• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ১৮ আগস্ট, ২০২২, ৩ ভাদ্র ১৪২৯

পুরান ঢাকায় যেভাবে এলো ‘সাকরাইন’


নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারি ১৪, ২০২২, ০৪:৪৫ পিএম
পুরান ঢাকায় যেভাবে এলো ‘সাকরাইন’

ঢাকা: বাংলা পৌষ মাসের শেষে শীত মৌসুমের বার্ষিক উৎসবকে ‘সাকরাইন উৎসব’ নামে পালন করা হয়। বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পুরান ঢাকার ছোট-বড় সবাই মেতে ওঠে এ উৎসবে।

উৎসবটি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের হলেও বহু বছর ধরে পুরান ঢাকায় সাড়ম্বরে পালিত হচ্ছে সাকরাইন উৎসব। পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী সাকরাইন উৎসবকে ‘পৌষ সংক্রান্তি’ বা ঘুড়ি উৎসবও বলা হয়ে থাকে।

সংস্কৃত শব্দ ‘সংক্রান্তি’ ঢাকাইয়া অপভ্রংশে সাকরাইন রূপ নিয়েছে। পৌষ মাসের শেষ দিনে এই সাকরাইন উৎসব আয়োজন করা হয়। তবে বাংলা ক্যালেন্ডার ও পঞ্জিকা তারিখের সঙ্গে কিছুটা পার্থক্যের কারণে প্রতি বছর দুই দিনব্যাপী এই উৎসবটি পালন করেন পুরান ঢাকা বাসিন্দারা।

এই উৎসব সম্পর্কে পুরান ঢাকার একজন বাসিন্দা বলছিলেন, হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা একে ‘পৌষ সংক্রান্তি’ বলে থাকেন। তবে পুরান ঢাকায় একে বলা হয় সাকরাইন উৎসব। দুটা একই উৎসব হলেও হিন্দু ধর্মালম্বীদের মধ্যে পূজার বিষয়টা রয়েছে, যা মুসলমানদের মধ্যে নেই।  

সাকরাইনের প্রধান আকর্ষণ ঘুড়ি খেলা। তাই উৎসবের দিন বিকেল থেকে পুরান ঢাকার প্রতিটি বাড়ির ছাদ থেকে শত শত ঘুড়ি উড়তে থাকে। ঢাকার অন্য অঞ্চল থেকেও হাজারো মানুষ ভিড় জমান ঐতিহ্যবাহী এই উৎসবটি উপভোগ করতে।  

শুধু ঘুড়ি ওড়ানোই নয়, ঘুড়ি কাটাকুটি খেলাও শুরু হয়ে যায়। রং-বেরঙের ঘুড়ি এক সঙ্গে উড়ে ঢাকার আকাশকে বর্ণিল করে তোলে। সন্ধ্যা নামলে খেলা শেষে শুরু হয় আতশবাজি, শত শত ফানুসে ছেয়ে যায় বুড়িগঙ্গা তীরবর্তী শহরের আকাশ।তবে এবছর সাকরাইন উৎসবে আতশবাজি ও ফানুস ওড়ানোয় নিষেধাজ্ঞা জারি করতে যাচ্ছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ।

সোনালীনিউজ/আইএ

Wordbridge School
Sonali IT Pharmacy Managment System