ঋণ পরিশোধে অতিরিক্ত সময় ‘না’

সম্পর্কের ভিত্তিতে ২ বছর খেলাপির পরিবর্তে কিস্তির সুযোগ

  • নিজস্ব প্রতিবেদক | সোনালী নিউজ
  • প্রকাশিত: জানুয়ারি ৩১, ২০২১, ০৬:০৪ পিএম
সম্পর্কের ভিত্তিতে ২ বছর খেলাপির পরিবর্তে কিস্তির সুযোগ

ফাইল ফটো

ঢাকা: চলতি জানুয়ারি মাস থেকেই খেলাপিদের ঋণ পরিশোধের সময় না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে মেয়াদি ঋণে অবশিষ্ট মেয়াদের পর সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত খেলাপি না করে কিস্তি পরিশোধের সময় দিতে পারবে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক।

রোববার (৩১ জানুয়ারি) ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে দেশের কার্যরত সকল তফসিল ব্যাংকের কাছে পাঠিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এর আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণ খেলাপিদের ডিসেম্বর পর্যন্ত কিস্তি না দিলেও খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত না করার সুবিধা দিয়েছিল।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সার্কুলারে বলা হয়, অর্থনীতিতে কোভিড-১৯ এর নেতিবাচক প্রভাব বিবেচনায় ঋণ/বিনিয়োগগ্রহীতার উপর এর প্রভাব সহনীয় মাত্রায় রাখার লক্ষ্যে জানুয়ারি ২০২০ হতে ডিসেম্বর ২০২০ পর্যন্ত সকল ধরনের ঋণ/বিনিয়োগ শ্রেণিকরণে স্থগিত সুবিধা প্রদান করা হয়েছিল, যা ১ জানুয়ারি ২০২১ তারিখ হতে আর বর্ধিত না করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, ঋণ/বিনিয়োগের কিস্তি পরিশোধ সহজ করার লক্ষ্যে ১ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে বিদ্যমান অশ্রেণিকৃত ঋণ/বিনিয়োগগ্রহীতার উপর কোভিড-১৯ এর প্রভাব ও ঋণ/বিনিয়োগের বকেয়া স্থিতির পরিমাণ বিবেচনায় ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে কেবলমাত্র মেয়াদি ঋণ/বিনিয়োগ হিসাবের অবশিষ্ট মেয়াদের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ সময় বৃদ্ধি করা যাবে। তবে, এরূপ বর্ধিত সময়সীমা কোনভাবেই দুই বছরের অধিক হবে না।

সার্কুলারে উল্লেখ আছে, এছাড়া অন্যান্য ঋণ/বিনিয়োগ আদায়ের ক্ষেত্রে বিদ্যমান নীতিমালা এবং বিভিন্ন প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় প্রদত্ত ঋণ/বিনিয়োগ আদায়ের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রণোদনা প্যাকেজের নীতিমালা অনুসরণীয় হবে।

ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। এ নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়।

প্রসঙ্গত, গত বুধবার (২৭ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংক অনলাইন প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত ব্যাংকার্স সভায় খেলাপিদের ঋণ পরিশোধের বিষয়ে কথা হয়। তখন নতুন করে খেলাপি ছাড়া কিস্তি পরিশোধের সময় আর না বাড়ানোর বিষয়টি উঠে আসে। চলতি মাস থেকে কেউ ঋণের কিস্তি না দিলে নিয়ম অনুযায়ী শ্রেণিকৃত হয়ে পড়বেন।

সোনালীনিউজ/এমএইচ

Link copied!