প্রতীকী ছবি
২০২৬ সালের ঈদুল ফিতরকে ঘিরে ছুটি কতদিন হতে পারে-তা নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে আগ্রহ বাড়ছে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে মার্চের ২১ বা ২২ তারিখ ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হতে পারে। সম্ভাব্য তারিখ অনুযায়ী সরকারি ছুটি, শবে কদর ও স্বাধীনতা দিবস মিলিয়ে টানা দীর্ঘ ছুটির সুযোগ তৈরি হতে পারে।
গত ১৮ ফেব্রুয়ারি দেশে রমজান মাসের চাঁদ দেখা যায়। ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে রোজা শুরু হয়। আরবি মাস চাঁদের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায়, শাওয়াল মাসের চাঁদ ২০ মার্চ দেখা গেলে ২১ মার্চ ঈদ হবে। রমজান ৩০ দিন পূর্ণ হলে ঈদ অনুষ্ঠিত হবে ২২ মার্চ।
সরকারের অনুমোদিত ছুটির তালিকা অনুযায়ী, সম্ভাব্য ২১ মার্চ ঈদ ধরে ১৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার) থেকে ২৩ মার্চ (সোমবার) পর্যন্ত পাঁচ দিনের সরকারি ছুটি নির্ধারিত আছে। এর আগে ১৭ মার্চ (মঙ্গলবার) শবে কদরের ছুটি থাকবে। ১৮ মার্চ (বুধবার) কর্মদিবস।
ঈদের ছুটির পর ২৪ ও ২৫ মার্চ অফিস খোলা থাকবে। ২৬ মার্চ (বৃহস্পতিবার) স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সরকারি ছুটি রয়েছে। এরপর ২৭ ও ২৮ মার্চ শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি।
সে ক্ষেত্রে ২৪ ও ২৫ মার্চ নৈমিত্তিক ছুটি নিলে ১৯ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত টানা ১০ দিনের ছুটি কাটানো সম্ভব। আর ১৮ মার্চ একদিন ছুটি নিলে শবে কদর থেকেই দীর্ঘ ছুটির সুযোগ তৈরি হবে।
প্রতি বছর ঈদের আগে-পরে বিপুলসংখ্যক মানুষ রাজধানী ঢাকা ছাড়েন। স্বল্পসময়ে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হওয়ায় সড়ক, রেল ও নৌপথে ভোগান্তি বাড়ে। দীর্ঘ ছুটি হলে যাত্রার চাপ কিছুটা ভাগ হয়ে যায় বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ছুটি নির্ধারণ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। সরকারি ছুটির সঙ্গে মিল রেখে অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও তা বাধ্যতামূলক নয়।
এসএইচ
আপনার মতামত লিখুন :