দাবানলের ধোঁয়ায় শ্বাসকষ্টের ঝুঁকিতে যুক্তরাষ্ট্রে লাখো মানুষ 

  • আন্তর্জাতিক ডেস্ক | সোনালী নিউজ
  • প্রকাশিত: জুলাই ১৮, ২০২৬, ১০:৩৫ এএম
দাবানলের ধোঁয়ায় শ্বাসকষ্টের ঝুঁকিতে যুক্তরাষ্ট্রে লাখো মানুষ 

কানাডায় নিয়ন্ত্রণহীন ভয়াবহ দাবানল থেকে নির্গত ধোঁয়া যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। এর ফলে লাখো মানুষ অস্বাস্থ্যকর ও বায়ুদূষণের ঝুঁকির মধ্যে পড়েছেন। 

বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের আকাশ ঘন কুয়াশার মতো ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। আর বায়ুদূষণের কারণে শিকাগো শহরের সৈকতগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। কানাডার বিভিন্ন স্থানে চলমান দাবানল থেকে ছড়িয়ে পড়া ধোঁয়া যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করে বাতাসের মান মারাত্মকভাবে খারাপ করে তুলেছে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের আকাশ ঘন কুয়াশার মতো ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। একই দিনে শিকাগো শহরের সৈকতগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। কানাডার বিভিন্ন স্থানে চলমান দাবানল থেকে ছড়িয়ে পড়া ধোঁয়া যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করে বাতাসের মান মারাত্মকভাবে খারাপ করে তুলেছে।

কানাডা সীমান্তের কাছাকাছি থাকা যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা, উইসকনসিন, মিশিগান ও ইলিনয় অঙ্গরাজ্যগুলোতে দাবানলের ধোঁয়ার প্রভাব সবচেয়ে তীব্র হয়েছে। এছাড়া নিউইয়র্কসহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকাতেও বায়ুর মান ক্রমেই খারাপ হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আইকিউএয়ার জানায়, বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় শিকাগো ও ডেট্রয়েট শীর্ষে রয়েছে। নিউইয়র্কও ছিল শীর্ষ দূষিত শহরগুলোর কাছাকাছি অবস্থানে।

যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে জনবহুল শহর নিউইয়র্ক ঘন ধোঁয়ায় ঢেকে গেছে। রাজ্য কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে জানিয়েছে, এই ধোঁয়ায় থাকা সূক্ষ্ম কণাযুক্ত দূষক পদার্থ (ফাইন পার্টিকুলেট ম্যাটার) নিউইয়র্ক মহানগর এলাকা ও লং আইল্যান্ডের সবার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।’

তবে অঙ্গরাজ্যের মধ্য ও পশ্চিমাঞ্চলে বায়ুদূষণের পরিস্থিতি ছিল আরও ভয়াবহ।

কর্তৃপক্ষ নিউইয়র্কবাসীকে যতটা সম্ভব বাইরে কম সময় কাটানোর পরামর্শ দিয়েছে। শহরের মেয়র জোহরান মামদানি প্রচণ্ড গরম ও দূষিত বাতাসকে ‘গুরুতর হুমকি’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

বাতাসের দূষণ থেকে সুরক্ষায় বিভিন্ন লাইব্রেরি ও ট্রেন স্টেশনে বিনামূল্যে মাস্ক দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া যেসব মানুষের ঘরে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নেই, তাদের জন্য শহরজুড়ে শত শত শীতলীকরণ কেন্দ্র চালু করা হয়েছে।

নিউইয়র্কের জরুরি ব্যবস্থাপনা বিভাগ বলেছে, ‘২০২৩ সালের পর এটি নিউইয়র্ক শহরে সবচেয়ে বড় ধোঁয়াজনিত সংকট হয়ে উঠতে পারে। পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে কি না, তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।’

ওই বছর দাবানলের ধোঁয়ায় নিউইয়র্কের আকাশ অস্বাভাবিকভাবে কমলা রঙে ঢেকে গিয়েছিল এবং বায়ুর মান সূচক  বিপজ্জনক ৪৬৫ মাত্রায় পৌঁছেছিল।

এম

Link copied!