• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২১, ১২ মাঘ ১৪২৭

মমতাজউদদীন আহমদ : আমার শিক্ষক


মাছুম বিল্লাহ নভেম্বর ২৭, ২০২০, ১২:৪২ পিএম
মমতাজউদদীন আহমদ : আমার শিক্ষক

মমতাজউদদীন আহমদ

ঢাকা : অনেক শিক্ষার্থীই শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন, অকৃত্রিম শ্রদ্ধা তাদের সরাসরি শিক্ষক আর জাতীয় ব্যক্তিত্ব জনাব মমতাজউদদীন আহমদ স্যারকে— তাই আমার মনে হয় বইয়ের নামটি ‘মমতাজউদদীন আহমদ : আমার শিক্ষক’ না হয়ে ‘মমতাজউদদীন আহমদ : আমাদের শিক্ষক’ হলে আরো ভালো হতো। প্রয়াত শিক্ষকের জন্য শিক্ষার্থীদের এ ধরনের দরদমাখা এবং কৃত্রিমতাবর্জিত সম্মানপ্রদর্শন ও স্মৃতিচারণ এই মূল্যবোধের অবক্ষয়ের যুগে এক বিরল দৃষ্টান্ত।

একজন ছাত্র লিখেছেন, “১৯৮০ সালে ইন্টারমিডিয়েট পাস করে রসায়নশাস্ত্রে ভর্তি হওয়ার অনেকদিন পর একদিন দেখি মমতাজউদদীন স্যারের বাংলা ক্লাসে উপচেপড়া ভিড়, এমনই ঠাসাঠাসি যে তিলধারণের ঠাঁই নেই, বাংলা বিভাগের ছাত্রছাত্রী শুধু নয়, অন্যান্য বিভাগের ছেলেমেয়েরাও এসে বেঞ্চে জায়গা না পেয়ে ক্লাসের দরজায় দাঁড়িয়ে স্যারের বক্তৃতা শুনছে। এটাকে ক্লাস নেওয়া বলে কি না জানি না, কেননা এরকম করেও যে পাঠদান করা যায় তার কোনো পূর্বঅভিজ্ঞতা তো ওই জীবনে হয়নি। পরে এরকম অভিজ্ঞতা আরো হয়েছিল ঢাকা কলেজে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যারের ক্লাস দেখতে গিয়ে। আমি যেদিন গিয়েছিলাম সেদিন রবীন্দ্রনাথের ‘হৈমন্তী’ নিয়ে শুরু করেছিলেন মমতাজ স্যার তার ক্লাস। পরের দিনের ক্লাসেও ওই ‘হৈমন্তী’, তার পরেরদিনও তাই। ‘হৈমন্তী’র ক্লাস তো আর শেষ হয় না। হবে কী করে, কথায় কথায় স্যারের আলাপ-আলোচনা বিশ্বভ্রমণে নেমে পড়েছিল; কিন্তু যা শুনেছি সবই ছিল আমাদের জন্য নতুন, কোনো কথাই আমাদের অবোধ্য ছিল না, অপ্রাসঙ্গিকও নয়। আর তার রসবোধও ছিল তেমন। ক্ষণে ক্ষণে হাসির রোল উঠেছে তো আবার পিনপতন নীরবতা। এক বন্ধুর সঙ্গে ভিড়ে গিয়েছিলাম স্যারের কথা শুনতে। এরপর থেকে কোনোদিন কখন স্যারের ক্লাস হয় সেই খোঁজ নিয়ে এভাবে যেতে যেতে রসায়নের ছাত্র হয়েও বাংলা বিভাগের একজন হয়ে উঠেছিলাম আমি। একটা সময়ে রসায়নের ক্লাসে আর যেতামই না। বাংলা বিভাগের ছেলেমেয়েরাই তখন আমার বন্ধু, সহপাঠী।”

এই উদাহরণ এ যুগের শিক্ষকদের শুনতে হবে, পড়তে হবে, পালন করতে হবে। কী শিক্ষক ছিলেন যে, চুম্বকের মতো অন্য বিভাগের শিক্ষার্থীরাও আকৃষ্ট হয়ে লেগে গিয়েছিলেন স্যারের ক্লাসে, স্যারের বিভাগে। এক ‘হৈমন্তী’ পড়াতেন দিনের পর দিন, কত রস, কত আবেগ, কত উদাহরণ দিয়ে, ভঙ্গিমা দিয়ে, দরদ দিয়ে বোঝাতেন যে তা কোনো শিক্ষার্থীরই না বোঝার কথা নয়। তাহলে শিক্ষার্থীরা কেন আকৃষ্ট হবে না তার ক্লাসে? আমি যখন নবীন শিক্ষক ‘কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজে, মনে আছে ‘এ মাদার ইন ম্যানভিল’ পড়াতে কয়েক মাস লেগেছিল। আর অন্য সেকশনে আমার এক সহকর্মী নাকি এক সপ্তাহেই শেষ করে দিয়েছেন। একদিন আমাকে বললেন, ‘এতদিন বসে একটি গল্প কী পড়ান? আমার মনে হয়েছিল গল্পের মধ্যে ঢুকে গেলে শুধু তো গল্প নয়, মাতৃত্ব, সামাজিকতা, এক সমাজ থেকে অন্য সমাজের পার্থক্য, মানুষের সাইকোলজিসহ বহুকিছু এসে ভিড় করতো যা ব্যাখ্যা না করলেই নয়। আমাদের মতো তরুণ শিক্ষকের ক্ষেত্রেই যখন এতটুকু ঘটত, তখন মমতাজউদদীন স্যার, আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যারদের মতো মহীরুহের ক্লাসে ‘হৈমন্তী’ পড়ানো তো দিনের পর দিন চলতে থাকবে এটিই স্বাভাবিক।

এখন কী হয়? এই ‘হৈমন্তী’ শিক্ষার্থীরা হয়তো ক্লাসে শোনেই না। হয়তো কোনো কোচিং সেন্টারে গিয়ে কিংবা কোনো বন্ধুর কাছ থেকে ধার করে কিছু নোট এনে গলাধঃকরণ করে পরীক্ষার খাতায় ঢেলে দেয়। কোথায় শিক্ষা? কোথায় শিক্ষকের পাণ্ডিত্যের সংস্পর্শে এসে শিক্ষার্থীদের উন্নয়নের উদাহরণ? একজন প্রাক্তন শিক্ষার্থী লিখেছেন, “ছাত্রদের শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে প্রচলিত পদ্ধতির সঙ্গে স্যার যোগ করেছিলেন নতুন কিছু পদ্ধতি, যা ছিল একান্তভাবেই তার নিজস্ব। সিলেবাস থেকে কোনো একটি বিষয় বেছে নিয়ে তার ওপর সেমিনারের আয়োজন করতেন স্যার। বছরে তিন থেকে চারবার। সেই সেমিনারগুলোর নাম ছিল ‘ধারাবাহিক সাহিত্যসভা’। সেখানে কখনো রবীন্দ্রনাথ, কখনো নজরুল, কখনো বঙ্কিম বা অন্য কোনো লেখককে নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হতো। আলোচনাটা এমনভাবে হতো যাতে সেই লেখক এবং তার রচনা সম্পর্কে একজন ছাত্রের মোটামুটিভাবে একটা সামগ্রিক ধারণা জন্মে যায়। এর জন্যে বিভাগীয় শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীদের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় থেকেও শিক্ষক ও গবেষকদের আমন্ত্রণ করে এনে বক্তৃতা করাতেন স্যার। এভাবে প্রচলিত শিক্ষাদান পদ্ধতিতে আমাদের ছাত্রদের জানার এবং বোঝার যে ঘাটতিটুকু  থাকত তা কৌশলে পূরণ করে দিতেন স্যার তাঁর সৃজনশীল মেধা আর স্বতন্ত্র ভাবনা দিয়ে। মাঝে মাঝে স্যার আমাদের বিভাগীয় চৌহদ্দি থেকে বের করে নিয়ে যেতেন নানান জায়গায়। কখনো ভারতীয় দূতাবাসের হলে, কখনো আমেরিকান দূতাবাসের হলে বসিয়ে বাংলা, ইংরেজি, হিন্দি ভাষায় নির্মিত সব বিখ্যাত চলচ্চিত্রের সঙ্গে আমাদের পরিচয় করিয়ে দিতেন। কখনো স্যার আমাদের পাঠকক্ষের ভেতরেই আয়োজন করতেন কবিতা পাঠের আসর। আমরা আমাদের স্বচ্ছন্দময় জায়গাতে বসেই প্রথিতযশা আবৃত্তিকারদের মনোজ্ঞ আবৃত্তি উপভোগ করার সুযোগ পেতাম। একটা কথা স্যার প্রায়ই বলতেন, বাংলা বিভাগের ছাত্ররা শুধু ক্লাসরুমে আবদ্ধ থাকবে না। তারা সাহিত্যের  আড্ডায় যাবে, মঞ্চে নাটক দেখবে, আবৃত্তির আসরে যাবে, শুদ্ধ-সংগীতের উৎসবে যাবে; তারা বাংলা ভাষা, বাংলা সাহিত্য, বাঙালি সংস্কৃতির সবগুলো শাখায় বিচরণ করবে।”

চমৎকার, কত আধুনিক ধ্যান-ধারণা! কোনো বিশেষ বিষয়ের ওপর যখন কোনো সেমিনারের আয়োজন করা হয়, সেখানে ওই নির্দিষ্ট বিষয়, নিদিষ্ট লেখকের ওপর আলোচনা হয় এবং আলোচনা করেন বিষয় বিশেষজ্ঞ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং ওই বিষয়ের গবেষকরা। তখন উপস্থিত শিক্ষার্থীরা বিষয়টি সম্পর্কে সার্বিক ধারণা পোষণ করতে পারেন, জানার ক্ষুধা তাদের বেড়ে যায়, যা ওই নির্দিষ্ট বিষয় ও লেখক সম্পর্কে আরো জানার সুযোগ করে দেয়। উপস্থিত শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন করার সুযোগ পান, এতে তাদের আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়। শুধু ক্লাসরুমের প্রচলিত পরিবেশের চেয়ে আলাদা সেটিংয়ে তাদের একঘেয়েমি কেটে যায়। পুরোপুরি শিক্ষার আধুনিক ধারণা— কজন শিক্ষক ধারণ করতেন ওই সময়ে? তাই তো কর্মজীবনে ঢুকে পড়া অনেক প্রতিষ্ঠিত প্রাক্তন শিক্ষার্থী হাজারো কর্মব্যস্ততা ফেলে রেখে এভাবে পালন করেন একজন শিক্ষকের জন্মদিন, মৃত্যুদিন— এত ভিন্নধর্মী ইতিহাস! ক্লাসের বাইরে ভারত ও মার্কিন দূতাবাসে নিয়ে যাওয়া, বিভিন্ন সাহিত্যের আড্ডায় নিয়ে যাওয়া পুরোপুরি শিক্ষাবিজ্ঞান যা তিনি প্রয়োগ করেছেন তার ম্যাচিউরড শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে। অথচ ছোট ছোট বাচ্চা যারা পাঁচ মিনিটও নীরবে বসে থাকতে পারে না, তাদেরকে আমরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা একই ক্লাসে ভয়ভীতি দেখিয়ে বসিয়ে রেখে পড়া গেলানোর চেষ্টা করি। তারা জানে না যে, শিশুদের একটু পর পর ক্লাসের বাইরে নিয়ে আসতে হয়, প্রকৃতির কাছে নিয়ে যেতে হয়। সুতরাং ‘মমতাজউদদীন আহমদ : আমার শিক্ষক’ বইটি  আজকের সব শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষা ব্যবস্থাপক ও প্রশাসকের পড়া উচিত। শিক্ষক প্রশিক্ষণ মহাবিদ্যালয় ও পিটিআই-তে যারা প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে আসেন, তাদের সবারও পড়া উচিত বলে আমি মনে করি।

সাহিত্যের নানা শাখায় আপনার বিচরণ ছিল ঈর্ষণীয়। কখনো মাইকেল মধুসূদন, রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, নাটক, অনুবাদ, সাহিত্য বিশেষ করে চর্যাপদ পড়ানোর কৌশলের কারণে সিলেবাসের প্রতিটি পদ আমাদের মুখস্থ হয়ে গিয়েছিল। আজো ভুলিনি সেসব কবিতা। একটা কঠিন বিষয় এত সহজ সরল প্রাঞ্জল ভাষায় উপস্থাপন করে শিক্ষার্থীদের মেধা-মননে দাগ কাটা যায়— তার প্রমাণ আপনি। একদিন কথাসাহিত্যিক শওকত আলী স্যার গর্বের সঙ্গে বলেছিলেন, ‘মমতাজ সাহেব যখন প্রস্তুতি নিয়ে ক্লাস করেন, তার স্টাইল, শব্দ, প্রক্ষেপণ, তথ্য ও তত্ত্বের পরিবেশনা সত্যিই বিরল।’ এক্ষেত্রে আপনি অদ্বিতীয়। হাত নাড়ানো, মুখের ভঙ্গি, শরীরী ভাষা ক্লাসে পায়চারীর গতিপ্রকৃতি নাটকীয়তা— সবই মনে রাখার মতো। বারবার মনে হয় যদি আবার পেতাম সে জীবন!

ধারাবাহিক সাহিত্য সভায় দেশের নামকরা গুণিজন, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথিতযশা শিক্ষকদের স্যার নিয়ে আসতেন। এরা হলেন— নাট্যজন আবুল হায়াত, কবি আসাদ চৌধুরী, অধ্যাপক মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, আবুল কালাম মনজুর মোর্শেদ, আনিসুজ্জামান, মুস্তফা নুরুল ইসলাম, হায়াত মাহমুদ, রফিকুল ইসলাম প্রমুখ। তাদের আগমনে এ সভা আলোকিত হয়ে উঠত। আমরা গভীরভাবে অনুভব করতাম তাদের কথা। বিভিন্ন বিষয়ে সেই জ্যোতির্ময় আলোচনাগুলো আমাদের সমৃদ্ধ করেছে। অজানাকে জানার ব্যাকুল আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এ সভার প্রধান একটি বৈশিষ্ট্য ছিল প্রতিযোগিতা। ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে দুই-তিনটি দলে বিভক্ত হয়ে নির্দিষ্ট বিষয়ের ওপর কুইজ প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন দ্বার উন্মোচন করেছিল।

অন্য এক প্রাক্তন শিক্ষার্থী স্যার সম্পর্কে লিখেছেন এভাবে, “স্যার এসে বাংলা বিভাগের চেহারাই পাল্টে ফেলেন। সৃষ্টি করেন মনোরম ভিন্ন এক পরিবেশ, পাঠদানের ক্ষেত্রে চালু করেন ভিন্ন ধারা। স্যারের চিন্তা ছিল, ছাত্রছাত্রীদের এমনভাবে শেখাতে হবে যেন শিক্ষা বা জ্ঞানার্জন তাদের কাছে হয়ে ওঠে আনন্দের এবং তারা তা সারাজীবন মনে রাখতে পারে। প্রথম ক্লাসেই স্যারের ব্যক্তিত্বের মাধুর্যে, সরলতায়, অকপটতায় মুগ্ধ হয়ে গেলাম। স্যারের পড়ানোর স্টাইল আমাকে এতটাই সম্মোহিত করত যে, আমি সচেতনভাবেই বলছি পর্দায় সিনেমা দেখতেও হয়তো আমি এতটা ডুবে যেতাম না। কী এক ক্লাসিক পরিতৃপ্তি! পুরনো ভাবকে ভেঙেচুরে নতুন এক আবহ সৃষ্টির মাধ্যমে আমাদের চিন্তাধারাকে এত স্পষ্ট করে তুলে ধরার প্রচেষ্টা একমাত্র স্যারই পেরেছিলেন। আমরা হাতেনাতে এর প্রমাণও পেয়েছি। একইভাবে পাঠ্য নাটক শুধু ক্লাসে পড়া নয়, পাশাপাশি মঞ্চায়নও হতো। এর ফলে বইগুলো চলে আসত শিক্ষার্থীদের নখদর্পণে। ফলে ওই নাটক সারাজীবনে কারো ভুলে যাওয়ার কথা নয়। ক্লাসে কবিতা নিয়ে যেমন আলোচনা হতো, তেমনি ছিল তা আবৃত্তির ব্যবস্থাও। এমন শিক্ষকই তো জাতিকে পথপ্রদর্শন করতে পারেন। আর তাই যুগে যুগে শিক্ষককে সমাজ অন্য চোখে দেখে আসছে। মমতাজ স্যারের নবীন, প্রবীণ, বর্তমান এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা প্রকৃত শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছেন তাদের প্রিয় শিক্ষককে যার দলিলগুলো বহন করছে এই বই— ‘মমতাজউদদীন আহমদ : আমার শিক্ষক’। মনন প্রকাশ থেকে প্রকাশিত ২১৬ পৃষ্ঠার এই বইটি সব শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর পড়া অত্যাবশ্যক বলে মনে করছি।

লেখক : শিক্ষক ও গবেষক

 

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব ভাবনার প্রতিফলন। সোনালীনিউজ-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে লেখকের এই মতামতের অমিল থাকাটা স্বাভাবিক। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য সোনালীনিউজ কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না। এর দায় সম্পূর্ণই লেখকের।