ছবি: প্রতিনিধি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি নিয়ে রংপুরে শুরু হয়েছে আলোচনা। দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের আলোচনায় সবচেয়ে বেশি উঠে আসছে আরজানা বেগমের নাম। বিএনপি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের একটি অংশ তাকে সংরক্ষিত আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করছেন।
রংপুর মহানগরীর কামলা কাছনা মায়াময়ী সড়ক এলাকার বাসিন্দা আরজানা বেগম পেশাজীবনে দীর্ঘদিন শিক্ষকতা করেছেন। তিনি প্রায় ৩০ বছর শিক্ষাঙ্গন উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করার পর অবসর নিয়ে সরাসরি রাজনীতিতে সক্রিয় হন। ২০০৪ সালে রংপুর পৌরসভা নির্বাচনে সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচিত হয়ে টানা আট বছর দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দল রংপুর মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে আছেন।
দলীয় নেতাকর্মীরা বলছেন, শিক্ষকতা, জনপ্রতিনিধিত্ব এবং তৃণমূল পর্যায়ে দীর্ঘ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি রংপুরে গ্রহণযোগ্য মুখ হয়ে উঠেছেন। বিএনপির বিভিন্ন সাংগঠনিক পদে দায়িত্ব পালন, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা এবং রাজপথের আন্দোলনে সক্রিয় থাকার কারণে তাকে সংরক্ষিত আসনের উপযুক্ত প্রার্থী মনে করছেন তারা।
সদ্য অনুষ্ঠিত নির্বাচনে রংপুর সদর–৩ আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ও মহানগর মহিলা টিমের প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আরজানা বেগম। এ সময় তিনি সহকর্মীদের নিয়ে গ্রামগঞ্জ, পাড়া-মহল্লায় মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে দলীয় কর্মসূচি তুলে ধরেন এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ জোরদার করেন।
ব্যক্তিগত জীবনে তিনি রংপুর জেলা বিএনপির নেতা ও রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আলহাজ সালেকুজ্জামান সালেকের সহধর্মিণী। স্থানীয়দের মতে, পারিবারিক ও সামাজিক অবস্থান, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং জনপ্রতিনিধি হিসেবে কাজের অভিজ্ঞতার কারণে তাকে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন দিলে তিনি রংপুরের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারবেন।
এ বিষয়ে আরজানা বেগম বলেন, দীর্ঘদিন শিক্ষকতা ও জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। বর্তমানে মহানগর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রাজপথে দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। দল মূল্যায়ন করলে তিনি জাতীয় সংসদে রংপুরের মানুষের কণ্ঠস্বর তুলে ধরতে প্রস্তুত।
এসএইচ
আপনার মতামত লিখুন :