চুয়াডাঙ্গায় ৪৬০০ হেক্টরে তুলার বাম্পার ফলন

  • আকিমুল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গা | সোনালী নিউজ
  • প্রকাশিত: মার্চ ১২, ২০২৬, ০৭:০৩ পিএম
চুয়াডাঙ্গায় ৪৬০০ হেক্টরে তুলার বাম্পার ফলন

ছবি: প্রতিনিধি

চুয়াডাঙ্গায় অর্থকরী ফসল হিসেবে তুলা আবাদ দিন দিন বিস্তৃত হচ্ছে। চলতি মৌসুমে জেলার চারটি উপজেলায় ৪ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে তুলা চাষ হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। অনুকূল আবহাওয়া এবং রোগবালাইহীন মৌসুমের কারণে তুলার বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষকরা।

জেলা তুলা উন্নয়ন দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর জেলায় প্রায় ১২ হাজার মেট্রিক টন তুলা উৎপাদিত হবে। যার বাজারমূল্য ১০৫ কোটি টাকারও বেশি হতে পারে। এতে স্থানীয় কৃষি অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।

প্রতি বছর নভেম্বরের শুরুতে জেলায় তুলা আবাদ শুরু হয়। প্রতি বিঘায় উৎপাদন খরচ ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকার মধ্যে থাকলেও ফলন পাওয়া যায় ১৪ থেকে ১৬ মণ। বাজারদর অনুযায়ী বিঘাপ্রতি আয় দাঁড়ায় প্রায় ৫৩ থেকে ৬১ হাজার টাকা। ফলে তুলা চাষ কৃষকদের জন্য লাভজনক আয়ের একটি নির্ভরযোগ্য উৎস হয়ে উঠছে। স্বল্প সময়ে ফসল উত্তোলন, তুলনামূলক কম খরচ এবং নিশ্চিত লাভ কৃষকদের আগ্রহ আরও বাড়িয়ে তুলছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এতে দেশের তুলা আমদানিনির্ভরতাও কিছুটা কমবে।

কৃষকদের দাবি, মাঠজুড়ে তুলা গাছের বৃদ্ধি ও ফুলের পরিমাণ এবার স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি। ফলে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

জেলা তুলা উন্নয়ন কর্মকর্তা দেবাশীষ বলেন, জেলায় মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ ৯৪ হাজার ২২০ হেক্টর। এর মধ্যে ৪ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে তুলা আবাদ হয়েছে। উৎপাদিত তুলার বাজারমূল্য ১০৫ কোটি টাকারও বেশি হতে পারে বলে তাদের ধারণা।

চুয়াডাঙ্গায় তুলা উৎপাদনের এই ধারাবাহিক অগ্রগতি কৃষকদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর পাশাপাশি স্থানীয় শিল্পায়নের সম্ভাবনাকেও আরও এগিয়ে দিচ্ছে।

এসএইচ 

Link copied!