• ঢাকা
  • শনিবার, ২১ মে, ২০২২, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

স্বাধীনতা সংগ্রামে বঙ্গমাতার অবদান অনস্বীকার্য


শাহীন চৌধুরী ডলি ডিসেম্বর ২৪, ২০২১, ০২:২৬ পিএম
স্বাধীনতা সংগ্রামে বঙ্গমাতার অবদান অনস্বীকার্য

ঢাকা : কবি কাজী নজরুল ইসলাম বলেছেন, ‘কোনোকালে একা হয়নিকো জয়ী পুরুষের তরবারি/শক্তি দিয়াছে, প্রেরণা দিয়াছে, বিজয় লক্ষ্মী-নারী।’

ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, যুগে যুগে কালে কালে পুরুষের অর্জনের পাশে কোনো না কোনো নারীর ভূমিকা রয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে যে নারীর ত্যাগ ও সংগ্রাম জড়িয়ে আছে তিনি বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য সহধর্মিণী বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব। দেশপ্রেমের অগ্নিপরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে সব রাজনৈতিক আন্দোলন ও সংগ্রামে নিজেকে যুক্ত রেখেছেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তো বটেই বঙ্গবন্ধুর পুরো রাজনৈতিক জীবনে ছায়ার মতন পাশে ছিলেন এই মহীয়সী নারী।

১৯৩০ সালের বর্ষাকাল, দিনটা ছিল ৮ আগস্ট। ফুলের মতন গায়ের রং নিয়ে ফুটফুটে শিশুটি জন্ম নিয়েছিল গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে। তার নাম রাখা হলো রেণু। ভাগ্যের কী নিষ্ঠুর পরিহাস! তিন বছর বয়সে বাবা শেখ জহুরুল ইসলাম এবং পাঁচ বছর বয়সে মা হোসনেয়ারা বেগমকে  হারান তিনি। সাত বছর বয়সে হারান নিজের দাদাকে। পাঁচ বছরের এতিম রেণুকে নিয়ে আসা হয় বঙ্গবন্ধুদের বাড়িতে। বঙ্গবন্ধুর মাতা সায়েরা খাতুন তাকে নিজ সন্তান স্নেহে লালনপালন করেন। বঙ্গবন্ধুর বয়স যখন বিশ বছর তখন রেণুর সাথে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়ের সময় রেণু ছিলেন মাত্র তের বছরের কিশোরী। রেণু প্রথমে গোপালগঞ্জ মিশন স্কুলে ও পরবর্তীতে গৃহশিক্ষকের কাছে পড়াশোনা করেন। বড় ধরনের কোন প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি অর্জন না করলেও তিনি ছিলেন স্বশিক্ষিত। তার ছিল জ্ঞানপিপাসু মন। তার সংগ্রহে ছিল অনেক বই, গ্রামোফোন গানের রেকর্ড, সঙ্গীতের নানারকম বাদ্যযন্ত্র।

প্রাথমিক জীবনে নিজের লেখাপড়া না এগুলেও স্বামীর শিক্ষার ব্যাপারে তার ছিল সজাগ দৃষ্টি। বঙ্গবন্ধু লিখেছেন, ‘কলকাতা যাব, পরীক্ষাও নিকটবর্তী। লেখাপড়া তো মোটেই করি না। ভাবলাম কিছুদিন লেখাপড়া করব। মাহিনা বাকি পড়েছিল, টাকা-পয়সার অভাবে। রেণুর কাছে আমার অবস্থা প্রথমে জানালাম। আব্বাকে বললে তিনি অসন্তুষ্ট হলেন বলে মনে হলো। কিছুই বললেন না। টাকা দিয়ে আব্বা বললেন, ‘কোনো কিছুই শুনতে চাই না। বিএ পাস ভালোভাবে করতে হবে। অনেক সময় নষ্ট করেছ, পাকিস্তানের আন্দোলন বলে কিছুই বলি নাই। এখন কিছুদিন লেখাপড়া কর।’ আব্বা-আম্মা, ভাইবোনদের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে রেণুর ঘরে এলাম বিদায় নিতে। দেখি কিছু টাকা হাতে করে দাঁড়িয়ে আছে। অমঙ্গল অশ্রুজল বোধ হয় অনেক কষ্টে বন্ধ করে রেখেছে। বলল, ‘একবার কলকাতা গেলে আর আসতে চাও না এবার কলেজ ছুটি হলেই বাড়ি এসো’।’

শেখ মুজিবুর রহমান কেবল একটি নাম নয়, একটি ইতিহাস। তিনি কেবল একজন সফল রাজনীতিবিদ নন, একজন সফল মানুষও ছিলেন। বঙ্গবন্ধু যেমন মহামানব ছিলেন, তার সহধর্মিণী বঙ্গমাতাও তাই। বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শন ও আদর্শকে বাস্তবায়ন করতে পেছন থেকে কাজ করেছেন শেখ মুজিবের প্রিয় রেণু। বঙ্গবন্ধু, বাঙালি, বাংলাদেশ যেমন একসূত্রে গাঁথা, তেমনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবও পরস্পর অবিচ্ছেদ্য নাম। অথচ বঙ্গবন্ধুর পাশে থেকে বাঙালির জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে যাওয়া বেগম ফজিলাতুন নেছার নাম ইতিহাসে সেভাবে লেখা হয়নি।

কবি সুফিয়া কামালের স্মৃতিচারণায়; এ বি এম মুসা, ফয়েজ আহমেদ, আবদুল গাফফার চৌধুরী এবং বঙ্গমাতার কন্যা শেখ হাসিনা ও তার স্বামী ড. ওয়াজেদ মিয়ার লেখা ও স্মৃতিচারণ থেকে বঙ্গমাতা সম্পর্কে কিছুটা জানা যায়। বঙ্গবন্ধু তার কারাগারের রোজনামচা এবং অসমাপ্ত আত্মজীবনী বইগুলোতে বঙ্গমাতা সম্পর্কে লিখেছেন। বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনী রচনার পেছনে স্ত্রীর উদ্যোগ ও উৎসাহ পাওয়া সম্পর্কে তিনি লিখেছেন, ‘আমার স্ত্রী আমাকে কয়েকটা খাতাও কিনে জেল গেটে জমা দিয়ে গিয়েছিল। জেল কর্তৃপক্ষ যথারীতি পরীক্ষা করে খাতা কয়টা আমাকে দিয়েছেন। রেণু আরো একদিন জেল গেটে বসে আমাকে অনুরোধ করেছিল। ‘বসেই তো আছ, লেখো তোমার জীবনের কাহিনি’। বললাম, লিখতে যে পারি না; আর এমন কী করেছি যা লেখা যায়! আমার জীবনের ঘটনাগুলো জেনে জনসাধারণের কি কোনো কাজে লাগবে? কিছুই তো করতে পারলাম না। শুধু এইটুকু বলতে পারি, নীতি ও আদর্শের জন্য সামান্য একটু ত্যাগ স্বীকার করতে চেষ্টা করেছি।’

ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, বিখ্যাত ব্যক্তিত্বদের পাশাপাশি তাদের সহধর্মিণীদের নামের উপর আলো এসে পড়ে। যেমন—নেলসন ম্যান্ডেলার সঙ্গে উইনি ম্যান্ডেলার, মহাত্মা গান্ধীর সঙ্গে সহধর্মিণী কস্তুরবার, জওহরলাল নেহরুর সঙ্গে কমলা নেহেরু, চিত্তরঞ্জন দাসের সঙ্গে তার সহধর্মিণী বাসন্তী দেবীর নাম সম্মানের সঙ্গে উচ্চারিত হয়। কিন্তু আমরা বঙ্গমাতার অবদানকে মূল্যায়ন করতে পারিনি। বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী হিসেবেই কেবল ফজিলাতুন নেছা মুজিব বঙ্গমাতা নন। ফজিলাতুন নেছা মুজিবের আত্মত্যাগ, প্রজ্ঞা, বিচক্ষণতা, রাজনৈতিক দূরদর্শিতা আর বাংলাদেশের জন্মের সঙ্গে তার একান্তভাবে জড়িয়ে থাকার স্বীকৃতি হিসেবেও তিনি জাতির বঙ্গমাতা। বঙ্গবন্ধু জীবনে অনেক ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করেছেন, এজন্য অনেক কষ্ট-দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে তাকে। বঙ্গবন্ধুর সমগ্র রাজনৈতিক জীবনে ছায়ার মতো অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অফুরান প্রেরণার উৎস ছিলেন বেগম মুজিব। একজন নীরব দক্ষ সংগঠক হিসেবে যিনি নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে বাঙালির মুক্তি সংগ্রামে ভূমিকা রেখেছেন এবং বঙ্গবন্ধুকে হিমালয় সমাসনে অধিষ্ঠিত করেছেন তিনি বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব।

১৯৬৬ সালে বাঙালি জাতির মুক্তিসনদ ছয় দফা ঘোষণার পর বঙ্গবন্ধু যখন বারে বারে পাকিস্তানি শাসকদের হাতে বন্দি জীবনযাপন করছিলেন, তখন দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা বঙ্গমাতার কাছে ছুটে আসতেন। তিনি তাদের বঙ্গবন্ধুর বিভিন্ন দিকনির্দেশনা বুঝিয়ে দিতেন এবং লড়াই-সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার জন্য অনুপ্রেরণা জোগাতেন, যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। ছয় দফা আন্দোলনের পক্ষে জনসমর্থন আদায় ও জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে লিফলেট হাতে রাস্তায় নেমেছিলেন বঙ্গমাতা। এ সময় তিনি নিজের অলংকার বিক্রি করে সংগঠনের প্রয়োজনীয় চাহিদা মিটিয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের নেপথ্যেও ছিল তার সঠিক দিকনির্দেশনা। তিনি বঙ্গবন্ধুকে বলেছিলেন—‘সারাজীবন তুমি সংগ্রাম করেছ, তুমি জেল-জুলুম অত্যাচার সহ্য করেছ, তুমি জানো যে এ দেশের মানুষের জন্য কী চাই, তোমার থেকে বেশি কেউ জানে না, তোমার মনে যে কথা আসবে তুমি শুধু সেই কথাই বলবে। কারো কথা শুনতে হবে না। তুমি নিজেই জানো তোমাকে কী বলতে হবে। তোমার মনে যে কথা আসবে তুমি সে কথাই বলবা।’

বঙ্গবন্ধু যতটা না ঘরের মানুষ ছিলেন তার চেয়ে বেশি ছিলেন সাধারণ মানুষের। বিয়ের পর বেগম মুজিব আর দশজন সাধারণ নারীর মতন স্বামীকে কাছে পাননি। এই নিয়ে তার মনে কোনো আক্ষেপ ছিল না। বরং সবসময় বঙ্গবন্ধুর পাশে ছায়ার মতন ছিলেন। তিনি সংসারের সব ঝামেলা একা হাতে সামলাতেন। এমন অনেক ঈদ গেছে যখন বঙ্গবন্ধুকে জেলে থাকতে হয়েছে। তিনি দেশের স্বার্থে ঈদের আনন্দ বিসর্জন দিয়েছেন। সন্তানদের কখনো বাবার অভাব বুঝতে দেননি। সন্তানদের বুঝাতেন, তাদের বাবা বাংলার মানুষের স্বাধীনতার জন্য আন্দোলন করছে। বেগম মুজিব পরিবারের হাল শক্ত হাতে ধরেছিলেন বলেই বঙ্গবন্ধুকে সংসার ও পরিবার নিয়ে ভাবতে হয়নি। বঙ্গবন্ধুকে বাংলাদেশের সবার জন্য ভাবার সুযোগ তিনিই করে দিয়েছিলেন।

বঙ্গবন্ধু তার ‘কারাগারে রোজনামচা’ বইয়ে সংসার সম্পর্কে লিখেছেন—‘রেণু বলল, (সংসার নিয়ে) চিন্তা তোমার করতে হবে না। সত্যই আমি কোনোদিন চিন্তা বাইরেও করতাম না। সংসারের ধার আমি খুব কমই ধারি।’

বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের বিভিন্ন অধ্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। অনেক জটিল ও সংকটময় পরিস্থিতিতে বঙ্গবন্ধুর পাশে থেকে তাকে পরামর্শ দেওয়া ও সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহযোগিতা করেছেন। বঞ্চিত নিপীড়িত বাঙালির অধিকারের জন্য আন্দোলন করায় পাকিস্তানি শাসক শ্রেণির আক্রোশে বঙ্গবন্ধু যখন নিয়মিত জেল-জুলুমের শিকার হতেন, তখন বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব চরম ত্যাগ স্বীকার করে সন্তান-সংসার আগলে রাখেন। একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে বাঙালির মুক্তিসংগ্রামকে এগিয়ে নিতে গৃহবন্দি অবস্থায়ও তিনি ভূমিকা রেখেছেন। তিনি কেবল বঙ্গবন্ধুর পাশেই ছিলেন না, দুঃসময়ে দলীয় নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন। তিনি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের অর্থ দিয়েও সহযোগিতা করেছেন। শহীদ পরিবার, মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যক্তিগতভাবে অর্থ দিয়ে সাহায্য করেছেন। স্বাধীনতার পর বীরাঙ্গনাদের উদ্দেশে বঙ্গমাতা বলেন—‘আমি তোমাদের মা।’ অনেক বীরাঙ্গনাকে নিজে দাঁড়িয়ে থেকে বিয়ে দিয়ে সামাজিকভাবে মর্যাদাসম্পন্ন জীবন উপহার দিয়েছেন।

অত্যন্ত সাদামাটা জীবনযাপনে অভ্যস্ত তার মাঝে বাঙালি মায়ের চিরন্তন ছবি খুঁজে পাওয়া যায়। আর দশজন বাঙালি নারীর মতন তিনি স্বামী-সন্তানদের জন্য নিজের হাতে রান্না করতেন। রাষ্ট্রপতির স্ত্রী হয়েও তার কোনো চাহিদা ছিল না। রাষ্ট্রপতি হয়েও বঙ্গবন্ধু বঙ্গভবনে না থেকে থাকতেন ৩২ নম্বরের বাড়িতে। ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িটিও ফজিলাতুন নেছা করেছিলেন হাউজ বিল্ডিং থেকে লোন নিয়ে। বঙ্গবন্ধুর যোগ্য সহধর্মিণী কোনো রকম রাষ্ট্রীয় প্রোটোকল চাইতেন না। এত সাধারণ জীবন আর কোনো রাষ্ট্রপতির স্ত্রী যাপন করেছেন বলে ধারণা নেই।

নিভৃতচারী বেগম মুজিব আজীবন তার স্বামীর আদর্শকে নিজ জীবনে লালন করে গেছেন। তিনি অনন্য এক মা। তার স্নেহের পরশমাখা দরদি হাতের খাবার খেয়েছেন বহু বাঙালি মায়ের সন্তান। ৩২ নম্বরের বাড়িটি ছিল বাঙালির ঠিকানা। বাঙালির অধিকার ছাড়া শেখ মুজিবের কাছে প্রধানমন্ত্রিত্ব বা সরকারের কোনো আকর্ষণ ছিল না। বঙ্গমাতা একই আদর্শে নিজেকে এবং সন্তানদের গড়ে তোলেন। সহধর্মিণী হওয়ার পাশাপাশি রাজনৈতিক সহকর্মী হিসেবেও আজীবন প্রিয়তম স্বামী শেখ মুজিবের ছায়াসঙ্গী ছিলেন শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব। নিয়তির নিষ্ঠুর পরিহাসে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালো রাতে বঙ্গবন্ধু এবং পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে ঘাতকের বুলেটে শহীদ হন বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব। বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশের জনগণ তাকে বঙ্গমাতা উপাধিতে ভূষিত করেছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে বঙ্গবন্ধু এবং বঙ্গমাতার নাম চিরভাস্বর হয়ে থাকবে। বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তীতে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের প্রতি জানাই জাতির শ্রদ্ধাঞ্জলি।

লেখক : মুক্তগদ্য লেখক
[email protected]

 

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব ভাবনার প্রতিফলন। সোনালীনিউজ-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে লেখকের এই মতামতের অমিল থাকাটা স্বাভাবিক। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য সোনালীনিউজ কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না। এর দায় সম্পূর্ণই লেখকের।

Wordbridge School
Sonali IT Pharmacy Managment System