• ঢাকা
  • সোমবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২১, ৬ বৈশাখ ১৪২৮
abc constructions

ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য পাঁচ কোটি ডলার চায় সরকার


নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২১, ১০:৪২ পিএম
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য পাঁচ কোটি ডলার চায় সরকার

ঢাকা : করোনায় রপ্তানিমুখী শিল্প খাতে সরকার প্রণোদনা ঋণ দিলেও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা এখনো পাননি। অথচ করোনার কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। এ অবস্থায় তাদের প্রণোদনা ঋণ দিতে ৪ কোটি ৭০ লাখ ডলার ঋণ সহায়তা পেতে ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংকের (আইডিবি) সঙ্গে আলোচনা করছে সরকার।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) সূত্রে জানা গেছে, আইডিবি থেকে সহজ শর্তে এ ঋণ পাওয়া গেলে দেশের শরিয়াহ ভিত্তিক বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং ইসলামি ব্যাংকিং উইন্ডোজযুক্ত অন্য ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে বিতরণের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

সূত্র জানায়, আইডিবির ‘স্ট্র্যাটেজিক প্রিপার্ডনেস অ্যান্ড রেসপন্স প্রোগ্রাম টু কোভিড-১৯ প্যানডেমিক’ শীর্ষক কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশকে এসএমই খাতে প্রণোদনা দেওয়ার বিষয়ে সম্প্রতি একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় আইডিবি থেকে এই ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে বিভিন্ন শর্ত নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

বর্তমানে বাংলাদেশে দশটি ইসলামিক শরিয়াহভিত্তিক বেসরকারি ব্যাংক রয়েছে। এগুলো হচ্ছে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ, শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক এবং গ্লোবাল ইসলামিক ব্যাংক (সাবেক এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক)।

এ বিষয়ে অর্থ বিভাগের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘করোনার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের ক্ষতি পুষিয়ে ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব নয়। তাদের আর্থিক ক্ষতি পোষাতে সহায়তা করার জন্য প্রয়োজনীয় ঋণ পেতে আইডিবির সঙ্গে আলোচনা করেছি।’

ওই কর্মকর্তা আরো বলেন, ‘দেশের জিডিপিতে ২৫ শতাংশ অবদান রাখছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। এসব প্রতিষ্ঠান করোনার সময় কঠোর সমস্যার মুখোমুখি হয়েছিল, কারণ তাদের পক্ষে প্রণোদনা প্যাকেজে পাওয়া সহজ ছিল না। ফলে তাদের ব্যবসা চালিয়ে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।’ তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমানে সরকার ৩০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ থেকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল দিচ্ছে।’

উদ্যোক্তাদের মতে, ব্যাংকগুলো ক্ষুদ্র ঋণের ক্ষেত্রে যেসব শর্ত জুড়ে দেয়, তা কোনো ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর পক্ষেই পূরণ করা সম্ভব নয়। এছাড়া ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সঙ্গে সবসময় বিমাতাসুলভ আচরণ করে থাকে। ফলে অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তাদের কাছে যেতেও চান না।

সম্প্রতি বিশ্ব ব্যাংকের অংগ সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স করপোরেশন (আইএফসি)-এর এক সমীক্ষায় বলা হয়েছে, ‘করোনার কারণে এক মাসের ব্যবধানে বাংলাদেশের অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের (এমএসএমই) ৩৭ শতাংশ শ্রমিক সাময়িক বা স্থায়ীভাবে তাদের চাকরি হারিয়েছেন। এ সময় এমএসএমইর ৯৪ শতাংশ উদ্যোক্তার বিক্রি ব্যাপকভাবে কমেছে।

সোনালীনিউজ/এমটিআই

Haque Milk Chocolate Digestive Biscuit
Wordbridge School