ফাইল ছবি
শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুর কারণে ওই আসনের নির্বাচন স্থগিত করা হচ্ছে।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুরের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান।
রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, নির্বাচন আইন অনুযায়ী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময়সীমা অতিক্রান্ত হওয়ার পর এবং ভোটগ্রহণের আগে কোনো বৈধভাবে মনোনীত প্রার্থী মৃত্যুবরণ করলে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচনি কার্যক্রম তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল করতে হয়। সেই বিধান অনুসারে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, নির্বাচনী কার্যক্রম স্থগিত করার বিষয়ে গণবিজ্ঞপ্তি প্রস্তুত করা হচ্ছে। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি জানানো হবে এবং পরবর্তীতে এই আসনের নতুন নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করা হবে।
এর আগে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ২টা ৩০ মিনিটের দিকে তাঁর মৃত্যু হয়। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে কিডনি-জনিত রোগে ভুগছিলেন।
আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা হাফিজুর রহমান।
শেরপুর-৩ আসনে এ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মুফতি আবু তালেব মো. সাইফুদ্দিন, বাসদ (মার্কসবাদী) মনোনীত প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান এবং বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী আমিনুল ইসলাম বাদশা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ২৮ জানুয়ারি ঝিনাইগাতী মিনি স্টেডিয়ামে প্রার্থীদের ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই সংঘর্ষে গুরুতর আহত হয়ে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিম চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার মূল প্রার্থীর মৃত্যুতে পুরো আসনের নির্বাচন স্থগিত করা হলো।
এসএইচ
আপনার মতামত লিখুন :