যৌন সম্পর্কের বিনিময়ে পদ পদবী ও মন্ত্রীত্ব দিতেন মোদী

  • আন্তর্জাতিক ডেস্ক | সোনালী নিউজ
  • প্রকাশিত: মার্চ ২৮, ২০২৬, ০৪:৪৬ পিএম
যৌন সম্পর্কের বিনিময়ে পদ পদবী ও মন্ত্রীত্ব দিতেন মোদী

ছবি: সংগৃহীত

দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম দেশ ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গন এখন তোলপাড়-ক্ষমতাসীন বিজেপির বিরুদ্ধে একের পর এক যৌন কেলেঙ্কারি অভিযোগ সামনে আসছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা নামগুলো শুধু স্থানীয় নেতা নয়, অভিযোগ উঠেছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধেও।

ভারতের সংসদ সদস্য ও বিজেপি নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামী এক পডকাস্টে দাবি করেছেন, কিছু নারী মোদীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের বিনিময়ে রাজনীতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন। তাদের মধ্যেই কেউ কেউ সাংসদ ও মন্ত্রী হয়েছেন। এই অভিযোগ প্রকাশের পর দেশজুড়ে রাজনৈতিক এবং সামাজিক বিতর্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র এবং গোয়ার বিভিন্ন ঘটনাও আলোচনার কেন্দ্রে। মহারাষ্ট্রের প্রভাবশালী জ্যোতিষী ও ধর্মগুরু অশোক খারাটকে অভিযুক্ত করা হয়েছে ওষুধ প্রয়োগ করে মহিলাদের হিপনোটাইজ করে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের জন্য। পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৫০ জন মহিলার সঙ্গে সম্পর্কের ভিডিও উদ্ধার করেছে। একই সময়ে খাদ্য ও ঔষধ প্রশাসন মন্ত্রী নরহরি জিরওয়ালের সঙ্গে ট্রান্সজেন্ডার নারীর সম্পর্কের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।

গোয়াতে কুরচোরেম পুরসভার বিজেপি কাউন্সিলারের ছেলে সোহম সুশান্ত নায়েকও নাবালিকাদের সঙ্গে যৌন সংসর্গ এবং ভিডিও সংগ্রহের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন। ধৃতের বিরুদ্ধে অভিযোগ, গত তিন বছর ধরে অন্তত ২৫–৩০ নাবালিকা তার লালসার শিকার হয়েছে।

ঘটনার পর মহারাষ্ট্র সরকার বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করেছে। অশোক খারাটসহ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও অন্যান্য মামলা দায়ের হয়েছে। গোয়ার ঘটনার প্রেক্ষাপটও তদন্তাধীন।

এই যৌন কেলেঙ্কারি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় প্রশ্ন উত্থাপন করেছে। বিরোধী দলগুলো সোচ্চার, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে, এবং প্রধানমন্ত্রী ও বিজেপি নেতৃত্বের ভাবমূর্তিকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।

এসএইচ 

Link copied!