিশুকে নিয়মিত গোসল ও পরিষ্কার জামা-কাপড় পরাতে হবে।

৪. এ সময় শিশুদের ভাইরাস জ্বর হতে পারে। এমনটি হলে প্রচুর পানি ও ফলের রস খাওয়াতে হবে শিশুকে। জ্বরের মাত্রা ১০০ ডিগ্রীর বেশি হলে অবশ্যই শিশুকে হাসপাতালে নিতে হবে।


এ সময় আরো কিছু উপায়ে শিশুর যত্ন নেয়া প্রয়োজন

১. আবহাওয়া যেমনই হোক না কেন শিশুকে নিয়মিত গোসল করাতে হবে। শিশুর শরীর জীবাণুমুক্ত রাখতে গোসলের পানিতে অ্যান্টিসেপটিক লিকুইড বা নিমের পাতা মিশিয়ে গোসল করাতে পারেন।

২. দিনের বেলায় হালকা গরম থাকার কারণে শিশুর শরীর অনেক সময় ঘামে ভিজে যেতে পারে। এজন্য শিশুর বগল বা কুচকিতে ফাঙ্গাল ইনফেকশন যাতে না হয় এজন্য নিয়মিত পরিষ্কার রাখুন এবং টেলকম পাউডার ব্যবহার করুন।

৩. শীত কম থাকলেও রাতের শেষের দিকে আবহাওয়া বেশ ঠাণ্ডা থাকে। হয়তো ঘুমের মধ্যে শিশু শরীর থেকে লেপ বা কম্বলটি সরিয়ে ফেলে। এজন্য শেষ রাতের দিকে শিশুকে গরম কাপড়ে ঢেকে রাখুন।

৪. ছোটদের ত্বক অনেক কোমল ও সংবেদশীল হয়ে থাকে। তাই এ সময় জেনে-বুঝে শিশুর ত্বকের যত্ন নিন। শীতের শেষের দিকে ত্বক আরো খসখসে হয়ে যায়। তাই শিশুর শরীরে বডি লোশন বা অলিভ অয়েল ব্যবহার করতে ভুলবেন না।

৫. শিশুকে একেবারেই পাতলা কাপড় পরিয়ে রাখবেন না। আবার বেশি ভারী কাপড় পরিয়ে রাখলেও শিশুর ঘাম হতে পারে। এতেও শিশুর ঠাণ্ডা লাগতে পারে। তাই দিন ও রাতের তাপমাত্রা বুঝে শিশুকে পোশাক পরান।

৬. ঋতু পরিবর্তনে শিশুরা ডায়রিয়াতেও বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকে। তাই এ সময় শিশুর খাবারের প্রতি লক্ষ্য রাখুন। স্বাস্থ্যকর খাবার বেশি খেতে দিন। ফাস্টফুড কিংবা প্রকৃতিজাত কোনো খাবার শিশুকে খাওয়াবেন না।

৭. শিশুর শরীর ঘামছে বলে জোরে ফ্যান চালাবেন না। যদি ফ্যান চালাতেই হয়, তবে হালকা করে ছেড়ে রাখুন। রাতে ফ্যান না চালানো উচিত। অনেক সময় শুধু ফ্যানের বাতাসের কারণেও শিশু অসুস্থ হয়ে পড়ে।

সোনালীনিউজ/এমএএইচ

Haque Milk Chocolate Digestive Biscuit
Wordbridge School