• ঢাকা
  • শনিবার, ২৮ মে, ২০২২, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

সৌদি শ্রমবাজার নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ


নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারি ২১, ২০২২, ০২:০৬ পিএম
সৌদি শ্রমবাজার নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ

ঢাকা : সৌদি আরবে প্রবাসী শ্রমিকদের বাড়ছে নানা রকম জটিলতা। কোনো উপায় না পেয়ে দেশে ফিরে আসছেন অনেকে।

সৌদি শ্রমবাজার নিয়ে এসব উদ্বেগের কথা জানিয়ে গত বুধবার প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়কে চিঠি লিখেছে জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল অফিস।

ওই চিঠিতে বিদেশি কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের ওপর ইকামা খরচ বাড়ানো, প্রবাসী শ্রমিক নিয়োগ নিরুৎসাহিত করা এবং কর্মস্থলে সৌদিদের সংখ্যা বাড়ানো নিয়ে বিভিন্ন বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।

কনস্যুলেট জানায়, ২০১৮ সালের শুরু থেকে ২০২১ সালের তৃতীয় ত্রৈমাসিকের শেষ পর্যন্ত ৪৫ মাসের মধ্যে মোট ১০ লাখ ৫ হাজার পুরুষ ও মহিলা বিদেশি শ্রমিক সৌদি কর্মসংস্থানের বাজার ছেড়েছে। এই সংখ্যাটি দেশটিতে মোট বিদেশি কর্মীর ১০ দশমিক ১২ শতাংশ।

চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রবাসীদের ওপর বাড়তি ইকামা ফি আরোপকে সৌদি আরব থেকে তাদের ব্যাপক প্রস্থানের অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ২০১৮ সালে প্রবাসী ফির মাসিক পরিমাণ ছিল প্রতি কর্মী ৪০০ সৌদি রিয়াল। এই ফি ২০১৯ সালে ৬০০ এবং ২০২০ সাল থেকে ৮০০ সৌদি রিয়াল করা হয়েছে।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়কে পাঠানো চিঠিতে আরো বলা হয়েছে, প্রবাসী ফি আরোপের আগে ২০১৭ সালের শেষে অ-সৌদি শ্রমিকের সংখ্যা প্রায় ১০.৪২ মিলিয়নে দাঁড়িয়েছিল। এই সংখ্যা প্রতি বছর কমতে থাকে, যা ২০২১ শেষে ৯.৩৬ মিলিয়নে দাঁড়িয়েছে।

একই সময়ে সৌদি পুরুষ ও মহিলা কর্মীদের শ্রমবাজারে প্রবেশের সংখ্যা প্রায় ১ লাখ ৭৯ হাজার (পুরুষ ও মহিলা) বেড়েছে, যা আগের চেয়ে ৫ দশমিক ৬৬ শতাংশ বেশি। এতে বর্তমানে সৌদি কর্মীর সংখ্যা ৩ দশমিক ৩৪ মিলিয়নে দাঁড়িয়েছে। ২০১৭ সালে এ সংখ্যা ছিল ৩ দশমিক ১৬ মিলিয়ন।

জেনারেল অরগানাইজেশন ফর সোশ্যাল ইন্স্যুরেন্সে যোগদানের পর সামাজিক বীমার নিয়ম ও প্রবিধানের অধীন সৌদি পুরুষ ও মহিলাদের সংখ্যা বেড়েছে বলেও জানায় জেদ্দা কনস্যুলেট।

একই সময়ের মধ্যে আরো ৭ দশমিক ৭৩ শতাংশ বা ১ লাখ ৫৭ হাজারেরও বেশি পুরুষ ও মহিলা সৌদি কর্মচারী বীমা ডাটাবেসে অ্যাক্সেস পেয়েছে। এতে এই সিস্টেমের অধীনে থাকা মোট কর্মীদের সংখ্যা প্রায় ২ দশমিক ১৪ মিলিয়নে নিয়ে এসেছে।

সৌদি গেজেটের বরাতে জেদ্দা কনস্যুলেট থেকে আরো জানানো হয়, সিভিল সার্ভিস আইনের অধীন দেশটির কর্মক্ষেত্রে পুরুষ ও নারীকর্মীদের সংখ্যা প্রায় ২৬ হাজার বেড়েছে, যা প্রায় ২ শতাংশের সামান্য বেশি।

সোনালীনিউজ/এমটিআই

Wordbridge School
Sonali IT Pharmacy Managment System