ছবি : সংগৃহীত
ঢাকা: হরমুজ প্রণালীর ওপর ইরানি বাহিনীর গুলিতে একটি মার্কিন হেলিকপ্টার ভূপাতিত হওয়ার পর এর প্রতিক্রিয়ায় তারা ইরানের বিরুদ্ধে “আত্মরক্ষামূলক হামলা” পরিচালনা করেছে। এর জবাবে কুয়েত-বাহরাইন ও জর্ডানের মার্কিন ঘাটিতে একযোগে হামলা করেছে ইরান।
বুধবার (১০ জুন) ইরানের অভিজাত সামরিক বাহিনী ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড (আইআরজিসি) এ তথ্য জানিয়েছে। এই সংঘর্ষের মাধ্যমে গত এপ্রিল মাসে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর থেকে সবচেয়ে বড় সহিংসতার ঘটনা ঘটল।
দক্ষিণ ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের আগের হামলার জবাবে তারা বাহরাইনে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহর এবং জর্ডানের একটি বিমানঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। একই সময়ে কুয়েতও জানিয়েছে যে তারা ইরানের হামলার মুখে পড়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) বলেছে, সোমবার হরমুজ প্রণালীর ওপর ইরানি বাহিনীর গুলিতে একটি মার্কিন হেলিকপ্টার ভূপাতিত হওয়ার পর এর প্রতিক্রিয়ায় তারা ইরানের বিরুদ্ধে “আত্মরক্ষামূলক হামলা” পরিচালনা করেছে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘাচি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র “আমাদের দৃঢ়তা পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে” এবং ইরানের সশস্ত্র বাহিনী “কোনো হামলা বা হুমকির জবাব না দিয়ে ছেড়ে দেবে না”। তিনি আরও বলেন, “নিরাপদ থাকতে চাইলে আমাদের অঞ্চল ছেড়ে যান।”
এর আগে ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ইরান ইচ্ছাকৃতভাবে ওই মার্কিন হেলিকপ্টারকে লক্ষ্যবস্তু করেনি।
মঙ্গলবার ইসরায়েলি হামলায় দক্ষিণ লেবাননে প্রায় ২০ জন নিহত হয়েছেন। একই সঙ্গে ইসরায়েল পরিকল্পিত সামরিক অভিযানের আগে আরও জোরপূর্বক স্থানত্যাগের নির্দেশ জারি করায় হাজার হাজার বেসামরিক মানুষ এলাকা ছেড়ে পালানোর আশঙ্কায় রয়েছে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অভিযোগ করেছে যে, অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকা থেকে বিদেশে চিকিৎসার জন্য সাড়ে ১৬ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনিকে যেতে বাধা দিয়ে ইসরায়েল চিকিৎসা বিলম্বের মাধ্যমে রোগীদের মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। সূত্র: আল জাজিরা।
পিএস
আপনার মতামত লিখুন :