ঢাকা: গণহত্যা, রাষ্ট্রীয় কাঠামো ধ্বংস এবং দেশের সম্পদ বিদেশে পাচারের দায়ে আওয়ামীলী গ ও জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পলিটিক্যাল থিংকারস (বিপিটি)।
শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৫ ঘটিকার সময় বাংলাদেশ পলিটিক্যাল থিংকারস (বিপিটি) এর উদ্যোগে শাহবাগ জাতীয় যাদুঘর প্রাঙ্গণে গণহত্যা, রাষ্ট্রীয় কাঠামো ধ্বংস এবং দেশের সম্পদ বিদেশে পাচারের দায়ে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধের দাবিতে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ পলিটিক্যাল থিংকারস (বিপিটি)।
সংগঠনের কো-অর্ডিনেটর ইঞ্জিনিয়ার মো. নুর নবীর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফেনীর সাবেক আলোচিত জেলা প্রশাসক, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সচিব ও এবি পার্টির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এ এফ এম সোলায়মান চৌধুরী।
প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন উপাধ্যক্ষ আবু সুফিয়ান, ঢাকা জর্জ কোর্টের আইনজীবী শরীফ আহমেদ, অধ্যাপক গোলাম মোর্তজা, সহকারী অধ্যাপক ও বিপিটি সদস্য রায়হান চৌধুরী, ডিবেট ফর বাংলাদেশ এর সাবেক সভাপতি মশিউর রহমান মিশন প্রমুখ।
এ এফ এম সোলায়মান চৌধুরী প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, আওয়ামী লীগ ভারতের চক্রান্তে এবং বর্তমান একজন উপদেষ্টার সহযোগীতায় নীল নকশার নির্বাচনে ২০০৮ সালে ক্ষমতায় এসে দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে নস্যাৎ করে দিয়েছে।
তারই ধারাবাহিকতায় দেশের বাক স্বাধীনতা, ভোটাধিকার হরণ এবং প্রশাসনে দলীয় করণ করে দেশকে ধ্বংস করে দিয়েছে। তাদের সহচর হিসেবে ছিলো আরেক স্বৈরাচার এরশাদের জাতীয় পার্টি।
দেশ ধ্বংসের এই দুই স্বৈরাচারী দলকে বিচারের আওতায় এনে শাস্তি এবং দল হিসেবে নিষিদ্ধ করতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে ইঞ্জিনিয়ার মো. নুর নবী বলেন, গণতন্ত্র আর আওয়ামী এক সাথে চলে না। সেটা শুধু স্বাধীনতা পরবর্তী শেখ মুজিব কিংবা হাসিনার শাসনামল নয় বরং সম্প্রতি নিউইয়র্কে জাতীয় রাজনীতিবিদদের উপর হামলার ঘটনায় প্রমাণিত।
প্রতিটি গণ হত্যার ঘটনায় দল হিসেবে আওয়ামী লীগ এবং শেখ হাসিনা ও তাদের দোসর জাতীয় পার্টির বিচার হতে হবে। নিজের ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করতে সংবিধান, আইন, বিচারালয়, প্রশাসন থেকে নির্বাচন কাঠামো ধ্বংস করার ফলে দেশ আজ গভীর সংকটে পড়েছে।
মানব বন্ধনে উপস্থিত বক্তাগণ বলেন, শেখ হাসিনাকে ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠার জন্য ভারতের নির্দেশে পাশে থেকে সাংবিধানিক বৈধতা দিয়েছে জাতীয় পার্টি। সুতরাং গণহত্যা, দেশের শাসন কাঠামো ধ্বংস এবং রাষ্ট্রীয় কোষাগার চুরির দায়ে আওয়ামী লীগ এবং তার সহচর জাতীয় পার্টির বিচার ও দল হিসেবে নিষিদ্ধ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বিপিটি মিডিয়া সেলের সদস্য সদস্য জাফর আহমেদ, রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী নুরম্বী টিপু, বিপিটির উপদেষ্টা জানে আলম সবুজ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ওমর ফারুক সোহাগ, ইঞ্জিনিয়ার আহসান উল্যাহ, ইঞ্জিনিয়ার শাহ জাহান এবং দেলোয়ার হোসেন উল্লেখযোগ্য।
এআর
আপনার মতামত লিখুন :