৭ বিঘা জমির তরমুজ গাছ উপড়ে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা

  • পাবনা প্রতিনিধি | সোনালী নিউজ
  • প্রকাশিত: মার্চ ১২, ২০২৬, ০৬:৫১ পিএম
৭ বিঘা জমির তরমুজ গাছ উপড়ে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা

ছবি: প্রতিনিধি

পাবনার চাটমোহরে কৃষক সাজেদুল ইসলামের ৭ বিঘা জমির তরমুজ গাছ উপড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এতে প্রায় ৮ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক। এ ঘটনায় বিচার চেয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তিনি।

গত মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাতের কোনো এক সময় এ ঘটনা ঘটে। পরদিন বুধবার (১১ মার্চ) দুপুরে জমিতে গিয়ে সব তরমুজ গাছ উপড়ে ফেলা দেখতে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন ওই কৃষক।

ভুক্তভোগী কৃষক সাজেদুল ইসলাম উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের গোপালপুর মুসুল্লিপাড়া গ্রামের শাজাহান আকন্দের ছেলে। অভিযুক্ত নারীর নাম আসমানী খাতুন। তিনি পার্শ্ববর্তী নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার জোনাইল ইউনিয়নের চামটা গ্রামের আব্দুর রহিমের স্ত্রী।

সাজেদুল ইসলাম বলেন, ঋণ করে চলনবিলে ১০ বিঘা জমি লিজ নিয়ে আবাদ করছেন। এর মধ্যে ৭ বিঘা জমিতে রসুনের সঙ্গে তরমুজ এবং ৩ বিঘা জমিতে রসুনের সঙ্গে ঝিঙে চাষ করেছেন। প্রায় ৮ থেকে ১০ দিন আগে আসমানী খাতুনসহ কয়েকজন নারী শ্রমিককে কাজে নিয়েছিলেন। সে সময় আসমানী পাঁচজন শ্রমিকের জায়গায় ছয়জন শ্রমিক নিয়ে আসেন। তিনি জানান, পাঁচজনের বেশি শ্রমিক নেওয়া হবে না বলায় কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে আসমানী খাতুন হুমকি দেন—ছয়জনকে কাজে না নিলে এর পরিণতি ভালো হবে না।

তিনি আরও বলেন, বুধবার দুপুরে জমিতে গিয়ে দেখেন জমির সব তরমুজ গাছ উপড়ে ফেলে আইলের বিভিন্ন স্থানে স্তুপ করে রাখা হয়েছে। আগের দিন রাতের কোনো এক সময় এ ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তার বিশ্বাস, কাজে না নেওয়ার কারণেই আসমানী খাতুন এই কাজ করেছেন।

সাজেদুল ইসলামের পাশের জমিতে চাষাবাদ করা মর্জিনা খাতুন বলেন, সাজেদুলের জমির পাশাপাশি তার জমির তরমুজ গাছও উপড়ে ফেলা হয়েছে। তিনি লিজ নিয়ে দশ কাঠা জমিতে রসুনের সঙ্গে তরমুজ আবাদ করেছিলেন। এতে তারও ক্ষতি হয়েছে। তার ধারণা, একই ব্যক্তি উভয় জমির তরমুজ গাছ নষ্ট করেছে।

এ ঘটনায় আসমানী খাতুনকে দায়ী করে বুধবার রাতে থানায় অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানান সাজেদুল ইসলাম।

চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম সারোয়ার হোসেন বলেন, ভুক্তভোগীকে লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এসএইচ 

Link copied!