বিনা জামানতে ১০ লাখ টাকা ঋণ পাবেন নতুন উদ্যোক্তারা

  • নিজস্ব প্রতিবেদক | সোনালী নিউজ
  • প্রকাশিত: জুলাই ১২, ২০২৬, ০৬:১৩ পিএম
বিনা জামানতে ১০ লাখ টাকা ঋণ পাবেন নতুন উদ্যোক্তারা

ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা: নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য ঋণ প্রাপ্তি সহজ করতে বড় ধরনের আর্থিক সুবিধার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। এখন থেকে নতুন উদ্যোক্তারা কোনো জামানত ছাড়াই সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ পাবেন। একই সঙ্গে স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের জন্য মাত্র ৪ শতাংশ সুদে ৫০০ কোটি টাকার একটি বিশেষ পুনঃঅর্থায়ন তহবিল চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

রোববার (১২ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ২৩তম দিনে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ তথ্য জানান। বিকেল ৩টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়। কুড়িগ্রাম-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাহবুবুল আলমের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী সরকারের এসব উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।

অর্থমন্ত্রী সংসদকে জানান, তরুণ ও নতুন উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংক কুটির, মাইক্রো ও ক্ষুদ্র (সিএমএসএমই) খাতের নতুন উদ্যোক্তা পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের আকার ১০০ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০০ কোটি টাকায় উন্নীত করেছে। এই তহবিলের আওতায় নতুন উদ্যোক্তারা সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ সুদে বিনা জামানতে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন। তবে জামানত সাপেক্ষে এই ঋণের পরিমাণ হতে পারবে সর্বোচ্চ ৩৫ লাখ টাকা পর্যন্ত।

স্টার্টআপদের জন্য বিশেষ সুবিধার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের অর্থায়ন সহজ করতে ৫০০ কোটি টাকার 'স্টার্টআপ ফান্ড' নামে একটি পৃথক পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন করা হয়েছে। এই তহবিল থেকে উদ্যোক্তারা মাত্র ৪ শতাংশ নামমাত্র সুদে ঋণ সুবিধা পাবেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ঋণের পাশাপাশি স্টার্টআপগুলোতে ইক্যুইটি বিনিয়োগের সুযোগ তৈরির করা হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে দেশের ৩৯টি তফসিলি ব্যাংকের অংশীদারিত্বে 'বাংলাদেশ স্টার্ট-আপ ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি, পিএলসি' গঠন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সম্ভাবনাময় স্টার্টআপগুলো সরাসরি ইক্যুইটি সহায়তা বা মূলধনী বিনিয়োগ গ্রহণ করতে পারবে।

বেকার যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থানে সরকারের চলমান উদ্যোগ সম্পর্কে অর্থমন্ত্রী জানান, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও বাস্তব অভিজ্ঞতাসম্পন্ন শিক্ষিত ও অর্ধশিক্ষিত বেকারদের স্বল্প সুদে ঋণ দিতে কর্মসংস্থান ব্যাংকের মাধ্যমে ১ হাজার কোটি টাকার একটি তহবিল পরিচালিত হচ্ছিল। বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত এই তহবিলটি ২০২৫ সালের ১৪ জুলাই সফলভাবে সমাপ্ত হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় এখন ১ হাজার ২০০ কোটি টাকার আরও একটি বড় তহবিল গঠনের কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

এএইচ/পিএস

Link copied!